মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

একটি প্রিজমের মধ্য দিয়ে সূর্যরশ্মি গমনের ফলে যে সপ্তবর্ণের বর্ণালি উৎপন্ন হয় এই ঘটনাকে বলা হয়–

A. আলোর প্রতিফলন
B. আলোর প্রতিসরণ
C. আলোর বিচ্ছুরণ
D. কোনোটিই নয়
Poster Download
DUUnit-Aপদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রজ্যামিতিক আলোকবিজ্ঞানপ্রিজম (Topic Practice)DU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C. আলোর বিচ্ছুরণ
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: এখানে প্রিজমের মাধ্যমে আলোর বর্ণালি উৎপন্ন হওয়া সম্পর্কিত প্রশ্ন করা হয়েছে। আলোর বিচ্ছুরণ ঘটানোর জন্য প্রিজম ব্যবহার করা হয়। অপশন বিশ্লেষণ: A. আলোর প্রতিফলন: ভুল, এটি সঠিক নয়। B. আলোর প্রতিসরণ: ভুল, এটি সঠিক নয়। C. আলোর বিচ্ছুরণ: সঠিক, এটি সঠিকভাবে প্রিজমের মাধ্যমে আলোর বিচ্ছুরণ। D. কোনোটিই নয়: ভুল, সঠিক নয়। নোট: প্রিজমের মাধ্যমে আলোর বিচ্ছুরণ ঘটানোর ঘটনা সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
Another Explanation (5): ```html

প্রিজমে আলোর বিচ্ছুরণ: একটি একাডেমিক আলোচনা 🌈

আলোর বিচ্ছুরণ একটি চমৎকার ঘটনা। যখন সূর্যরশ্মি ☀️ কোনো প্রিজমের মধ্যে দিয়ে যায়, তখন এটি সাতটি ভিন্ন রঙে বিভক্ত হয়ে যায়। এই সাতটি রঙের সমষ্টিকে বর্ণালি বা স্পেকট্রাম বলা হয়। এসো, এই ঘটনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানি।

আলোর বিচ্ছুরণ কী? 🤔

আলোর বিচ্ছুরণ হলো একটি জটিল প্রক্রিয়া, যেখানে আলোকরশ্মি কোনো মাধ্যমে প্রবেশ করার পর তার constituent wavelength অনুযায়ী বিভিন্ন দিকে বেঁকে যায়। এই বাঁকানোর পরিমাণ আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর নির্ভরশীল। যেহেতু বিভিন্ন রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ভিন্ন, তাই তারা বিভিন্ন কোণে বেঁকে যায় এবং আলাদা হয়ে যায়।

বর্ণালীর সাতটি রঙ 🎨

বর্ণালীতে আমরা সাধারণত যে সাতটি রঙ দেখতে পাই, সেগুলি হলো:

  1. বেগুনি (Violet) 💜
  2. নীল (Indigo) 💙
  3. আকাশী (Blue) 💧
  4. সবুজ (Green) 💚
  5. হলুদ (Yellow) 💛
  6. কমলা (Orange) 🧡
  7. লাল (Red) ❤️

সহজে মনে রাখার জন্য "বেনীআসহকলা" শব্দটি ব্যবহার করা হয়।

প্রিজম কীভাবে কাজ করে? 💎

প্রিজম হলো স্বচ্ছ কাঁচ বা অন্য কোনো স্বচ্ছ উপাদানের তৈরি একটি ত্রিমাত্রিক বস্তু। এর দুটি তল একটি নির্দিষ্ট কোণে আনত থাকে। যখন আলো প্রিজমের প্রথম পৃষ্ঠে আপতিত হয়, তখন আলোর প্রতিসরণ ঘটে এবং এটি বেঁকে যায়। দ্বিতীয় পৃষ্ঠে আলোকরশ্মি আরও একবার প্রতিসরিত হয় এবং আরও বেশি বেঁকে যায়। যেহেতু বিভিন্ন রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ভিন্ন, তাই তাদের প্রতিসরণের পরিমাণও ভিন্ন হয়। এর ফলে বর্ণালীর সৃষ্টি হয়।

বিচ্ছুরণের কারণ 💡

আলোর বি???্ছুরণের মূল কারণ হলো আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ভিন্নতা এবং মাধ্যমের প্রতিসরাঙ্ক (refractive index)। কোনো মাধ্যমের প্রতিসরাঙ্ক আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে। সাধারণত, ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো (যেমন: বেগুনী) বড় তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো (যেমন: লাল) এর চেয়ে বেশি বেঁকে যায়।

আলোর বিচ্ছুরণের ব্যবহার 🔭

  • বর্ণালীবীক্ষণ (Spectroscopy): আলোর বিচ্ছুরণ ব্যবহার করে কোনো পদার্থের উপাদান বিশ্লেষণ করা যায়। 🧪
  • রামধনু সৃষ্টি: বৃষ্টির কণা প্রিজমের মতো কাজ করে এবং সূর্যের আলোকে বিচ্ছুরিত করে রামধনু তৈরি করে। 🌈🌧️
  • ফাইবার অপটিক্স: আলোর বিচ্ছুরণ রোধ করে ডেটা পরিবহনে ফাইবার অপটিক কেবল ব্যবহার করা হয়। 📡

বিভিন্ন রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য 📊

রঙ তরঙ্গদৈর্ঘ্য (ন্যানোমিটার)
বেগুনী 380 - 450
নীল 450 - 485
আকাশী 485 - 500
সবুজ 500 - 565
হলুদ 565 - 590
কমলা 590 - 625
লাল 625 - 740

আশা করি, আলোর বিচ্ছুরণ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা তৈরি হয়েছে। ✨

আরও জানতে বিজ্ঞান বিষয়ক বই এবং ওয়েবসাইট দেখুন। 📚💻

হ্যাপি লার্নিং! 😃🎉

```