কালাম ভাড়া করা বাড়িতে বসবাস করে। দীর্ঘদিন এক
বাড়িতে থাকার সুবাদে বাড়িওয়ালা আনোয়ারের সাথে
সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। আনোয়ারের চাচাত ভাই জামিল
সম্পত্তির লোভে আনোয়ারকে হত্যা করতে উদ্যত হয়।
জামিলের এ তৎপরতা অন্যায় জেনে বাধা দেয় কালাম।
অবশেষে জামিলের হাতে নিহত হয় কালাম ।
এরূপ তুলনার কারণ, উভয়েই—
- বহিরাগত
- স্বগোত্রীয়ের জন্যে লড়েছে
- ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছে
নিচের কোনটি সঠিক?
A.
i ও ii
B.
i ও iii
C.
ii ও iii
D.
i,ii ও iii
সঠিক উত্তরঃ
B.
i ও iii
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- "ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোকের পক্ষে সবই সম্ভব।" ব্যাখ্যা করো।
- মিরজাফর অগ্নিগিরির মতো প্রচণ্ড গর্জনে ফেটে পড়বার জন্য তৈরি হন কেন?
- কোথায় যেতে পারলে আবার প্রতিরোধ গড়ে তোলা যাবে বলে নবাব প্রত্যয় ব্যক্ত কর??ন?
- 'মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছেন সেনাপতি'- এখানে সেনাপতির নাম কী?
- 'সিরাজের পতন কে না চায়' সংলাপটি কার?
- “ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা।'— উমিচাঁদের এই উক্তিতে কী প্রকাশ পেয়েছে?
- পাকিস্তানি শাসকবর্গ দীর্ঘ চব্বিশ বছর বাঙালিদের উপর শাসন, শোষণ, অত্যাচার ও নির্যাতন চালিয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর নেতৃত্বে এ দেশের মানুষ স্বাধীনতার জন্য বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে ও দেশ স্বাধীন করেছে। দেশের মানুষের জন্য বঙ্গবন্ধু বহুবার জেল খেটেছেন। ১৯৭৫ সালে দেশি ও বিদেশি স্বার্থান্বেষী মহল ষড়যন্ত্র করে দেশপ্রেমিক এ মহান নেতাকে হত্যা করে।উদ্দীপকের স্বার্থান্বেষী মহলের ভূমিকা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
- কোন কবি নবাব সিরাজউদৌলার চরিত্রনির্ভর নাটক রচনা করেন ?
- ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের প্রকাশকাল কত?
- মৃত্যুকালে সিরাজের মুষ্টিবদ্ধ হাত কীসের প্রতীক?
- মাস্টারদা সূর্যসেন ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। এ দেশের গণমানুষকে জাগিয়ে তুলতে নানাভাবে চেষ্টা করেন। তারই নির্দেশে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীর ইউরোপিয়ান ক্লাবে আক্রমণ সফল হওয়ার পর ব্রিটিশ শাসকের টনক নড়ে। তাঁকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ইংরেজরা দশ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে। অর্থের লোভে জনৈক ব্যক্তি তাঁর অবস্থান জানিয়ে দিলে তিনি ধরা পড়েন। অতঃপর তাঁকে নির্মমভ??বে হত্যা করা হয়।উদ্দীপকের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- "এদেশে থেকে এ দেশকে ভালোবেসেছি"-সংলাপটি কার?
- শাহীন গ্রামে প্রতিবেশীর বাড়িতে চুরি করে ধরা পড়ে। মা-বাবা সম্মান বাঁচাতে ছেলেকে মামাবাড়ি পাঠিয়ে দেয়। সেখানে কিছুদিন থাকার পর নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। মামার ঘরের ছোট ছোট দামি জিনিসপত্র হারাতে থাকে। প্রথমত তারা কাজের মেয়েকেই সন্দেহ করে। কিন্তু মেয়ের জন্মদিনের উপহার হারিয়ে গেলে তা পাওয়া যায় শাহীনের ঘরের আলমারির মধ্যে তালাবদ্ধ অবস্থায়। তখন মুখোশ খুলে যায় শাহীনের। মামাবাড়ি থেকে সে বিতাড়িত হয়।'শাহীন কিংবা লর্ড ক্লাইভের মতো মানুষের অভাব সমাজে নেই'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে স্বৈরাচারী পাকিস্তান শাসকের বিরুদ্ধে আজীবন লড়াই করেছেন। ১৯৫২, ১৯৬৯ এবং শেষ পর্যন্ত উনিশ শত একাত্তর সনে এসে তাঁরই নেতৃত্বে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রের জন্ম হয়। কিন্তু পাকিস্তানি ষড়যন্ত্রকারী দালালরা থেমে থাকেনি। তাঁর উদারতার সুযোগে তারা এদেশে আবার শিকড় গেড়ে বসে। শুরু হয় নতুন ষড়যন্ত্র। তারই চরম পরিণতি হয় ১৯৭৫ সালের পনেরই আগস্ট।উদ্দীপকের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং নাটকের সিরাজউদ্দৌলা উভয়ে আপনজনের ষড়যন্ত্রের শিকার হলেও উদ্দীপকের সাথে নাটকের বৈসাদৃশ্য রয়েছে আলোচনা কর।
- ইতিহাস পথ নিলো কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকেবারুদে জোয়ার লাগে, পীতাঙ্কা গোঁয়ার বান ডাকে-এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দন্ত প্রতাপ।'আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুরবিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়;যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।'বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়।' উদ্দীপকের এ উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাহিনির আলোকে কতটা সত্য? মূল্যায়ন করো।
- পত্র মারফত শওকতজঙ্গকে কে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছিলেন?
- মধুমতি নদীতে জেগে উঠেছে চান্দের চর। পলিময় উর্বর সে ভূমি। দেখলে যে কারোরই চোখ টাটায়। মন্তু মিয়াও এর বাইরে নয়। কিন্তু এলাকার প্রবল প্রতাপশালী জমিদারের সঙ্গে লড়বে কে? মঞ্জু মিয়া তাই গোপনে হাত মেলায় জমিদারের জ্ঞাতি ভাই গজনবী চৌধুরীর সঙ্গে। তার সহায়তায় মঞ্জু মিয়া এবং তার লাঠিয়াল বাহিনী চরটি দখল করে নেয়। এবার মঞ্জু মিয়ার নতুন চরের দায়িত্ব নেওয়ার পালা। সে গজনবী চৌধুরীর উপস্থিতি ও দোয়া ছাড়া চান্দের চরের দায়িত্ব গ্রহণ করতে অপারগতা প্রকাশ করে। এভাবেই নদীর বুকে জেগে ওঠা নতুন চর চিরকালের জন্য জমিদারের হাতছাড়া হয়ে যায়।উদ্দীপকের মঞ্জু মিয়ার সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফর চরিত্রের তুলনা কর।
- নেপাল ও গোপাল দুই ভাই। জমি নিয়ে বিরোধ তাদের দীর্ঘদিন। অনেক সালিশ-বিচার করেও কেউ তাদের বিরোধ মেটাতে পারেনি। কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। এখন জমির ভাগ বণ্টন নিয়ে মামলা চলছে আদালতে। ছোটো ভাই নেপাল বড়ো ভাইকে শায়েস্তা করতে আব্দুল নামে এক মুসলমানের কাছে ভিটের জমির এক অংশ বিক্রি করে। আব্দুল সেখানে বাড়ি বানিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। কোরবানির ঈদে সে নেপালের বাড়ির সামনে গোরু কোরবানি দেয়। এই ঘটনায় নেপালের মন ভেঙে যায়। কিছুদিন পর কাউকে কিছু না বলে জমি-জায়গা ফেলে সপরিবার ভারতে চলে যায় সে।'খাল কেটে কুমির আনা।' প্রবাদটি উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটক উভয় ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য।"- উক্তিটির সার্থকতা নিরূপণ করো।
- "সিরাজউদ্দৌলা" নাটকের দৃশ্য সংখ্যা কয়টি?
- 'বর্গি এস খাজনা নিতেমারল মানুষ কত।পুড়ল শহর, পুড়ল শ্যামলগ্রাম যে শত শত।হানাদারের সজো জোরেলড়ে মুক্তি সেনা,তাদের কথা দেশের মানুষকখনো ভুলবে না।'উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটিকে নির্দেশ করে? আলোচনা করো।