'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড়ো লজ্জার কথা।'– উক্তিটি কে করেছিল?
A.
উমিচাঁদ
B.
মিরমর্দান
C.
মানিকচাঁদ
D.
সিরাজউদ্দৌলা
সঠিক উত্তরঃ
A.
উমিচাঁদ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- কেউতো জানে না প্রাণের আকুতি বারেবারে সে কি চায়স্বার্থের টানে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়ধরণির বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।উদ্দীপকের আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘৃণিত ও নিন্দিত অধ্যায়টি বিশ্লেষণ করো।
- মহাকবি বাল্মীকির 'রামায়ণ' এক অর্থে আর্য ও অনার্য সংস্কৃতির প্রতিভূ। রামায়ন্ত্রে কাহিনিকে নব আঙ্গিকে ঢেলে সাজান মাইকেল মধুসূদন দত্ত। মেঘনাদ' চরিত্রটি তাঁর এক অসাধারণ সৃষ্টি। সীমাহীন দেশপ্রেম ও অসাধারণ বীরত্ব সত্ত্বেও গৃহশত্রু বিভীষণের কারণে তাকে করুণ পরিণতি বরণ করতে হয়। মেঘনাদের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে রাম-রাবণ যুদ্ধে বিজয় সূচিত হয় আর্যশক্তির।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।
- সিরাজউদ্দৌলার হত্যাকাণ্ড ঘটে কোথায়?
- 'আমরা সাদা নিশান উড়িয়ে দিয়েছি'— বাক্যটির মধ্যদিয়ে কোন মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোথায় বন্দি হন?
- "সবাই মিলে আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো?”- উক্তিটি কে, কেন করেছে?
- সিরাজউদ্দৌলা ও তার স্ত্রীর মাঝে কীসের দেয়াল?
- 'ইউ ক্যান ফিল রিয়েলি সেফ নাও।' ক্লাইভ যাকে এ কথা বলেছেন
- "আপনাকে আমরা মায়ের মত ভালবাসি।" ঘসেটি বেগমকে উদ্দেশ্য করে একথা বলেছিল-
- 'আমরা এমন কিছু করলাম যা ইতিহাস হবে'- ব্যাখ্যা করো।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার আজমত আলী শান্তি কমিটি গঠন করে এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে যোগ দিয়ে এই দেশের প্রচুর ক্ষয়-ক্ষতি সাধন করে। পরবর্তীকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে তার নামে মামলা করা হয় এবং ফাঁসিও কার্যকর করা হয়। প্রত্যক্ষ মুক্তিযোদ্ধা জামিল উদ্দীন জানান ওই বিশ্বাসঘাতক আজমত 'আলীর সাহায্যেই হানাদার বাহিনী গ্রামের অনেক মুক্তিযোদ্ধাকে গুলি করে হত্যা করে এবং তাঁদের পরিবারের ওপর চালায় সীমাহীন নির্যাতন।উদ্দীপকের আজমত আলী 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ? -আলোচনা করো।
- স্বার্থের কারণে তমাল সাহেবের জীবনের চরম বিপর্যয়ের সময়স্ত্রী-পুত্র-কন্যা দূরে সরে গেল, অথচ বিশ্বস্ত ভৃত্য আনোয়ারজীবন দিয়ে হলেও তমাল সাহেবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করারশপথ নেয়।উদ্দীপকের আনোয়ার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোনচরিত্রের অনুরূপ ?
- রাস্তায় বসে ছোট্ট শিশু আমিনকে কাঁদতে দেখে তাকে বাড়িতে নিয়ে এলেন প্রফেসর মধুসূদন রায়। পরম মমতায়, সন্তান স্নেহে বড়ো করে তোলেন তাকে। শিক্ষা-দীক্ষা, ধন-সম্পদ কোনো কিছুরই অভাব রাখেননি তিনি। কিন্তু একদিন আমিনই ষড়যন্ত্র করে মধুসূদন বাবুর সমস্ত সম্পত্তি জোর করে দখল করে নিয়ে বাড়ি থেকে সস্ত্রীক মধুসূদন বাবুকে বের করে দিলো। সম্পদের প্রচণ্ড লোভের কাছে পরাজিত হন মধুসূদন বাবুর দীর্ঘদিনের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা।"উদ্দীপকের আমিন ও 'সিরাজদ্দৌলা' নাটকের ঘসেটি বেগম একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।"- মন্তব্যটির সত্যতা নিরূপণ করো।
- 'দওলত আমার কাছে ভগবানের দাদামশায়ের চেয়ে বড়'- উক্তিটির দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- ইতিহাস পথ নিলো কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকেবারুদে জোয়ার লাগে, পীতাঙ্কা গোঁয়ার বান ডাকে-এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দন্ত প্রতাপ।'আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুরবিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়;যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।'বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়।' উদ্দীপকের এ উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাহিনির আলোকে কতটা সত্য? মূল্যায়ন করো।
- 'নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে?চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?' উদ্দীপকের 'তস্কর' 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কোনটিপ্রতিনিধিত্ব করে?
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কাকে আলিনগরের দেওয়ান নিযুক্ত করেন?
- কেউ তো জানে না প্রাণের আকৃতি বারেবারে সে কি চায়স্বার্থের কারণে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়ধরণির বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।উদ্দীপকের দ্বিতীয় চরণ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের যে চরিত্রকে নির্দেশ করে তা ব্যাখ্যা করো।
- ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ কী ধরণের রচনা?
- নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়যখন শকুন নেমে আসে এই সোনার বাংলায়নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়যখন আমার দেশ ছেয়ে যায় দালালেরই আলখাল্লায়; নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়যখন আমার স্বপ্ন লুট হয়ে যায়;নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়যখন আমার কণ্ঠ বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যায়;নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়।যখন আমারই দেশে আমার এ দেহ থেকে রক্ত ঝরে যায়ইতিহাসে, প্রতিটি পৃষ্ঠায়।(নূরলদীনের কতা মনে পড়ে যায়- সৈয়দ শামসুল হক)"উদ্দীপকের 'দেশ ছেয়ে যায় দালালেরই আলখাল্লায়' কথাটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ক্ষেত্রেও নির্মম সত্য হয়ে দেখা দিয়েছে।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।