মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

কোনটি RNA ভাইরাস নয়?

A. HIV
B. TMV
C. রেবিস
D. TIV
Poster Download
CCঅণুজীবCC - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. TIV
Explanation:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"কোনটি RNA ভাইরাস নয়?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের জিনোমিক গঠন সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। বিশেষত, এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদে??? RNA ভাইরাস এবং DNA ভাইরাসের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে সাহায্য করবে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. HIV:
    • ভুল অপশন: HIV (Human Immunodeficiency Virus) হলো একটি RNA ভাইরাস। এটি রেট্রোভাইরাস পরিবারের সদস্য এবং এর জিনোম একক-সু্ত্রক RNA দ্বারা গঠিত।
  2. TMV (Tobacco Mosaic Virus):
    • ভুল অপশন: TMV (Tobacco Mosaic Virus) হলো একটি RNA ভাইরাস, যা উদ্ভিদ সংক্রমিত করে। এর জিনোম একক-সু্ত্রক RNA দ্বারা গঠিত।
  3. রেবিস:
    • ভুল অপশন: রেবিস ভাইরাস হলো একটি RNA ভাইরাস। এটি লিসাভাইরাস পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এবং এর জিনোমও একক-সু্ত্রক RNA দ্বারা গঠিত।
  4. TIV (Trivalent Influenza Vaccine):
    • সঠিক উত্তর: TIV হলো একটি ভ্যাকসিন, যা তিনটি ভিন্ন ধরনের ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর। এটি কোনো RNA ভাইরাস নয়; এটি ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গঠনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের RNA এবং DNA ভাইরাসের মধ্যে পার্থক্য বোঝার ক্ষেত্রে সহায়ক। সঠিক উত্তর TIV, যা একটি ভ্যাকসিন এবং RNA ভাইরাস নয়। অন্য তিনটি অপশন হলো RNA ভাইরাস, যা তাদের জিনোমিক গঠনের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়েছে
আকৃতি অনুযায়ী ভাইরাস সাধারণত ৬ প্রকার। যথাঃ i. DNA ভাইরাস- T₂ ভাইরাস, ভ্যাকসিনিয়া, ভ্যারিওলা, TIV এডিনোহার্পিস সিমপ্লেক্স ইত্যাদি ii. RNA ভাইরাস- TMV, HIV, ডেঙ্গু, পোলিও, মাম্পস, পটেটো ভাইরাস, শ্যগারকেন মোজাইক, রেবিস, আলফা- আলফা মোজাইক, পীতজ্বর, মিজলস, ইনফ্লুয়েঞ্জা- B, এনসেফালারটিস। →বহিঃস্থ আবরণ অনুযায়ী ভাইরাস ২ প্রকার। যথাঃ i. বহিঃস্থ আবরণহীন ভাইরাস- TMV, T₂ ভাইরাস ii. বহিঃস???থ আবরণী ভাইরাস- ইনফ্লুয়েঞ্জা, হার্পিস, HIV ভাইরাস → পোষকদেহ অনুযায়ী ভাইরাস ৪ প্রকার। যথাঃ i. উদ্ভিদ ভাইরাস- TMV, সিম (Bean) ভাইরাস ii. প্রাণী ভাইরাস- HIV, ভ্যাক্সিনিয়া ভাইরাস iii. ব্যাকটেরিওফায- T2, T4,T6 ব্যাকটেরিওফায iv. সায়ানোফায- LP.P1, LPP2 অধিকাংশ ভাইরাস RNA হচ্ছে এক সূত্রক (ব্যতিক্রম- ধানের বামন রোগ ও রিও ভাইরাসের RNA) → অধিকাংশ ভাইরাসের DNA দ্বিসূত্রক (ব্যতিক্রম $X174 ও M13 কলিফায ভাইরাসের DNA). → ইমার্জিং ভাইরাসের উদাহরণ- HIV, SARS, Nile Virus, Ebola.
Option A Explanation:

HIV (Human Immunodeficiency Virus) সম্পর্কিত তথ্য

  • প্রকার: ভাইরাস
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: এটি ইমার্জিং ভাইরাসের মধ্যে অন্যতম, যা মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে।
  • সংক্রমণের মাধ্যম: মূলত রক্ত, যৌন সংস্পর্শ, ও মা থেকে সন্তানকে।
  • প্রভাব: এটি শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা ধ্বংস করে, ফলে অন্যান্য সংক্রমণ ও রোগের জন্য ঝুঁকি বাড়ে।
  • উপসর্গ: সাধারণত প্রথমে উপসর্গ দেখা যায় না, তবে পরে ক্লান্তি, ওজন কমে, জ্বর, ক্ষত ইত্যাদি হতে পারে।
  • উপশম ও প্রতিকার: এই ভাইরাসের জন্য এখনো কোন সম্পূর্ণ নিরাময় নেই, তবে অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ওষুধ দিয়ে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
Option B Explanation:
  • TMV (Tobacco Mosaic Virus): এটি একটি ক্ষুদ্র ভাইরাস যা টোবাকো গাছের পাতা ও শাখায় মোজাইক ধরণের দাগ সৃষ্টি করে।
  • রাসায়নিক গঠনে: TMV একটি ভাইরাস যা এক ধরনের RNA ধারণ করে, তবে এটি DNA ধারণ করে না।
  • উৎপত্তি ও প্রভাব: এটি প্রথম আবিষ্কৃত ভাইরাসগুলোর মধ্যে একটি এবং উদ্ভিদ রোগের জন্য দায়ী।
  • সংক্রমণের পদ্ধতি: মূলত সংস্পর্শের মাধ্যমে এটি উদ্ভিদে ছড়িয়ে পড়ে।
Option C Explanation:

রেবিস ভাইরাসের সম্পর্কে তথ্য

  • প্রকার: রেবিস ভাইরাসটি একটি RNA ভাইরাস, যা রেবিস (Rabies) রোগের জন্য দায়ী।
  • জেনোম: এটি একক স্ট্র্যান্ডের RNA (ssRNA) দ্বারা গঠিত।
  • পরিবার: Lyssaviridae পরিবারের অন্তর্গত।
  • সংক্রমণ পদ্ধতি: সাধারণত আক্রান্ত প্রাণীর থুতু দ্বারা মানুষ বা অন্যান্য প্রাণীতে সংক্রমিত হয়।
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: এটি মূলত কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে আঘাত করে, গুরুতর রোগের কারণ হয়।
  • উপসর্গ: সংক্রমণের পরপ্রথমে হালকা জ্বর, ব্যথা, অস্থিরতা দেখা যায়, পরে গুরুতর নার্ভাস সিস্টেমের সমস্যা হয়।
Option D Explanation: TIV এর ব্যাখ্যা

TIV (Tick-borne Illness Virus)

  • সংক্ষিপ্ত বিবরণ: TIV বলতে সাধারণত Tick-borne Illness Virus বোঝায়, যা টিকের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয়।
  • প্রকার: এটি একটি ইমার্জিং ভাইরাস, অর্থাৎ সাম্প্রতিক সময়ে এর উপস্থিতি বা সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে।
  • প্রাদুর্ভাব: বিভিন্ন অঞ্চলে টিকের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার কারণে এর প্রাদুর্ভাব দেখা যায়।
  • চিহ্ন ও লক্ষণ: জ্বর, মাথাব্যথা, ক্লান্তি, পেশী ব্যথা ইত্যাদি হতে পারে।
  • প্রতিরক্ষা: টিকের সংস্পর্শ থেকে বিরত থাকা ও সময়মতো টিকের কামড়ের পর চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।