মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

সাইজোগনির শেষে উৎপন্ন দশা কোনটি?

A.

ক্রিপ্টোজয়েট

B.

মেরোজোয়েট

C.

ট্রফোজয়েট 

D.

গ্যামেটো সাইট

Poster Download
জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবম্যালেরিয়া পরজীবী (Topic Practice)
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ B.

মেরোজোয়েট

Explanation:

Another Explanation (5):

সাইজোগনির শেষ দশা: মেরোজোয়েট 🔬

সাইজোগনি (Schizogony) হলো অযৌন জনন প্রক্রিয়ার একটি বিশেষ রূপ, যেখানে একটি কোষের নিউক্লিয়াস বারবার বিভাজিত হয়ে বহুসংখ্যক অপত্য কোষ সৃষ্টি করে। এই প্রক্রিয়াটি মূলত কিছু পরজীবী যেমন ম্যালেরিয়া পরজীবীর (Plasmodium) ক্ষেত্রে দেখা যায়। সাইজোগনির একেবারে শেষ পর্যায়ে যে দশাটি উৎপন্ন হয়, তা হলো মেরোজোয়েট (Merozoite)।

মেরোজোয়েট: শেষ মুহূর্তের খেলোয়াড় 🎯

মেরোজোয়েট হলো ছোট, এককোষী গঠন যা সাইজন্ট (Schizont) নামক একটি কোষের মধ্যে তৈরি হয়। সাইজোগনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাইজন্ট বিভাজিত হয়ে অসংখ্য মেরোজোয়েট উৎপন্ন করে। এই মেরোজোয়েটগুলো পরবর্তীতে অন্যান্য কোষে (যেমন: লোহিত রক্তকণিকা বা যকৃতের কোষ) প্রবেশ করে নতুন করে সংক্রমণ শুরু করতে সক্ষম।

সাইজোগনি প্রক্রিয়ার ধাপসমূহ 🪜

সাইজোগনি প্রক্রিয়াটি কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়, যা নিচে উল্লেখ করা হলো:
  1. ট্রোফোজয়েট (Trophozoite) দশা: পরজীবী কোষের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে এবং পুষ্টি গ্রহণ করে আকারে বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। 🍔
  2. সাইজন্ট (Schizont) দশা: ট্রোফোজয়েট পরিণত হয়ে সাইজন্টে রূপান্তরিত হয় এবং নিউক্লিয়াস বারবার বিভাজিত হতে থাকে। 🧬
  3. মেরোজোয়েট (Merozoite) দশা: সাইজন্টের বিভাজনের ফলে অসংখ্য মেরোজোয়েট সৃষ্টি হয়। 👶👶👶
  4. কোষ মুক্তি: পরিপক্ক সাইজন্ট বিদীর্ণ হয় এবং মেরোজোয়েটগুলো মুক্ত হয়ে নতুন কোষকে সংক্রমিত করে। 💥

মেরোজোয়েটের বৈশিষ্ট্য 📝

* ছোট এবং ডিম্বাকৃতির। 🥚 * একক নিউক্লিয়াসযুক্ত। 🧠 * কোষের অভ্যন্তরে দ্রুত বিভাজিত হতে সক্ষম। ⏩ * নতুন কোষকে সংক্রমিত করার ক্ষমতা রাখে। 💪

মেরোজোয়েট কিভাবে কাজ করে? 🤔

যখন সাইজন্ট ফেটে যায়, তখন মেরোজোয়েটগুলো রক্তপ্রবাহে মুক্ত হয় এবং নতুন লোহিত রক্তকণিকা বা যকৃতের কোষকে আক্রমণ করে। এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে যতক্ষণ না পর্যন্ত শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পরজীবীকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে অথবা ঔষধের মাধ্যমে এদের ধ্বংস করা যায়।

সংক্ষেপে মেরোজোয়েট 📊

| বৈশিষ্ট্য | মেরোজোয়েট | | -------------- | ------------------------------------------ | | গঠন | ছোট, ডিম্বাকৃতির কোষ | | উৎপত্তি | সাইজোগনির শেষ ধাপে সাইজন্ট থেকে | | কাজ | নতুন কোষকে সংক্রমিত করা | | গুরুত্ব | ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্রে গুরুত্বপূর্ণ |

আশা করি, সাইজোগনির শেষ দশা মেরোজোয়েট সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 👍

Option A Explanation:
  1. ক্রিপ্টোজয়েট (Cryptojete): এটি একটি ক্ষুদ্র কৃমি বা পরজীবী, যা সাধারণত হেপাটিক সিস্টে উপস্থিত হয়।
  2. প্রতিরূপ: ক্রিপ্টোজয়েট সাধারণত একটি ছোট, অঙ্গবিন্যাসবিহীন পরজীবী, যার আকার প্রায় ৮-১০ মাইক্রোমিটার।
  3. গঠন: এতে একটি বড়ো সেন্ট্রাল কণিকা এবং চারটি বা তার বেশি অঙ্গবিশিষ্ট ট্রপোজয়েট স্টেজ থাকে।
  4. সংক্রমণ: এটি মূলত জলের মাধ্যম দিয়ে সংক্রমিত হয় এবং মানবদেহে পরিপাকতন্ত্রের মধ্যে বাস করে।
  5. উপসর্গ: সংক্রমণের ফলে ডায়ারিয়া, পেটব্যথা, বমি এবং ডিহাইড্রেশনের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  6. উপশম: সাধারণত অ্যান্টিপ্যারাসিটিক ও হাইড্রেশন থেরাপি দ্বারা চিকিৎসা করা হয়।
Option B Explanation:
  • মেরোজোয়েট: এটি এক ধরনের পরজীবী যা সাধারণত অ্যামিবা প্রজাতির মধ্যে পাওয়া যায়।
  • অবস্থান: মেরোজোয়েট সাধারণত পেটের অভ্যন্তরে থাকে এবং অন্ত্রের মধ্যে বাস করে।
  • গঠন: এটি একটি অঙ্গবিশিষ্ট কোষ বা পরিপাকতন্ত্রের অংশ, যা জলীয় বা আক্রমণাত্মক রূপে থাকতে পারে।
  • অভিযোজন: এই পরজীবী খাদ্য শোষণ করে এবং তার আশপাশের টিস্যু বা কোষের উপর আক্রমণ চালায়, যার ফলস্বরূপ বিভিন্ন অন্ত্রজনিত রোগের সৃষ্টি হয়।
Option C Explanation:
  • ট্রফোজয়েট: এটি ম্যালেরিয়া পরজীবীর একটি সক্রিয় ও জীবনচক্রের পর্ব যেখানে পরজীবী রক্তের মধ্যে থাকতে থাকে এবং সংক্রমণের জন্য প্রস্তুত হয়।
  • এই পর্বে পরজীবী রক্তের লোহিত কোষের মধ্যে বৃদ্ধি পায় এবং বিভাজিত হয়, ফলে রোগের লক্ষণ দেখা দেয়।
  • ট্রফোজয়েট পর্যায়টি মূলত মানুষের শরীরে ঘটে এবং এটি রোগের সংক্রমণের মূল কারণ।
Option D Explanation:
  • গ্যামেটো সাইট: গ্যামেটো সাইট হলো সেই কোষ যা গ্যামেট তৈরি করে। এটি মূলত শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর জনন কোষের জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • বৈশিষ্ট্য: গ্যামেটো সাইট সাধারণত অর্ধেক জৈবিক সংখ্যা (n) ধারণ করে, যা পরবর্তীতে শুক্রাণু বা ডিম্বাণু হিসেবে পরিণত হয়।
  • প্রক্রিয়া: সাইজোগনি (syngamy) বা সঙ্গমের পরে, গ্যামেটো সাইট গঠিত হয় এবং এগুলি পরবর্তীতে গ্যামেটের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • উৎপত্তি: এই কোষগুলো মূলত গ্যামেটোজেনেসিসের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়।