নিচের কোনটি টক্সয়েড ভ্যাক্সিন?
Dentalজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রমানবদেহের প্রতিরক্ষাপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় টিকার ভূমিকা (Topic Practice)Dental - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
ডিপথেরিয়া
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
টক্সয়েড ভ্যাকসিন: ডিপথেরিয়া 🦠
টক্সয়েড ভ্যাকসিন হলো এক ধরণের নিষ্ক্রিয় ভ্যাকসিন। এটি ব্যাকটেরিয়ার নিঃসৃত টক্সিনকে (বিষ) নিষ্ক্রিয় করে তৈরি করা হয়। এই নিষ্ক্রিয় টক্সিন, যা টক্সয়েড নামে পরিচিত, শরীরে প্রবেশ করালে এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে। যখন প্রকৃত জীবাণু দ্বারা সংক্রমণ ঘটে, তখন শরীর দ্রুত অ্যান্টিবডি তৈরি করে রোগ প্রতিরোধ করতে পারে। 👍
ডিপথেরিয়া টক্সয়েড ভ্যাকসিন 🛡️
- ডিপথেরিয়া একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ, যা Corynebacterium diphtheriae নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়।
- এই ব্যাকটেরিয়া একটি টক্সিন তৈরি করে, যা শ্বাসযন্ত্র, হৃদপিণ্ড ও স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি করতে পারে। 💔
- ডিপথেরিয়া টক্সয়েড ভ্যাকসিন এই টক্সিনের বিরুদ্ধে শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। 💪
টক্সয়েড ভ্যাকসিন কিভাবে কাজ করে? 🤔
- ব্যাকটেরিয়ার টক্সিন সংগ্রহ করা ???য়।
- রাসায়নিক বা তাপ ব্যবহার করে টক্সিনকে নিষ্ক্রিয় করা হয়, যা টক্সয়েডে পরিণত হয়।
- এই টক্সয়েড শরীরে প্রবেশ করানো হলে এটি অ্যান্টিবডি তৈরি করতে উদ্দীপিত করে।
- ভ্যাকসিন গ্রহণের পর, শরীর ডিপথেরিয়া টক্সিনের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি করে রাখে।
- ভবিষ্যতে ডিপথেরিয়া ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হলে, এই অ্যান্টিবডি দ্রুত টক্সিনকে নিষ্ক্রিয় করে রোগ প্রতিরোধ করে। 🚀
ডিপথেরিয়া ভ্যাকসিনের সময়সূচী 🗓️
| ভ্যাকসিনের ডোজ | বয়স | মন্তব্য |
|---|---|---|
| প্রথম ডোজ | ৬ সপ্তাহ | ডিপিটি (DPT) ভ্যাকসিনের সাথে দেওয়া হয়। |
| দ্বিতীয় ডোজ | ১০ সপ্তাহ | ডিপিটি (DPT) ভ্যাকসিনের সাথে দেওয়া হয়। |
| তৃতীয় ডোজ | ১৪ সপ্তাহ | ডিপিটি (DPT) ভ্যাকসিনের সাথে দেওয়া হয়। |
| বুস্টার ডোজ | ১৫-১৮ মাস | ডিপিটি (DPT) ভ্যাকসিনের সাথে দেওয়া হয়। |
| বুস্টার ডোজ | ৪-৬ বছর | ডিপিটি (DPT) অথবা ডিটিএপি (DTaP) ভ্যাকসিনের সাথে দেওয়া হয়। |
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ℹ️
- ডিপথেরিয়া ভ্যাকসিন শিশুদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 👶
- প্রাপ্তবয়স্কদেরও বুস্টার ডোজ নেওয়া উচিত, বিশেষ করে যারা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ভ্রমণ করেন। ✈️
- টক্সয়েড ভ্যাকসিন নিরাপদ এবং কার্যকর। ✅
- কিছু ক্ষেত্রে সামান্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে, যেমন: জ্বর, ব্যথা বা ইঞ্জেকশন দেওয়ার স্থানে লাল ভাব। 🌡️
নিয়মিত টিকা গ্রহণ করে ডিপথেরিয়ার হাত থেকে নিজেকে ও আপনার পরিবারকে সুরক্ষিত রাখুন। ❤️
```Option A Explanation:
টাইফয়েডের ব্যাখ্যা
টাইফয়েডের ব্যাখ্যা
- প্রকার: ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ (বাহিরের জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট)
- সংক্রমণের কারণ: Salmonella typhi ব্যাকটেরিয়া
- প্রধান লক্ষণসমূহ: জ্বর, পেট ব্যথা, পাতলা পায়খানা বা কনস্টিপেশন, ক্লান্তি, মাথা ব্যথা
- সংক্রমণের মাধ্যম: দূষিত পানি ও খাবার, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব
- প্রতিরোধ: পরিষ্কার পানি পান, স্যানিটেশন মান বজায় রাখা, টিকা গ্রহণ
- চিকিৎসা: অ্যান্টিবায়োটিকস দ্বারা চিকিৎসা সম্ভব
Option B Explanation:
- পোলিও: পোলিও বা পোলিওমাইলাইটিস হলো একটি সংক্রামক রোগ যা পোলিওভাইরাস দ্বারা হয়।
- এটি সাধারণত প্রধানত শিশুদের মধ্যে ঘটে, তবে সব বয়সের মানুষ আক্রান্ত হতে পারে।
- রোগের লক্ষণসমূহের মধ্যে থাকে মাথাব্যথা, গলা ব্যথা, জ্বর, ক্লান্তি এবং কিছু ক্ষেত্রে প্যারালাইসিস বা অক্ষমতা হয়ে থাকে।
- বিশেষ করে, পোলিও ভাইরাসের কারণে পেরেক বা পা এর অস্থিরতা বা পক্ষাঘাত দেখা দিতে পারে, যা দীর্ঘস্থায়ী হয়ে যেতে পারে।
- প্রতিরোধের জন্য মূল উপায় হলো পোলিও ভাইরাসের বিরুদ্ধে টিকা (ইনজেকশন বা ওরাল ভ্যাকসিন)।
- সাধারণত, সঠিক চিকিৎসা না থাকলেও, কিছু ক্ষেত্রে রোগের প্রভাব স্বাভাবিক হতে পারে, তবে কিছু ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অক্ষমতা হতে পারে।
Option C Explanation:
- ডিপথেরিয়া হল একটি সংক্রমণজনিত রোগ যা ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্টি হয়, বিশেষ করে Corynebacterium diphtheriae।
- এটি সাধারণত নাক, গলা, এবং শ্বাসনালীতে সংক্রমণ ঘটায়, এবং কখনও কখনও ক্ষত বা ত্বকেও হতে পারে।
- রোগের লক্ষণসমূহের মধ্যে থাকে গলা ব্যথা, জ্বর, এবং গলায় মোটা ধূসর বা কালো ধরণের আবরণ।
- সাধারণত এটি ছুঁড়ে ফেলা বা সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায়, এবং সম্পূর্ণ চিকিত্সা না করলে গুরুতর জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।
- প্রতিরোধের জন্য টিকাদান গুরুত্বপূর্ণ, যা ডিপথেরিয়া ভ্যাকসিনের মাধ্যমে সরবরাহ হয়।
Option D Explanation:
হাম
- প্রকার: ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ
- সংক্রমণের পথ: সংস্পর্শ, বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়
- লক্ষণ: জ্বর, সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট
- প্রতিরোধ: টিকা, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও হস্তধোয়া
- চিকিৎসা: অ্যান্টিবায়োটিক ও উপসর্গের চিকিৎসা