মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

বাংলাদেশের জাতীয় পাখির বৈজ্ঞানিক নাম কি?

A. Columba livia
B. Gullus domestica
C. Passer domesticus
D. Copsychus saularis
Poster Download
BAUজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসবৈজ্ঞানিক নাম - 2.1 (Topic Practice)BAU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. Copsychus saularis
Explanation:

Another Explanation (5):

বাংলাদেশের জাতীয় পাখি: দোয়েল 🐦

বাংলাদেশের জাতীয় পাখি দোয়েল, যা তার সুন্দর গানের জন্য সুপরিচিত। এর বৈজ্ঞানিক নাম Copsychus saularis। এটি Muscicapidae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।

বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস 🧬

  • জগৎ: Animilia
  • পর্ব: Chordata
  • শ্রেণী: Aves
  • বর্গ: Passeriformes
  • উপবর্গ: Passeri
  • পরিবার: Muscicapidae
  • গণ: Copsychus
  • প্রজাতি: Copsychus saularis

বৈশিষ্ট্য 📝

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
আকার প্রায় ২১ সেমি (~৮ ইঞ্চি) লম্বা📏
ওজন ২০-৩০ গ্রাম⚖️
রং পুরুষ দোয়েলের শরীর উজ্জ্বল কালো এবং পেট সাদা। স্ত্রী দোয়েলের শরীর ধূসর বর্ণের।
বাসস্থান সাধারণত বন, গ্রাম এবং শহরের আশেপাশে দেখা যায় 🏘️🌳
খাদ্য কীটপতঙ্গ, ছোট ফল এবং বীজ🐛🍎
স্বভাব ভোরবেলা এবং সন্ধ্যায় গান গাওয়া এদের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এরা খুব মিশুক পাখি🐦‍⬛🎶।

বিস্তৃতি 🗺️

দোয়েল বাংলাদেশ সহ ভারতীয় উপমহাদেশ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে দেখা যায়। 🌍

সংরক্ষণ অবস্থা ⚠️

আইইউসিএন (IUCN) এর মতে, দোয়েল বিপদমুক্ত প্রজাতি হিসেবে বিবেচিত। তবে এদের আবাসস্থল রক্ষা করা জরুরি। 🙏

আরও কিছু তথ্য 💡

  • দোয়েল বাংলাদেশের জাতীয় পাখি হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে ১৯৭১ সালে। 🇧🇩
  • এরা সাধারণত গাছের কোটরে বা দেয়ালের গর্তে বাসা তৈরি করে। 🏡
  • দোয়েল পাখি বছরে দুইবার ডিম পাড়ে। 🥚🥚

আশা করি, এই তথ্যগুলো আপনার কাজে লাগবে। 😊

Option A Explanation:
  • বৈজ্ঞানিক নাম: Columba livia
  • অর্থ: সাধারণত প্যাটের বা শহুরে পেঁচা নামে পরিচিত, যা ডোয়েল বা শহুরে গুল্লা নামে পরিচিত।
  • প্রজাতি: এটি একটি প্রাচীন পোলট্রি পাখি, যা প্রাকৃতিকভাবে ইউরোপ, এশিয়া, আফ্রিকা এবং অস্ট্রেলিয়ায় পাওয়া যায়।
  • বৈশিষ্ট্য: এর মাথা, পিঠ, ও পা ধূসর রঙের, এবং গলা ও বুকের নিচে সাদা বা হালকা ধূসর রঙের ডোয়েল মার্কস থাকে।
  • প্রজনন: এই পাখি সাধারণত একসাথে একটি বড় গুচ্ছ বা ঝুড়িতে বাস করে, এবং একসাথে অনেক ডিম পাড়ে।
Option B Explanation:
  • Gullus domestica হল বৈজ্ঞানিক নাম যা সাধারণত ঘরোয়া পেঁচা বা ঘরের পেঁচা হিসেবে পরিচিত।
  • এটি মূলত একটি পাখির প্রজাতি যা বিশ্বের বিভিন্ন অংশে পোষা পাখি হিসেবেও দেখা যায়।
  • এটির বৈশিষ্ট্যসমূহের মধ্যে রয়েছে ঘরোয়া জীবনযাত্রা এবং মানুষের কাছাকাছি বসবাস।
  • বৈজ্ঞানিক নামের মাধ্যমে এই পাখির সঠিক প্রজাতি নির্ণয় করা যায় এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এটি গুরুত্বপূর্ণ।
Option C Explanation:
  • বৈজ্ঞানিক নাম: Passer domesticus
  • অর্থ: এটি সাধারণত হাউস স্প্যারো নামে পরিচিত, যা বিশ্বব্যাপী মানুষের আশেপাশে দেখা যায়।
  • পরিবার: এই পাখিটি প্যারিডি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: ছোট আকারের, ধূসর বা বাদামী রঙের, এবং সাধারণত সাদা বা ধূসর লেজের পাখি।
  • অভিবাস: এটি সাধারণত অপ্রবাসী পাখি, অর্থাৎ স্থানীয়ভাবে বসবাস করে।
  • অন্য নাম: গ্রামে-শহরে সহজেই দেখা যায়, এবং বিভিন্ন ভাষায় বিভিন্ন নাম থাকলেও বৈজ্ঞানিক নামটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
Option D Explanation:
  • নাম: Copsychus saularis
  • পরিবার: সাইরাসিডি (Cisticolidae)
  • বর্ণনা: এটি একটি ছোটো পাখি যা সাধারণত সান্দ্র গাছের ডালে দেখা যায়। এর পাখার রঙ সাধারণত কালো ও সাদা মিশ্রিত, এবং এটি খুবই কণ্ঠস্বল্প।
  • প্রজনন: এই পাখি সাধারণত গাছে তাদের বাসস্থান তৈরি করে এবং একসাথে বসবাস করে।
  • আবাস: মূলত দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অংশে পাওয়া যায়, যেমন ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ইত্যাদি।