মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

প্লাজমার কোন উপাদান রক্তক্ষরণ বন্ধে সহায়তা করে?

A. এলবুমিন
B. গ্লোবিউলিন
C. সেরোটোনিন
D. ফাইব্রিনোজেন
Poster Download
MEDICALজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্ররক্ত ও সঞ্চালনরক্ত জমাট বাঁধা বা রক্ত তঞ্চন (Topic Practice)MEDICAL - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. ফাইব্রিনোজেন
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: এই প্রশ্নে প্লাজমার কোন উপাদান রক্তক্ষরণ বন্ধে সহায়তা করে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। ফাইব্রিনোজেন হলো সেই উপাদান যা রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে সহায়তা করে। অপশন বিশ্লেষণ: A. এলবুমিন: ভুল, এটি রক্তের পিএইচ এবং অ্যাসিড-বেস ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে, তবে রক্তক্ষরণ বন্ধে নয়। B. গ্লোবিউলিন: ভুল, এটি রক্তের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য দায়ী, তবে রক্তক্ষরণ বন্ধে নয়। C. সেরোটোনিন: ভুল, এটি রক্তবাহী নালী সংকুচিত করতে সহায়তা করে, তবে রক্তক্ষরণ বন্ধে নয়। D. ফাইব্রিনোজেন: সঠিক, এটি রক্তের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে এবং রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে সহায়তা করে। নোট: ফাইব্রিনোজেন একটি প্রোটিন যা রক্তক্ষরণ বন্ধে ভূমিকা রাখে, কারণ এটি রক্তের জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
Another Explanation (5):

প্লাজমার উপাদান ও রক্তক্ষরণ বন্ধে তার ভূমিকা

প্লাজমা রক্তের তরল অংশ যা বিভিন্ন প্রোটিন ও উপাদান দ্বারা গঠিত। রক্তক্ষরণ বন্ধে বিশেষ করে ফাইব্রিনোজেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি একটি প্রোটিন যা রক্তের জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় মূল ভূমিকা রাখে।

ফাইব্রিনোজেনের কার্যাবলী

  • রক্তের জমাট বাঁধার প্রথম ধাপের জন্য প্রাথমিক উপাদান 🩸
  • প্রোটিন ফাইব্রিনে রূপান্তরিত হয়ে জমাট সৃষ্টি করে 🧪
  • রক্তস্রোত বন্ধ করে দ্রুত রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে 💉

রক্তক্ষরণ বন্ধে প্রক্রিয়া

নিম্নলিখিত ধাপগুলো রক্তক্ষরণ বন্ধের জন্য গুরুত্বপূর্ণ:

ধাপ বর্ণনা ইমোজি
উৎপত্তি ফাইব্রিনোজেন প্লাজমায় উপস্থিত হয়। 🌐
অ্যাক্টিভেশন বিচ্ছিন্ন ফ্যাক্টর দ্বারা ফাইব্রিনোজেন সক্রিয় হয়। ⚙️
ফাইব্রিনের গঠন ফাইব্রিনে রূপান্তরিত হয়ে জমাট বাঁধে। 🧬

উপসংহার

অতএব, রক্তক্ষরণ বন্ধে ফাইব্রিনোজেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর অভাবে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে, যার ফলে রক্তক্ষরণ দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

Option A Explanation:
  • এলবুমিন: এলবুমিন হলো রক্তের প্রাথমিক প্রোটিন যা লোহিত রক্তকণিকা ও অন্যান্য উপাদানের সাথে যুক্ত থাকে।
  • এটি রক্তের অণু ও তরলের মধ্যে জলীয় সমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
  • এলবুমিন রক্তের অণুগুলির মধ্যে পানির ভারসাম্য রক্ষা করে এবং রক্তের চাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • যদিও এটি সরাসরি রক্তক্ষরণ বন্ধে সহায়ক নয়, তবে রক্তের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে অপরিহার্য।
Option B Explanation:
  • গ্লোবিউলিন: গ্লোবিউলিন হলো একটি প্রোটিনের শ্রেণী যা রক্তে পাওয়া যায়। এটি প্রধানত ইমিউন সিস্টেমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • ইমিউন সিস্টেমে ভূমিকা: গ্লোবিউলিন বিশেষ করে অ্যান্টিবডি বা এন্টিবডির একটি বৃহৎ অংশ, যা শরীরের রোগপ্রতিরোধে কাজ করে। এটি ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং অন্যান্য অজানা উপাদানের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
  • প্রকারভেদ: গ্লোবিউলিন বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে, যেমন অ্যালফা, বিটা, এবং গ্যামা গ্লোবিউলিন। গ্যামা গ্লোবিউলিনই মূলত ইমিউন সিস্টেমের প্রধান অংশ।
  • গ্লোবিউলিনের উপকারিতা: এটি শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, অ্যান্টিজেনের সাথে লড়াই করে, এবং শরীরের সুস্থ্যতা রক্ষা কর??।
Option C Explanation:
  • সেরোটোনিন: এটি একটি নিউরোট্রান্সমিটার যা সাধারণত মনোভাব, ঘুম, এবং রক্তের ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
  • রক্তের ক্ষরণ কমানোর জন্য সেরোটোনিন রক্তের প্লেটলেট থেকে মুক্ত হয়ে রক্তনালীর ধমনীতে সংকোচন সৃষ্টি করে, ফলে রক্তপাত কমে যায়।
  • এটি রক্তের ক্ষরণ বন্ধে সহায়তা করে কারণ এটি রক্তনালীর সংকোচন (vasoconstriction) প্রক্রিয়াকে উদ্বুদ্ধ করে।
Option D Explanation:
  • ফাইব্রিনোজেন হলো একটি প্রোটিন যা রক্তের জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • এটি লিভার দ্বারা উৎপন্ন হয় এবং রক্তে পাওয়া যায়।
  • জমাট বাঁধার সময়, এটি ফাইব্রিন নামে একটি ফাইব্রিলেটেড প্রোটিনে রূপান্তরিত হয়, যা রক্তের জমাট বাঁধা গঠন করে।
  • ফাইব্রিনোজেন প্লাজমা প্রোটিন হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে এটি সাধারণত প্লাজমার ফাইব্রিনের সাথে সম্পর্কিত, যা রক্তের জমাট বাঁধার জন্য দায়ী।
  • অন্যদিকে, এই প্রোটিনটি প্লাজমা প্রোটিনের মধ্যে পড়ে, যা মূলত অ্যালবুমিন এবং গ্লোবুলিনের মতো বিভিন্ন প্রোটিনের অন্তর্ভুক্ত।