সমাজপতিদের চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত সৌদামিনী প্রকাশ করতে বাধ্য হয় যে, তার পালিতপুত্র হরিদাস নমশূদ্র নয়, সে মুসলমানের ঔরসজাত। হরিদাসও নিশ্চিত হয় সৌদামিনী মালো তার মা নয়। আর এ কথা জেনেই সে নিরুদ্দিষ্ট হয়। ফলে অচিরেই তার মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটে। সমাজের চাপে সৌদামিনীর মাতৃহৃদয়ের বলি ঘটে বটে, তবে তার হৃদয়ের হাহাকার আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হতে থাকে। তার দীর্ঘশ্বাসে উচ্চকিত হয়- মাতৃহৃদয়ের কাছে ধর্ম, অর্থ সকলই তুচ্ছ। এভাবেই জয় হয় মানবিক সম্পর্কের।
উদ্দীপকের সৌদামিনী মালো 'আহ্বান' গল্পের কার সঙ্গে তুলনীয়? আলোচনা কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- বিভূুতভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্পগ্রন্থ কোনটি?
- 'আহ্বান' গল্পে লেখক বুড়িকে প্রথম কোথায় দেখেছিলেন?
- লেখিকা শামীমা আখতারের স্বামী ফারুক চৌধুরী ও তাঁর একমাত্র সন্তান বিজয় মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হন। এরপর শামীমা আখতার স্বাধীনতা যুদ্ধে বাবা-মা হারানো এতিম প্রশান্তকে পুত্রবাৎসল্যে লালনপালন করে বড়ো করে তোলেন। মৃত্যুর আগে শামীমা আখতার তাঁর ১৮টি প্রকাশিত গ্রন্থের স্বত্ব প্রশান্তকে দান করেন। প্রশান্ত তার মায়ের গ্রামের বাড়িতে শহিদ সন্তানবিজয়ের নামে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করেন।উদ্দীপকের শামীমা আখতার ও প্রশান্তের স্নেহের সম্পর্কের সাথে 'আহ্বান' গল্পের বুড়ি ও গোপালের সম্পর্কের তুলনা করো।
- কোন দিক বিবেচনা করে 'আহ্বান' গল্পের নামকরণকরা হয়েছে?
- গ্রামীণ লোকায়ত জীবনধারা শাস্ত্রীয় কঠোরতা থেকে যে অনেকটা মুক্ত তা কোন গল্পে প্রতীয়মান?
- 'পথের পঁচালি' উপন্যাসের লেখক-
- লেখিকা রত্না চৌধুরীর স্বামী সমর ও একমাত্র সন্তান দীপঙ্কর মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হন। মুক্তিযুদ্ধে মা-বাবা হারানো এতিম সুজাউদ্দিনকে রত্না চৌধুরী পুত্র বাৎসল্যে বড়ো করেন। মৃত্যুর আগে রত্না চৌধুরী তার প্রকাশিত ১৮টি বইয়ের স্বত্ব সুজাউদ্দিনকে দান করেন। সুজাউদ্দিন তার মায়ের গ্রামের বাড়িতে শহিদ সন্তান দীপঙ্করের নামে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করেন।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপক ও 'আহ্বান' গল্পে ভাবগত ঐক্য রয়েছে।"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- লেখিকা রত্না চৌধুরীর স্বামী সমর ও একমাত্র সন্তান দীপঙ্কর মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হন। মুক্তিযুদ্ধে মা-বাবা হারানো এতিম সুজাউদ্দিনকে রত্না চৌধুরী পুত্র বাৎসল্যে বড়ো করেন। মৃত্যুর আগে রত্না চৌধুরী তার প্রকাশিত ১৮টি বইয়ের স্বত্ব সুজাউদ্দিনকে দান করেন। সুজাউদ্দিন তার মায়ের গ্রামের বাড়িতে শহিদ সন্তান দীপঙ্করের নামে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করেন।উদ্দীপকের স্নেহাতুর সম্পর্কের সাথে 'আহ্বান' গল্পের বুড়ি ও গোপালের সম্পর্কের তুলনা করো।
- 'আহ্বান' গল্পে বুড়ির স্বামী কোন পেশায় নিয়োজিত ছিল?
- ‘কতকাল পরে বাবা মনে পড়ল দেশের কথা' - 'আহ্বান' গল্পে এ উক্তি কে করেছিলেন ?
- ‘আহ্বান’ গল্পে গল্পকথক বুড়ির কাছ থেকে পেত-
- 'আমার বড্ড কষ্ট, ভাত জোটে না সবদিন'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'আহ্বান' গল্পের লেখকের নামের শুদ্ধ বানান কোনটি ?
- 'আহ্বান' গল্পে কোন ভাববস্তু প্রতিফলিত হয়েছে?
- বিপত্নীক রহমান সাহেবের প্রতিষ্ঠিত পুত্র কন্যারা সকলেই প্রবাসীহওয়ায় বিপদে-আপদে প্রতিবেশীদের উপরই তার নির্ভরশীলতা।স্ত্রী-সন্তানসহ যৌবনের আনন্দময় দিনগুলো মনে পড়লে বৃদ্ধআবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।উদ্দীপকের রহমান সাহেব এবং 'আহ্বান' গল্পের বুড়ির সাদৃশ্য-
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'আহ্বান' কী ধরনের গল্প?
- 'আহ্বান' গল্পের বুড়ি কে?
- মন্বন্তরের সময় নিঃসন্তান হরিদাসী আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ফেরার পথে ধানক্ষেতের পাশে পরিত্যক্ত একটি শিশু দেখতে পায়। পরম স্নেহে অসহায় শিশুকে কোলে তুলে নেয় সে এবং মাতৃত্বের মমতায় তাকে বড় করে তোলে। কিন্তু বাদ সাধে সমাজ। তাদের মতে হরিদাসীর কুড়িয়ে পাওয়া ছেলেটি মুসলমানের ছেলে, তাকে কাছে রাখলে ব্রাহ্মণ সমাজের অশুচি হবে। কিন্তু হরিদাসী এত কিছু ভাবতে চায় না। তার কাছে মাতৃত্বের দাবিদারই বড় বিষয়।উদ্দীপকের হরিদাসীর মধ্যে 'আহ্বান' গল্পের কোন চরিত্রের ছায়াপাত লক্ষণীয় ব্যাখ্যা করো।
- কোনটি জীবনানন্দ দাশের কাব্য নয়?
- 'আহ্বান' গল্পে বুড়িকে কে মা বলে সম্বোধন করে?