শির নেহারি আমারি, নতশির ওই, শিখারি হিমাদ্রির।- এখানে মূলত কী নতশির ওই শিখর প্রকাশ পেয়েছে?
A.
তীব্র আত্মবিশ্বাস
B.
প্রবল অহংকার
C.
চরম দুঃসাহস
D.
বিপুল প্রত্যাশা
সঠিক উত্তরঃ
A.
তীব্র আত্মবিশ্বাস
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- বিদ্রোহ আজ বিদ্রোহ চারিদিকেআমি যাই তারি দিন-পঞ্জিকা লিখে,এতো বিদ্রোহ কখনো দেখেনি কেউ,দিকে দিকে ওঠে অবাধ্যতার ঢেউ;স্বপ্ন-চূড়ার থেকে নেমে এলো সব-শুনেছ? শুনছ উদ্দাম কলরব?নয়া ইতিহাস লিখছে ধর্মঘট;রক্তে রক্তে আঁকা প্রচ্ছদপট।'প্রত্যহ যারা ঘৃণিত ও পদানত,দেখ আজ তারা সবেগে সমুদ্যত;"উদ্দীপকটি 'বিদ্রোহী' কবিতার স্মারক।" বিচার করো।
- কাজী নজরুল ইসলাম কোন কবিতা রচনার জন্য কারাবরণ করেন?
- ভারতবর্ষের ইতিহাসে ক্ষুদিরাম, মাস্টার দা সূর্যসেন'ও প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার বিখ্যাত নাম। বৃটিশদের অত্যাচার থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষা করার মানসে নিজেদের বিপ্লবী হিসেবে গড়ে তোলেন। তাঁরা বৃটিশ শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও বিপ্লবের ঝান্ডা উড়িয়ে তাদের ভিত্তি প্রকম্পিত করেন।'বিদ্রোহী' কবিতায় কাজী নজরুল ইসলামের যে আমি সত্তার পরিচয় পাওয়া যায় তা উদ্দীপকে অনুপস্থিত। উক্তিটির যথার্থতা উদ্দীপক ও 'বিদ্রোহী' কবিতার আলোকে মূল্যায়ন কর।
- কবি নিজেকে কার কঠোর কুঠারের সঙ্গে তুলনা করেছেন?
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য নয়?
- 'আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্নিশ'!___ ব্যাখ্যা করো।
- নিচের কোন কাব্য কাজী নজরুল ইসলামের উদারনৈতিক ঐতিহ্যভাবনার ধারক?
- কবি কার কুঠার দিয়ে বিশ্বকে নিঃক্ষত্রিয় করবেন?
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রবন্ধ গ্রন্থ—
- 'জাগো রে কৃষাণ, সব তো গেছে, কীসের আর ভয়'— উদ্দীপকটিতে 'বিদ্রোহী' কবিতার যে ভাব ফুটে উঠেছে—
- ভারতের ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নারী মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রথম শহিদ বিপ্লবী নারী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। ১৯৩০ সালে সমগ্র বাংলা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিপ্লবী হয়ে ওঠে। প্রীতিলতাও বিপ্লবে উদ্বুদ্ধ হন। প্রথম নারী সদস্য হিসেবে যোগ দেন সূর্য সেনের নেতৃত্বাধীন বিপ্লবী দলের সঙ্গে এরপর টেলিফোন ও টেলিগ্রাফ অফিস ধ্বংস এবং রিজার্ভ পুলিশ লাইনস দখল অভিযানে যুক্ত ছিলেন। তিনি অংশগ্রহণ করেন জালালাবাদ যুদ্ধেও। ১৯৩২ সালে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে প্রীতিলতার ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। 'কুকুর ও ভারতীয়দের প্রবেশ নিষিদ্ধ' এরূপ অবমাননামূলক কথার জন্য ক্লাবটি নিয়ে ক্ষুদ্ধ ছিল ভারতীয়রা। প্রীতিলতার নেতৃত্বে বিপ্লবীরা ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ করে। ওই সময়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হলে তাৎক্ষণিকভাবে পটাশিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মাহুতি দেন। তাঁর আত্মদান বিপ্লবীদের সশস্ত্র সংগ্রামে আরও উজ্জীবিত করে তোলে। উদ্দীপকটিতে 'বিদ্রোহী' কবিতার মূলভাবের পূর্ণ প্রতিফলন ঘটেছে কি? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করো।
- 'পাশরি' শব্দের অর্থ কী?
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহে ছিলেন হিমালয়ের মতো সুউচ্চ এবং জীবন্ত আগ্নেয়গিরির মতো দহন ক্ষমতাসম্পন্ন এবং প্রেমের ক্ষেত্রে ছিলেন স্রোতঃস্বিনী নদীর জোয়ারের মতো। তাঁর প্রেমের ফেনায়িত তরঙ্গ কুল ছাপিয়ে একাকার হয়ে গেছে। বিদ্রোহের পিছনেও ছিল তাঁর খরস্রোতা নদীর মতো দেশপ্রেম।উদ্দীপকের সাথে 'বিদ্রোহী' কবিতাটির সাদৃশ্যের দিকটি ব্যাখ্যা করো।
- ‘বিষের বাঁশি’ কাজী নজরুল রচিত একটি-
- ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যের প্রথম কবিতা কোনটি?
- কবি নিজেকে বেদুইন বলেছেন কেন? ব্যাখ্যা করো।
- কবি নজরুল দাবানল হয়ে কী দাহন করবেন?
- "মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য; পঙ্ক্তিতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ- তূর্য;'- পঙ্ক্তিতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ভারতের ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নারী মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রথম শহিদ বিপ্লবী নারী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। ১৯৩০ সালে সমগ্র বাংলা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিপ্লবী হয়ে ওঠে। প্রীতিলতাও বিপ্লবে উদ্বুদ্ধ হন। প্রথম নারী সদস্য হিসেবে যোগ দেন সূর্য সেনের নেতৃত্বাধীন বিপ্লবী দলের সঙ্গে। এরপর টেলিফোন ও টেলিগ্রাফ অফিস ধ্বংস এবং রিজার্ভ পুলিশ লাইনস দখল অভিযানে যুক্ত ছিলেন। তিনি অংশগ্রহণ করেন জালালাবাদ যুদ্ধেও। ১৯৩২ সালে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে প্রীতিলতার ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। 'কুকুর ও ভারতীয়দের প্রবেশ নিষিদ্ধ' এরূপ অবমাননামূলক কথার জন্য ক্লাবটি নিয়ে ক্ষুদ্ধ ছিল ভারতীয়রা। প্রীতিলতার নেতৃত্বে বিপ্লবীরা ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ করে। ওই সময়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হলে তাৎক্ষণিকভাবে পটাশিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মাহুতি দেন। তাঁর আত্মদান বিপ্লবীদের সশস্ত্র সংগ্রামে আরও উজ্জীবিত করে তোলে। উদ্দীপকের কোন দিকটি 'বিদ্রোহী' কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।