রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জাতীয় সংগীতের সুর নিয়েছেন কোন গানের সুর থেকে?
A. বাউল
B. মুশিদি
C. ভাটিয়ালি
D. ভাওয়াইয়া
সঠিক উত্তরঃ
A.
বাউল
Explanation: আমার সোনার বাংলা গানটি ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত। বঙ্গমাতা সম্পর্কে এই গাঁথা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক ১৯০৫ সালে রচিত। বাউল গায়ক গগন হরকরার গান "আমি কোথায় পাব তারে" থেকে এই গানের সুর ও সঙ্গীত উদ্ভূত।
Related Questions (Any University/Year)
- হঠাৎ নিরীহ মাটিতে কখনজন্ম নিয়েছে সচেতনতার ধানগত আকালের মৃত্যুকে মুছেআবার এসেছে বাংলাদেশের প্রাণ।উদ্দীপকের 'সচেতনতার ধান' 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার যে দিকটি তুলে ধরেছে তা ব্যাখ্যা করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কৌতুক নাটক হচ্ছে–
- নিচের কোনটি সহোদর ভাষাগোষ্ঠী?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সর্বশেষ গল্প কোনটি?
- অনিমেষ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর বাবা-মার পছন্দ করা মেয়ে মাধুরীকে বিয়ে করে ঘরে আনে। অনিমেষের বাবা ও মা নিজ কন্যার মতোই মাধুরীকে প্রথমে সাদরে গ্রহণ করলেও কিছু দিনের মধ্যে যৌতুক না পাওয়ায় বকাঝকা করতে থাকে। তখন অনিমেষ তার বাবাকে খুব বিনয়ের সাথে বুঝিয়ে বলে যে, সে কোনো যৌতুক নেবে না। আর তারা যেন এ-ব্যাপারে মাধুরীকে কোনো কটুকথা না বলে।'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণী যৌতুকের কারণে যেভাবে নিগৃহীত হয়েছে উদ্দীপকের মাধুরী সেই অর্থে সৌভাগ্যবতী'। উক্তিটির যথার্থতা নির্ণয় কর।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন রচনাটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেন?
- মাতৃস্নেহের তুলনা নাই, কিন্তু অতিস্নেহ অনেক সময় অমঙ্গল আনয়ন করে। যে স্নেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহৃদয়ে মমতার প্রাবল্যে, মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। দুর্বল অসহায় পক্ষীশাবকের মতো চিরদিন স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়।"মাতৃস্নেহের আধিক্যে পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়।" উদ্দীপকের এই মন্তব্যের সাদৃশ্যমূলক প্রভাব রয়েছে 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রে- বুঝিয়ে লেখো।
- লিটন শীল আর চন্দনা একে অপরের ভালো বন্ধু। ছাত্রজীবন থেকে তাদের মাঝে বেশ সখ্য আর জানা-শোনা। উভয়ই উচ্চ শিক্ষিত। চন্দনা এম.এ পাশ করে স্বল্প বেতনের একটা চাকরি করে। স্বল্প বেতনের জন্য মা-বাবাকে সাথে নিয়ে শরহতলিতে একটা পুরোনো ভাড়া বাসায় বাস করে। তার যাপিত জীবন আভিজাত্যের নয় নিম্নমধ্যবিত্তের। লিটন শীল সরকারি চাকরিতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বাবা বিক্রম শীলের কাছে চন্দনকে বিয়ে করার কথা জানালে বাবা বিক্রম শীল মেয়েকে এবং মেয়ের 'পরিবারকে দেখতে চান। মেয়ের পারিবারিক অবস্থা দেখে ফিরে এসে বাবা গম্ভীর কণ্ঠে বলেন, "মেয়ে দেখতে সুন্দর তবে এ বিয়ে হবে না।" বাবার এরূপ মানসিকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে পারেনি লিটন শীল। কারণ বাল্যকাল থেকেই সে তার বাবার কথার অবাধ্য হয়নি কখনো।"উদ্দীপকের বিক্রম শীল এবং 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমের মামার মতো মানুষের হীনমানসিকতার কারণেই তৎকালীন সমাজে যৌতুক প্রথা মারাত্মক রূপ ধারণ করেছিল।"- আলোচনা করো।
- কোন শব্দগুলো বাংলা উপসর্গযোগে গঠিত?
- ’জীবন-বন্দনা’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- ‘অপরিচিতা’ গল্পটি কোন পুরুষের জবানিতে লেখা?
- "অপরিচিতা" গল্পের কথক কে?
- পড়াশোনা শেষ করে সবিতা এখন গ্রামের একটি সরকারি প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। বছর কয়েক আগে শহরের এক ধনী ব্যবসায়ীর ছেলের সঙ্গে তার বিবাহ স্থির হয়। পাত্রপক্ষ বিয়েতে মোটা অঙ্কের যৌতুক দাবি করলে তার আত্মসম্মানে আঘাত লাগে। সবিতা নিজেই যৌতুককে প্রত্যাখ্যান করে বিয়ে না করার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। পিতা-মাতা ও সহকর্মীদের অনেক অনুরোধ সত্ত্বেও তিনি তার চিন্তা-চেতনায় কোনো পরিবর্তন আনেননি। তিনি, ছাত্র-ছাত্রীর প্রাণ। মায়ের মতো ভালোবাসা দিয়ে আগলে রাখেন সবাইকে। তিনি বলেন, 'দেশকে মাতৃজ্ঞানে সেবা করা, দেশকে ভালোবাসা প্রত্যেকের কর্তব্য।' পরহিতে জীবন উৎসর্গ করাই তার ধর্ম।উদ্দীপকের 'সবিতা' ও 'অপরিচিতা' গল্পের 'কল্যাণী' উভয়েই যৌতুকের শিকার।"- মন্তব্যটি -বিশ্লেষণ করো।
- 'অপরিচিতা' গল্পে উল্লিখিত 'ফল্গু' নদীর বৈশিষ্ট্য কী?
- কোনটি সঙ্গতিপূর্ণ জোড় নয়?
- নিচের কোনটি 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- ছাত্রছাত্রীরা জেলগেটে এসে কী করছিল?
- কয়লাখনির জওয়ান শ্রমিক রবিউল শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি পরিশোধের জন্য শ্রমিকদের নিয়ে আন্দোলন করে। এই অপরাধে তার চাকরি চলে যায়। নিদারুণ অভাবে পড়লেও সে হাল ছাড়ে না। প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে শ্রমিকদের নিয়ে সে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলে।উদ্দীপকের রবিউল চরিত্রে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন বৈশিষ্ট্যটি বিদ্যমান?
- ‘জীবনটা না দৈর্ঘ্যের হিসাবে বড়, না গুণের হিসাবে’