নদীভাঙনে সর্বস্বান্ত হতে বসেছে ধলেশ্বরী গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষেরা। জীবিকা নির্বাহের আশায় তাদের অনেকেই ছুটেছে দূরদূরান্তে। অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ জেনেও তারা ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্নে বিভোর। ভাগ্য-বিরন্বিত এমনই এক যুবক ইদ্রিসের ঠাঁই হয় শহরের বস্তিতে। রিকশা চালানো দিয়ে জীবিকা শুরু করলেও অবৈধ ব্যাবসার সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রভাব-প্রতিপত্তিসহ এখন সে অভিজাত এলাকার বাসিন্দা।
উদ্দীপকে বর্ণিত অসহায় মানুষদের জীবানাচরণের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন বিষয়ের সাদৃশ্য রয়েছে? আলোচনা করো।
উদ্দীপকে বর্ণিত অসহায় মানুষদের জীবানাচরণের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন বিষয়ের সাদৃশ্য রয়েছে? আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- শামসুজ্জামানের বাবা অনাথ হাবিবকে লালনপালন করেন।শামসুজ্জামানের সঙ্গে তার চাচা মোতালেবের বিরোধবাধলে অর্থের লোভে মোতালেবের নির্দেশে হাবিবশামসুজ্জামানকে হত্যা করে ।সাদৃশ্যের কারণ হলো, উভয়ই- কৃতঘ্নক্ষমতালোভীঅর্থলোভীনিচের কোনটি সঠিক?
- তাহেরের বাপ নিরুদ্দেশ হয়ে যায় কেন?
- 'বিশ্বাসের পাথরে যেন খো???াই সে-চোখ।' কাদেরকথা বলা হয়েছে?
- শিক্ষিত মানুষের সংস্কৃতিই ধর্ম আর সাধারণ মানুষের ধর্মই সংস্কৃতি। তাই অশিক্ষিত দরিদ্র অঞ্চলে ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে যুগে যুগে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন। এই সংগঠনের নেতাগণ সাধারণ মানুষের সরল বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে গড়ে তোলেন সম্পদের পাহাড়। তেমনি একজন নেতা শাহ্ কদম আলী। নিজের পানি পড়ায় বিশ্বাস নেই তার। তাই চিকিৎসার জন্য ভক্তদের টাকা নিয়ে সিঙ্গাপুর যান। তবে গ্রামবাসীর মহৌষধ হলো শাহ্ কদম আলীর পড়া পানি।"উদ্দীপকটি 'লালসালু' উপন্যাসের সম্পূর্ণ অংশের সাথে মিলে না"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন কর।
- নদীভাঙনে সর্বস্বান্ত হতে বসেছে শ্যামলছায়া গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষেরা। জীবিকা নির্বাহের আশায় তাদের অনেকেই ছুটছে দূর-দূরান্তে। অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ জেনেও তারা ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্নে বিভোর। ভাগ্য-বিড়ম্বিত এমনই এক যুবক শফিকের ঠাঁই হয় শহরের বস্তিতে। রিকশা চালানো দিয়ে জীবিকা শুরু করলেও অবৈধ ব্যাবসার সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রভাব- প্রতিপত্তিসহ এখন সে অভিজাত এলাকার বাসিন্দা।উদ্দীপকে বর্ণিত অসহায় মানুষদের জীবনাচরণের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন বিষয়ের সাদৃশ্য রয়েছে? আলোচনা করো।
- মুরাদপুর একটি অবহেলিত গ্রাম। গ্রামটি যোগাযোগব্যবস্থায় যেমন পিছিয়ে তার চেয়ে বেশি শিক্ষায়। নারী শিক্ষায় পিছিয়ে থাকায় গ্রামে বাল্যবিবাহ নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। গ্রামের ছেলে মনির হোসেন এমএসসি পাশ করে সরকারি চাকরির সুযোগ পেয়ে গ্রহণ করেননি। তিনি গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেন একটি বালিকা বিদ্যালয়। এছাড়া সেলাই ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করে মেয়েদের কর্মমুখী শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করেন।উদ্দীপকের মুরাদপুর গ্রামের সমাজ বাস্তবতার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের সমাজবাস্তবতার তুলনা করো।
- ‘তার আনুগত্য ধ্রুবতারার মতো অনড়, তার বিশ্বাস পবর্তের মতো অটল' এখানে কার কথা বলা হয়েছে?
- 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসের টুনি বুড়ো মকবুলের তৃতীয় পক্ষ। গায়ের রং কলো। দোহারা গড়ন। আয়তচোখের এই মেয়েটির বয়স তেরো-চৌদ্দর মাঝামাঝি। কিশোরীর চঞ্চলতা এখনো তার মধ্যে বিরাজমান। তাই ঘর সংসার কাকে বলে সে বুঝে ওঠেনি। সমবয়সি কারোর সঙ্গে দেখা হলে সে গল্পে মেতে ওঠে। কখনো হাসতে হাসতে মেঝেতে গড়াগড়ি খায়। কখনো অন্ধকার রাতে পরের পুকুরে মাছ ধরার জন্য জাল ফেলে। কখনো শীতের হাড়কাঁপুনি রাতে টুনি অন্যের খেজুর গাছে শিরনি বাঁধার জন্য হাঁড়ি নিয়ে গাছে ওঠে। 'জামিলা আর টুনি যেন একই বৃত্তে দুটি ফুল।'- উক্তিটির আলোকে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা চরিত্র আলোচনা করো।
- মতিয়ার হঠাৎ ধার্মিক হয়ে উঠেছে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সে মসজিদে জামাতের সঙ্গে পড়ে। পোশাকের পরিবর্তন হয়েছে। সে এখন পাজামা পাঞ্জাবী পরে। মুখ ভর্তি দাড়ি রেখেছে। মসজিদের ইমাম সাহেবের ফতোয়া মোতাবেক একদিন হঠাৎ বাড়ী ফিরে তার দামি টেলিভিশনটি ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে ফেলে। স্ত্রী সন্তানরা বাধা দিতে এলে সে ক্ষোভের সংগে উত্তর দেয়, "এগুলো শরিয়ত বিরোধী কাজ। দুনিয়ার জীবন কোনো জীবনই নয়। পরকালের জন্য নিজেকে তৈরি কর।"উদ্দীপকের মতিয়ার 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারীর অন্য সংস্করণ- পক্ষে-বিপক্ষে তোমার মতামত দাও।
- হিজলতলী গ্রামের মানুষগুলো অত্যন্ত পরিশ্রমী। তাদের গোলাভরা ধান আছে, কণ্ঠভরা গান আছে আর আছে জীবনের জন্য সংগ্রামী চেতনা। এ গ্রামের যুবক-বৃদ্ধ যুবক-বৃদ্ধ সকলে ফসলের মাঠে যেমন সুরের মূর্ছনা তোলে, তেমনি আবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় গাজীপীর কিংবা বদরপীরের সাহায্যও কামনা করে। এ গ্রামের লোকদের অনেকের ঘরেই হয়তো অভাব আছে কিন্তু তাদের দুঃখ-কষ্ট আছে কিনা তা বোঝা দায়। এদের দুঃখের কারণ প্রতারক শ্রেণির মানুষ। এরা সরল ও ধর্মপ্রাণ কিন্তু ধর্ম সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকায় ভণ্ড ধার্মিকেরা এদের ঠকায়।'এদের দুঃখের কারণ প্রতারক শ্রেণির মানুষ'- উদ্দীপকের এই উক্তির আলোকে মহব্বতনগর গ্রামের মানুষের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরো।
- এ পৃথিবীর মৎস্য-মাংসে আমাদের কিছু অধিকার আছে। খাইতে দাও- নহিলে চুরি করিব। আমাদের কৃষ্ণ চর্ম, শুষ্ক মুখ, ক্ষীণ সকরুণ মেও মেও শুনিয়া তোমাদিগের কি দুঃখ হয় না? চোরের দন্ড আছে, নির্দয়তার কি দণ্ড নাই? দরিদ্রের আহার সংগ্রহের দণ্ড আছে, ধনীর কার্পণ্যের দণ্ড নাই কেন? তুমি কমলাকান্ত, দূরদর্শী, কেন না আফিংখোর, তুমিও কি দেখিতে পাও না যে, ধনীর দোষেই দরিদ্র চোর হয়? পাঁচশত দরিদ্রকে বঞ্চিত করিয়া একজনে পাঁচ শত লোকের আহার্য সংগ্রহ করিবে কেন? যদি করিল, তবে সে আহার খাইয়া যাহা বাচিয়া পড়ে, তাহা দরিদ্রকে দিবে না কেন? যদি না দেয়, তবে দরিদ্র অবশ্য তাহার নিকট হইতে চুরি করিবে; কেননা, অনাহারে মরিয়া যাইবার জন্য এ পৃথিবীতে কেই আসে নাই।সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত 'লালসালু' উপন্যাসের এক প্রতিবাদী চরিত্র জমিলা ও উদ্দীপকের 'বিড়াল' চরিত্রের মধ্যে সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- কলমা জানো মিঞা- উক্তিটি মজিদ কাকে উদ্দেশ্য করে করেছে?
- বটতলী গ্রামের অধিকাংশ মানুষ অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ ও কুংসংস্কারাচ্ছন্ন। সেই গ্রামের ছেলে মুনির কলেজে লেখাপড়া করে। গ্রামের অশিক্ষিত মানুষকে শিক্ষিত করতে সে গ্রামে একটি নৈশবিদ্যালয় করতে চায়। এ বিষয়ে গ্রামে সভা বসলে, গ্রামের মাতব্বর এ প্রস্তাবে খুশি হয়ে মুনিরকে সহযোগিতা করতে আশ্বাস দেন।উদ্দীপকের মুনির চরিত্র 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা করো।
- হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরর্তীকালে তিনি এই। এলাকায় বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসি মুখে, এগিয়ে আসেন সবার বিপদে আপদে। কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা। সবার অজান্তে অবৈধ ব্যবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি।
- কিছু কিছু মানুষ তাদের চাওয়া-পাওয়ার প্রত্যক্ষ উৎস হিসেবে মাজারকে বেছে নেয়। হরেক রকম মানত করে। তেমনি এক অসহায় বৃদ্ধ সালাম মণ্ডল। তার রোগগ্রস্ত ছেলের জন্য মাজারে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি মানত করে। এতে ছেলের শারীরিক কোনো উন্নতি ঘটে না। ছেলে তার দিনকে দিন খারাপের দিকেই যায়। তার শেষ সম্বল টাকা-পয়সা যা ছিল তাও সে মাজারে ছুড়ে দিয়ে ছেলের জন্য রোগমুক্তির প্রার্থনা করে।"উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের মাজারভক্তির একই চিত্র ফুটে উঠেছে"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'মাসি-পিসি' গল্পে অসহায় নিঃস্ব দুই বিধবা নারীর অস্তিত্ব রক্ষার পাশাপাশি বিরূপ পরিবেশে থেকে আহ্লাদিকে রক্ষার জন্য যে প্রখর বুদ্ধিমত্তা ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে তা গল্পটিকে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। অত্যাচারী স্বামী, লালসা-উন্মত্ত জোতদার, দারোগা ও বিভিন্ন প্রতিকূল অবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করে আহ্লাদিকে নিরাপদ। রাখার ক্ষেত্রে দুই বিধবা নারীর দায়িত্বশীল ও মানবিক জীবন-যুদ্ধ সত্যিই প্রশংসনীয়।উদ্দীপকের 'অস্তিত্ব রক্ষা' শব্দটি 'লালসালু' উপন্যাসের 'মজিদ' চরিত্রে কীভাবে দেখানো হয়েছে? বিশ্লেষণ করো।
- তানু বিবির ভাইয়ের নাম কী?
- 'লালসালু' কোন ধরনের উপন্যাস?
- 'তরঙ্গভঙ্গ' সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি-
- 'নাফরমানি করিও না। খোদার ওপর তোয়াক্কল রাখো।' ব্যাখ্যা করো।