দারিদ্র্যের কশাঘাতে জর্জরিত কামাল কমলাপুর রেলস্টেশনে আশি টাকার বিনিময়ে একজন যাত্রীর মালামাল মাথায় নিতে দেখেই অন্য কুলিরা তাকে ধাক্কা দিয়ে, ফেলে দেয়। জীবন ও জীবিকার তাগিদেই সে তার অবস্থান সুসংহত করার চেষ্টা করে। এক সময় সে কুলিদের নেতা হয়। শ্রমিক রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে সে অনেক প্রভাব বিস্তার করে। এর মাধ্যমে সে বিত্তশালী হয়ে ওঠে।
উদ্দীপকের কামালের কার্যক্রম 'লালসালু' উপন্যাসের যে চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- মজিদকে প্রথম দেখে জমিলা কী ভেবেছিলেন?
- 'মরা মানুষ জিন্দা হয় না কেমনে'- উক্তিটি কার?
- ফকির মুন্সীর স্ত্রী মরিয়ম সহজ-সরল মেয়ে। স্বামীর প্রতি তারঅগাধ অটল বিশ্বাস। তার বিবেচনায় ফকির মুন্সী একজনকামেল ও পরহেজগার লোক। অথচ গ্রামের অশিক্ষিতসহজ-সরল মানুষের খোদাভীতিকে কাজে লাগিয়ে ফকিরমুন্সী নানা ফতোয়া জারি করে সাধারণ মানুষকে ঠকায় । 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সঙ্গে উদ্দীপকেরমরিয়মের সাদৃশ্য রয়েছে?
- 'মাটিরে কষ্ট দেওন গুণাহ্'- এ উক্তিটির প্রেক্ষাপট লেখো।
- ‘কাশবনের কন্যা’ কোন জাতীয় রচনা?
- গ্রামের স্কুলশিক্ষক বাবা তমিজুদ্দীন তাঁর ছেলে রাসেলকে শহরের বড়ো প্রতিষ্ঠানে উচ্চ শিক্ষার জন্য পাঠায়। রাসেল ডাক্তার হয়ে বাবার মুখ উজ্জ্বল করে ফিরে আসে গ্রামে। তার ইচ্ছা গ্রামের অসহায়, দুস্থ রোগীদের আধুনিক চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে তুলবে এবং তাবিজ কবজ, ঝাড় ফুঁক ও পানিপড়া প্রভৃতি অন্ধবিশ্বাস থেকে গ্রামবাসীেেদর মুক্ত করবে। কিন্তু ব্যাপারটা গ্রামের মোড়ল করিম খান মেনে নিতে পারে না। রাসেল যাতে গ্রামের মানুষদের সচেতন করতে না পারে সেই চেষ্টা করতে থাকে সে, কিন্তু রাসেল কোন দিকে কর্ণপাত না করে এগিয়ে যায় নিজের লক্ষ্যের দিকে।উদ্দীপকের রাসেল চরিত্রটির সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের তুলনীয় চরিত্র কোনটি? আলোচনা করো।
- একসময় পরম অনাদর ও অব্যবস্থা থেকে ওঠা আলেয়া গ্রামবাসীর কাছে হঠাৎ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এলাকায় পীর হিসেবে পরিচিত ওদুদের দ্বিতীয় স্ত্রীর মর্যাদা পাওয়ায় তার এ কদর। দূরদূরান্তে থেকে লোকজন প্রতিদিন তার কাছে নানা তদবির নিয়ে আসে.। আলেয়া তাদের আবদার হাসিমুখে মেনে নেয়।স্বামীর প্রভাব-প্রতিপত্তিই মূলত আলেয়ার গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠার কারণ'- উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে তোমার মতামত দাও।
- আটোয়ারী থানার 'বার আউলিয়া' নামক স্থানে বারোটি মাজার আছে। সেখানে বৈশাখ মাসের শেষ বৃহস্পতিবারকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে ব্যবসা বাণিজ্য। নানারকম ব্যবসার মাঝে কিছু অসাধু ব্যক্তি ধর্মকে আশ্রয় করে মানুষ ঠকানোর কাজ করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করে নেয়।উদ্দীপকের 'অসাধু ব্যক্তি' লালসালুর কোন চরিত্রটিকে ইঙ্গিত করে, বর্ণনা করো।
- ওয়াজ করিবার সময় পির সাহেবের প্রায়ই জযবা আসিত। সে জযবাকে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ' বলিত। এই 'ফানাফিল্লাহ'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম', 'পুড়িয়ে গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন।..... তাই জযবার সময় একখণ্ড কালো মখমল দিয়া পীর সাহেবের চোখমুখ ঢাকিয়া দিয়া তাহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল।উদ্দীপকের পীর সাহেব 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধি? আলোচনা করো।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্'র জন্ম কত সালে?
- তপু ভাগ্যান্বেষণে ঘুরতে ঘুরতে এসে হাজির হয় রাজধানী ঢাকায়। মিটফোর্ডে এক ফুটপাতে হোটেলে খেতে গিয়ে দেখতে পায় পাশের নর্দমায় অনেকগুলো ঔষধ পড়ে আছে। হোটেল বয়ের কাছে জানতে পারে এগুলো মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ কোম্পানি ফেলে গেছে। তার মাথায় বিদ্যুৎ খেলে যায়। সে ঐ ঔষধগুলো কুড়িয়ে নতুন প্যাকেটে মুড়ে কম দামে বিক্রি করতে থাকে। সাধারণ মানুষ কম দামে পেয়ে সরল বিশ্বাসে তার দোকান থেকে ঔষধ কিনে প্রতারিত হতে থাকে। আর তপু অল্পদিনে ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বনে যায়।'প্রেক্ষাপট আলাদা হলেও তপু ও মজিদের লক্ষ্য এক'- মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- উদ্দীপকের সংকেত অনুসারে সাদৃশ্যপূর্ণ বিষয়গুলো উল্লেখ করো।
- হিজলতলী গ্রামের মানুষগুলো অত্যন্ত পরিশ্রমী। তাদের গোলাভরা ধান আছে, কণ্ঠভরা গান আছে আর আছে জীবনের জন্য সংগ্রামী চেতনা। এ গ্রামের যুবক-বৃদ্ধ যুবক-বৃদ্ধ সকলে ফসলের মাঠে যেমন সুরের মূর্ছনা তোলে, তেমনি আবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় গাজীপীর কিংবা বদরপীরের সাহায্যও কামনা করে। এ গ্রামের লোকদের অনেকের ঘরেই হয়তো অভাব আছে কিন্তু তাদের দুঃখ-কষ্ট আছে কিনা তা বোঝা দায়। এদের দুঃখের কারণ প্রতারক শ্রেণির মানুষ। এরা সরল ও ধর্মপ্রাণ কিন্তু ধর্ম সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকায় ভণ্ড ধার্মিকেরা এদের ঠকায়।উদ্দীপকের গ্রামবাসীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের মানষের সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়- বর্ণনা করো।
- খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- 'খেলোয়াড় চলে গেছে, খেলবে কার সাথে।'-এখানে ‘খেলোয়াড়' কে?
- 'কী মিঞা তোমার দিলে কি ময়লা আছে?'- 'লালসালু' উপন্যাসে উক্তিটি কার ?
- ওয়াজ করিবার সময় পীর সাহেবের প্রায়ই জযবা আসিত। সে জযবাকে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ্' বলিত। সেই 'ফানাফিল্লাহ্'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম', 'পুড়িয়া গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন তাই জব্বার সময় একখণ্ড কালো মখমলের কাপড় দিয়া পীর সাহেবের চোখে মুখ ঢাকিয়া দিয়া তাহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল।"উদ্দীপকে বর্ণিত পীর সাহেব 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত মজিদেরই প্রতিচ্ছবি।”- বিশ্লেষণ কর।
- আগে এক গ্রাম্য মাতব্বরের শাসন ও শোষণে অতিষ্ঠ ছিল স্বরপুর গ্রামের মানুষ। এখন সেখানে এসে জুটেছে এক ভন্ড চিকিৎসক। অলৌকিক তার চিকিৎসা পদ্ধতি। সে নিজেকে 'জিনের বাদশা' পরিচয় দেয়। বন্ধ্যত্ব, পঙ্গুত্ব, ক্যান্সার প্রভৃতি রোগ নিয়ে লোকেরা তার কাছে আসে। মানুষের অসহায়ত্ব ও সরলতার সুযোগ নিয়ে সে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেয়। মাতব্বরের কাছে নালিশ করেও কোনো প্রতিকার মেলে না। কারণ, চোরে চোরে মাসতুত ভাই।'চোরে চোরে মাসতুত, ভাই' কথাটি 'লালসালু' উপন্যাসের যে, দিকটির ইঙ্গিত করে, তার পরিচয় দাও।
- মহব্বতনগর গ্রামটি মতিগঞ্জ সড়কের কোনদিকে?
- আমেনা বিবিকে কিরূপ শাস্তি দিয়েছিল মজিদ?