চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে লেখিকার প্রত্যাশা কি?
A. শিক্ষার সংস্কার
B. ভূমি সংস্কার
C. কৃষি বিপ্লব
D. দেশি শিল্পের পুনরুদ্ধার
সঠিক উত্তরঃ
D.
দেশি শিল্পের পুনরুদ্ধার
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে লেখিকার প্রত্যাশা ছিল দেশি শিল্পের পুনরুদ্ধার। লেখিকা চাষীদের সমস্যা এবং দেশের শিল্পের পুনরুজ্জীবন নিয়ে চিন্তা করেছেন। অপশন বিশ্লেষণ: A. শিক্ষার সংস্কার: ভুল, এটি মূল লক্ষ্য নয়। B. ভূমি সংস্কার: ভুল, এটি লেখিকার প্রত্যাশা নয়। C. কৃষি বিপ্লব: ভুল, এটি প্রত্যাশার মূল বিষয় নয়। D. দেশি শিল্পের পুনরুদ্ধার: সঠিক, এটি লেখিকার প্রত্যাশা। নোট: 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে লেখিকার প্রাথমিক প্রত্যাশা ছিল দেশের শিল্পকে পুনরুদ্ধার করা।
Related Questions (Any University/Year)
- কবর কবিতায় পরির সঙ্গে যার তুলনা করা হয়েছ সে হলো-
- “উষ্ণ উষ্ণ পাবত তহিঁ সবই সরবী বালী। মোরাঙ্গ পীছ পরিহাণ সরবী গীবত গুঞ্জরী মালী”॥- পদটির পদকর্তা-
- কিণাঙ্ক শব্দটির অর্থ কী?
- ‘লোক-লোকান্তর’ কবিতায় কোন বৃক্ষের কথা উল্লেখ আছে?
- কোন ব্যক্তি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেছেন?
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচনা কোনটি?
- সেই অস্ত্র' কবিতায় 'অমোঘ অস্ত্র' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ইব্রাহীম কার্দির স্ত্রীর নাম কি?
- মুসোলিনি' নামটি কোন প্রবন্ধে ব্যবহৃত হয়েছে?
- তরুলতা যেমন বৃষ্টির সাহায্যপ্রার্থী, মেঘও সেইরূপ তরুর সাহায্য চায়'। উক্তিটি কোন গল্পের/ কবিতার?
- ‘কতো নদী সরোবর বা বাংলা ভাষার জীবনী’ কার লেখা?
- “একতাল হঁউ অচ্ছিলোঁ স্বমোহেঁ√ এবেঁ মই বুঝিল সদগুরু বোহে” পদটির পদকর্তা-
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (১-৫) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর: কোনো এক জন আনাড়ি কারিগরের তোলা ছবি। মা ছিল না, সুতরাং কেহ তাহার চুল টানিয়া বাঁধিয়া খোঁপায় জরি জড়াইয়া, সাহা বা মল্লিক কোম্পানির জবড়জঙ জ্যাকেট পরাইয়া বরপক্ষের চোখ ভুলাইবার জন্য জালিয়াতির চেষ্টা করে নাই। ভারি একখানি সাদাসিধা মুখ, সাদাসিধা দুটি চোখ এবং সাদাসিধা একটি শাড়ি। কিন্তু সমস্তটি লইয়া কী যে মহিমা সে আমি বলিতে পারি না। যেমন তেমন একখানি চৌকিতে বসিয়া, পিছনে একখানা ডোরা দাগ কাটা শতরঞ্জক ঝোলানো, পাশে একটা টিপাইয়ের উপরে ফুলদানিতে ফুলের তোড়া। আর, গালিচার উপরে শাড়ির বাঁকা পাড়াটির নিচে দুখানি খালি পা।ফুলদানিটির অবস্থান কোথায়?
- দান্তের' রচনা কোনটি?
- 'তোমাকে নয়ন ভরে দেখে নিলাম। আসুক জরা, আসুক মৃত্যু, আর ভয় করিনা।; -রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকে এটি কার উক্তি?
- চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে লেখিকা দারিদ্র্য বৃদ্ধির কারণ হিসেবে কোনটি নির্দেষ করেছেন?
- ‘সূর্যদেব যতই ঊর্ধ্ব উঠিতেছেন , তাপাংশ ততই বৃদ্ধি হইতেছে' উক্তিটি কোন গল্পের / কবিতার?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও ??মরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।লক্ষণ সেনের মতো 'অভিভূত' বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
- অনুচ্ছেদটির শূণ্যস্থান পূরণ করঃ
- 'কত ঊর্ণাজাল বুনে কেটেছে' 'একটি ফটোগ্রাফ' কবিতায় 'ঊর্ণাজাল' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত?