মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

বন্ধনে শেয়ারকৃত ইলেক্ট্রন-যুগলকে একটি পরমাণুর নিজের দিকে অধিকতর আকর্ষণ করার ক্ষমতাকে কী বলে?

A. আয়নিকরণ শক্তি
B. ইলেক্ট্রন আসক্তি
C. তড়িৎ ঋণাত্মকতা
D. পোলারায়ন
Poster Download
JUUnit-DSet-4রসায়ন প্রথম পত্রমৌলের পর্যায়বৃত্ত ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধনগলনাঙ্ক-স্ফুটনাঙ্ক ও পরমানুর আকার (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C. তড়িৎ ঋণাত্মকতা
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: বন্ধনে শেয়ারকৃত ইলেক্ট্রন যুগলকে একটি পরমাণু কতটা আকর্ষণ করতে পারে তা জানার জন্য এই প্রশ্ন। অপশন বিশ্লেষণ: A. আয়নিকরণ শক্তি: ভুল, এটি ইলেক্ট্রন সরিয়ে নেওয়ার শক্তি। B. ইলেক্ট্রন আসক্তি: ভুল, এটি ইলেক্ট্রন গ্রহণের পরিপ্রেক্ষিতে মুক্ত শক্তি। C. তড়িৎ ঋণাত্মকতা: সঠিক, কারণ এটি বন্ধনের শেয়ারকৃত ইলেক্ট্রন-যুগল আকর্ষণের মাপক। D. পোলারায়ন: ভুল, এটি আয়নের বিকৃতির একটি প্রক্রিয়া। নোট: তড়িৎ ঋণাত্মকতা বন্ধনের চরিত্র নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Another Explanation (5):

তড়িৎ ঋণাত্মকতা: বিস্তারিত আলোচনা 🧪

বন্ধনে শেয়ারকৃত ইলেক্ট্রন-যুগলকে একটি পরমাণুর নিজের দিকে অধিকতর আকর্ষণ করার ক্ষমতাকে তড়িৎ ঋণাত্মকতা বলে। এটি একটি আপেক্ষিক ধর্ম, যা একটি পরমাণু অন্য পরমাণুর তুলনায় কত সহজে ইলেকট্রন নিজের দিকে টানতে পারে, তা নির্দেশ করে।

তড়িৎ ঋণাত্মকতার মূল ধারণা 🤔

  • সংজ্ঞা: রাসায়নিক বন্ধনে আবদ্ধ থাকা অবস্থায় কোনো পরমাণুর ইলেকট্রন মেঘকে নিজের দিকে আকর্ষণ করার ক্ষমতা।
  • বৈশিষ্ট্য:
    • পর্যায় সারণীতে সাধারণত বাম থেকে ডানে এবং নিচ থেকে উপরে ↑↑↑ এর দিকে বৃদ্ধি পায়।
    • ফ্লোরিন (F) এর তড়িৎ ঋণাত্মকতা সবচেয়ে বেশি (প্রায় 4.0)।
    • ধাতুর চেয়ে অধাতুর তড়িৎ ঋণাত্মকতা বেশি।
  • প্রভাব: বন্ধনের প্রকৃতি (যেমন: সমযোজী, আয়নিক) এবং অণুর ধর্ম (যেমন: পোলারিটি) নির্ধারণ করে।

তড়িৎ ঋণাত্মকতা পরিমাপের পদ্ধতি 📏

  1. পাউলিং স্কেল: সবচেয়ে জনপ্রিয় স্কেল। এখানে ফ্লোরিনের মান 4.0 ধরে অন্যান্য মৌলের মান নির্ণয় করা হয়।
  2. মুল্লিকেন স্কেল: আয়নাইজেশন শক্তি ও ইলেকট্রন আসক্তির গড় মানের উপর ভিত্তি করে তৈরি।
  3. আলরেড-রোচো স্কেল: পরমাণুর আকারের উপর ভিত্তি করে হিসাব করা হয়।

পর্যায় সারণীতে তড়িৎ ঋণাত্মকতার প্রবণতা 📈📉

গ্রুপ প্রবণতা কারণ
বাম থেকে ডানে বৃদ্ধি পায় ↑ পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে নিউক্লিয়াসের চার্জ বৃদ্ধি পায় এবং আকার ছোট হয়ে আসে, ফলে ইলেকট্রন আকর্ষণের ক্ষমতা বাড়ে।
উপর থেকে নিচে হ্রাস পায় ↓ পারমাণবিক আকার বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে নিউক্লিয়াসের আকর্ষণ ক্ষমতা কমে যায়।

তড়িৎ ঋণাত্মকতার প্রভাব 😮

  • রাসায়নিক বন্ধনের প্রকৃতি নির্ধারণ:
    • তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্য বেশি হলে আয়নিক বন্ধন গঠিত হয় (ধাতু ও অধাতুর মধ্যে)। যেমন: সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl)।
    • তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্য কম হলে সমযোজী বন্ধন গঠিত হয় (দুটি অধাতুর মধ্যে)। যেমন: পানি (H₂O)।
    • তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্য মাঝারি হলে পোলার সমযোজী বন্ধন গঠিত হয়। যেমন: হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (HCl)।
  • অণুর পোলারিটি: তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্যের কারণে অণুতে পোল সৃষ্টি হতে পারে। পোলার অণুগুলো দ্রাব্যতা এবং অন্যান্য আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বলের উপর প্রভাব ফেলে।
  • রাসায়নিক বিক্রিয়ার সক্রিয়তা: কোনো মৌল কত সহজে ইলেকট্রন গ্রহণ বা ত্যাগ করতে পারে, তা বিক্রিয়ার সক্রিয়তা নির্ধারণ করে।

উদাহরণ 💡

পানি (H₂O): অক্সিজেনের তড়িৎ ঋণাত্মকতা হাইড্রোজেনের চেয়ে বেশি। ফলে, অক্সিজেন পরমাণু বন্ধনের ইলেকট্রন নিজের দিকে বেশি টানে। এর কারণে অক্সিজেন আংশিক ঋণাত্মক (δ-) এবং হাইড্রোজেন আংশিক ধনাত্মক (δ+) চার্জযুক্ত হয়। এটি পানিকে পোলার করে তোলে।💧

সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl): ক্লোরিনের তড়িৎ ঋণাত্মকতা সোডিয়ামের চেয়ে অনেক বেশি। ক্লোরিন সোডিয়াম থেকে একটি ইলেকট্রন সম্পূর্ণভাবে নিজের দিকে টেনে নেয়। ফলে সোডিয়াম আয়ন (Na+) এবং ক্লোরাইড আয়ন (Cl-) গঠিত হয়। এটি একটি আয়নিক বন্ধন।🧂

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 🤔

তড়িৎ ঋণাত্মকতা রসায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা। এটি বিভিন্ন রাসায়নিক বন্ধন, অণুর গঠন এবং বিক্রিয়া বোঝার জন্য অপরিহার্য। 👍

আরও জানতে বিভিন্ন রসায়ন বিষয়ক ওয়েবসাইট ও বইয়ের সাহায্য নিতে পারো। 📚💻