‘আঠারো বছর’ কবিতায় ‘আঠারো’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে-
A. আট বার
B. সাত বার
C. পাঁচ বার
D. নয় বার
সঠিক উত্তরঃ
D.
নয় বার
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- আঠার বছর বয়স কীসে বাঁচে?
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন পত্রিকার কিশোর সভার সদস্য ছিলেন?
- তরুণ নামের জয়মুকুট শুধু তাহারই-যাহার শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যরে মার্তণ্ডপ্রায়, বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, অটল যাহার সাধনা, মৃত্যু যাহার মুঠিতলে। তরুণ অরুণের মতোই যে তারুণ্য তিমির-বিদায়ী, সে যে আলোর দেবতা। রঙের খেলা খেলিতে খেলিতে তাহার উদয়, রং ছড়াইতে ছড়াইতে তাহার অন্ত। যৌবন-সূর্য যেথায় অস্তমিত, দুঃখের তিমির-কুন্তলা নিশীথিনীর সেই তো লীলাভূমি।উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থ পরিপূর্ণভাবে ফুটে উঠেছে কি না, তা বিশ্লেষণ করো।
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটির স্তবক সংখ্যা হলো :
- কবি কেন যৌবনশক্তির জয়গান করেছেন?
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় তরুণরা স্বাধীনভাবে চলার ইচ্ছা পোষণ করে, কারণ তারা-আত্মপ্রত্যয়ীস্বাধীনচেতাসংশয়হীননিচের কোনটি সঠিক?
- "প্রাণ দেওয়া-নেওয়া ঝুলিটা থাকে না শূন্য'- ব্যাখ্যা করো।
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- নিচের কোন চরণে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতারকবির মতে ইতিবাচক বক্তব্যের প্রকাশ ঘটেছে?
- আঠারো বছর বয়স ভয়ংকর কেন?
- 'এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে।'- ব্যাখ্যা করো।
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'- চরণটি ব্যাখ্যা করো।
- ওরে নবীন ওরে আমার কাঁচাওরে সবুজ ওরে অবুঝআধ-মরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা।রক্ত আলোর মদে মাতাল ভোরেআজকে যে যা বলে বলুক তোরে,সকল তর্ক হেলায় তুচ্ছ করে।পুচ্ছটি তোর উচ্চে তুলে নাচাআয় দূরন্ত আয় রে আমার কাঁচা।"উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় বর্ণিত বিষয়ের আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে।"- মন্তব্যটি ব্যাখ্যা করো।
- বর্ণিল জগৎ সন্ধানে যারা ছুটে মেরু-অভিযানে,পক্ষ বাঁধিয়া উড়িয়া চলেছে যাহারা ঊর্ধ্বপানে।তবু থামে না যৌবন-বেগ, জীবনের উল্লাসেচলেছে চন্দ্র-মঙ্গল-গ্রহে স্বর্গে অসীমাকাশে।যারা জীবনের দাসরা বহিয়া মৃত্যুর দ্বারে দ্বারেকরিতেছে ফিরি, ভীম রণভূমে প্রাণ বাজি রেখে ছারে।আমি মরু-কবি-গাহি সেই বেদে-বেদুইনদের গান,'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'-কবির এ প্রত্যাশার কারণ কী? উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- 'এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য'- ব্যাখ্যা কর।
- মথুরাপুর গ্রামের তরুণ সমাজ একত্র হয়ে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ড পরিচালনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, বিনা মূল্যে দুস্থদের চিকিৎসা সেবা এবং স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। এর ফলে একদিকে যেমন মানুষকে মরতে হচ্ছেনা চিকিৎসা ও রক্তের অভাবে, অন্যদিকে এলাকার বেকার ও অলস জীবনযাপনকারী ছেলেমেয়েদের জীবন বদলে গেছে। সেবার মহান ব্রত নিয়ে গোটা সমাজটাকে পালটে ফেলার চেষ্টা করছে তারা। আর তরুণ প্রজন্মের এমন কার্যক্রমে স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকাবাসীর মধ্যে।উদ্দীপকের তরুণদের কার্যক্রমের মাঝে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।
- তরুণ নামের জয়মুকুট শুধু তাহারই যাহার শক্তি অপরমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তণ্ড প্রায়; বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, বিরাট যাহার ঔদার্য, অফুরন্ত যাহার প্রাণ, অটল যাহার সাধনা, মৃত্যু যাহার মুঠিতলে।উদ্দীপকের সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সাদৃশ্যমূলক আলোচনা করো।
- 'এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা'- ব্যাখ্যা কর।
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় 'আঠারো' শব্দটি কতবার ব্যবহৃত?
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে পাক-হানাদার বাহিনী নির্বিচারে অগণিত বাঙালিকে হত্যা করে। দেশে এমন অরাজকতা দেখে তরুণ যুবক রফিক আর চুপ থাকতে পারে না। অপরিসীম সাহস নিয়ে সে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। জীবনের মায়া ত্যাগ করে দেশ ও দশের কল্যাণে সে নিজেকে উৎসর্গ করে।"আত্মত্যাগ ও মানব কল্যাণ 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে উক্তিটির তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।