শাস্ত্রকারেরা গাহস্থ্য ব্যাপারটিকে কী হিসেবে কল্পনা করেছ??ন?
A. হস্ত
B. পদ
C. মস্তক
D. চক্ষু
সঠিক উত্তরঃ
C.
মস্তক
Explanation:
Type explanation here...
Related Questions (Any University/Year)
- “আমার কবিতা, জানি আমি, গেলেও বিচিত্র পথে হয় নাই সে সর্বত্রগামী।” কোন কবিতার চরণাংশ এটি ?
- "কৃষ্ণ বিবর" -বইটির লেখক কে?
- আলাউদ্দিন হুসেন শাহ বাংলা সাহিত্যে কী কারণে খ্যাতিমা?? ?
- ‘ওরে বিহঙ্গ’ নাটকটি কার রচনা?
- নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান গেয়ে শোনায়। অনুভূতির কান দিয়ে সে গান শুনতে হবে। তাহলে বুঝতে পারা যাবে জীবনের মানে বৃদ্ধি, ধর্মের মানেও তাই। প্রকৃতির যে ধর্ম মানুষের সে ধর্ম; পার্থক্য কেবল তরুলতা ও জীবজন্তুর বৃদ্ধির ওপর তাদের নিজেদের কোন হাত নেই, মানুষের বৃদ্ধির ওপর তার নিজের হাত রয়েছে। আর এখানেই মানুষের মর্যাদা। মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও। মানুষকে আত্মা সৃষ্টি করে নিতে হয়, তা তৈরি পাওয়া যায় না।উদ্দীপকটির সাথে 'জাদুঘরে কেন যাব' প্রবন্ধের বিষয়গত অনৈক্য রয়েছে। আলোচনা কর।
- “কতো ছবি কতো গান" গ্রন্থটির রচয়িতা কে ?
- "সে তো প্রাঁপ্ত নয়, আত্মবিসর্জন। " কার প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?
- 'চমকে উঠে উভয়েই তাকালাম ওর দিকে।' বাক্যটির রচয়িতা
- কেউ ছালটা ছাড়িয়ে নিয়ে সিদ্ধ করছে। পাতাগুলো ছিঁড়ে শিলে পিষছে কেউ। কচি ডালগুলো ভেঙে চিবোয় কত লোক..... দাঁত ভাল থাকে। কবিরাজরা প্রশংসায় পঞ্চমুখ। কাটে না, কিন্তু যত্নও করে না। হঠাৎ একদিন একটা নতুন ধরনের লোক এল। মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইল নিমগাছের দিকে। ছাল তুললে না, পাতা ছিঁড়লে না, ডাল ভাঙলে না, মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইলে শুধু।উদ্দীপকের নিমগাছটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের ক্ষেত্রে কতটা প্রাসঙ্গিক আলোচনা করো।
- নিজেকে জানা হচ্ছে শিক্ষার মৌলিক উদ্দেশ্য যার অর্থপ্রকৃত অর্থে মানুষ হয়ে ওঠা। অথচ আজকের দুনিয়ায়শিক্ষিত হয়ে অনেকেই মানবিক গুণ অর্জন করতে ব্যর্থহচ্ছে, ব্যর্থ হচ্ছে শিক্ষা।উদ্দীপকের 'নিজেকে জানা' 'সাম্যবাদী' কবিতারকোন চরণের সাথে তুলনাযোগ্য?
- '__সভ্যতা বিস্তারে সঙ্গে সঙ্গে দেশি শিল্পসমূহ ক্রমশ বিলুপ্ত হইয়াছে।'- "কীভাবে? বুঝিয়ে দাও।
- ‘পদ্মা নদীর মাঝি' কোন ধরনের উপন্যাস?
- পথে তাজা ফুল ফোটে কেন?
- সৈয়দ মুজতবা আলীর 'বই কেনা' রচনাটি?
- ‘জাদুঘরে কেন যাব’ রচনায় লেখক কুয়েতের জাদুঘরে কী দেখে চমৎকৃত হয়েছেন?
- 'বিষাদ সিন্ধু' গ্রন্থটি কয় পর্বে রচিত হয়েছে?
- 'জাদুঘরে কেন যাব' রচনায় লেখক জাতীয় জাদুঘর কীবহন করে বলে উল্লেখ করেছেন?
- "তরুতলে বসে পান্থ শ্রান্তি করে দূরফল আস্বাদনে পায় আনন্দ প্রচুরবিদায়ের কালে হাতে ডাল ভেঙে লয়,তরু তবু অকাতর, কিছু নাহি কয়।দুর্লভ মানব জন্ম পেয়েছো যখনতরুর আদর্শ কর জীবনে গ্রহণপরার্থে আপন সুখ দিয়ে বিসর্জনতুমিও হওগো ধন্য তরুর মতন।"উদ্দীপকের সঙ্গে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধটি কীভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ?
- ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকটির রচয়িতা কে?
- দীপ্ত সম্প্রতি তার বড়ো ভাইয়ের সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর দর্শন করে আসে। জাদুঘরে গিয়ে সে প্রচুর আনন্দ লাভ করে। জাদুঘরে সংরক্ষিত বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন থেকে জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে অনেক জ্ঞান অর্জন করে। সভ্যতা বিকাশের নানা নিদর্শন ও তথ্যচিত্র দেখে সে চমৎকৃত হয়। এতে সে মানসিক শক্তি অর্জনের প্রেরণা খুঁজে পায়। জাদুঘর দর্শন তার ভেতরে দেশপ্রেম ও জাঁতির প্রতি দায়িত্ববোধ বাড়িয়ে দেয়। এখন সে নিজেকে চিনে ও জানে।"উদ্দীপকটি 'জাদুঘরে কেন যাব' প্রবন্ধের সামগ্রিক বিষয়বস্তুকে ধারণ করে না"-মন্তব্যটি যাচাই করো।