অফিস থেকে ফেরার পথে রাশেদ বাসে দীর্ঘদিন পর দেখতে পেল রাবেয়াকে। মনে পড়ল রাবেয়ার সাথে তার বিয়ে ঠিক হয়েছিল। সমস্ত আয়োজন সম্পন্ন হওয়ার পর হঠাৎ রাশেদের বাবা মোটা অংকের যৌতুক দাবি করে বসে মেয়ের বাবার কাছে। উচ্চশিক্ষিত সুদর্শন পুত্রের জন্য এটা নাকি তার ন্যায্য দাবি। রাবেয়ার বাবার যথেষ্ট সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও তিনি রাজি হলেন না যৌতুক দিতে। ক্ষোভে অপমানে তৎক্ষণাৎ ভেঙে দেন বিয়ে। ক্ষুব্ধ রাবেয়াও সমর্থন করে বাবাকে। বিয়ে ভেঙে গেলেও রাবেয়া থেমে থাকেনি। এক ব্যাংকারকে বিয়ে করে সংসারী হয়েছে। চাকরি করছে একটা কলেজে।
"উদ্দীপকের রাবেয়া 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণী চরিত্রকে সম্পূর্ণভাবে ধারণ করে না"- স্বীকার কর কী? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দেখাও।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'অপরিচিতা' গল্পে অনুপমের বাবা কী করে জীবিকা নির্বাহ করতেন?
- অনুপমের বাবার প্রথম অবকাশ ছিল কোনটি?
- নিচের কোন সাহিত্যিক বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করেননি?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন কবির কাব্যবৈশিষ্ট্যকে ‘চিত্ররূপময়' বলে অ্যাখ্যায়িত করেছেন?
- 'অপরিচিতা' গল্পের প্রতিপাদ্য— পণ প্রথার বিরুদ্ধাচরণদেশসেবাবর্ণভেদনিচের কোনটি সঠিক?
- "ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯" কবিতায় 'কৃষ্ণচূড়া ' কিসের প্রতীক?
- 'খাতক' এর বিপরীর্তাথ শব্দ কোনটি
- 'অপরিচিতা' গল্পে উল্লিখিত 'ফল্গু' নদীর বৈশিষ্ট্য কী?
- বিবাহ ভাঙার পর হতে কল্যাণী কোন ব্রত গ্রহণ করেছে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'হৈমন্তী' গল্পে যৌতুকের বলি হৈমন্তী। মানসিক নির্যাতনের জর্জরিত হয়ে সে পিতা গৌরীশংকর বাবুকে খবর পাঠায় স্বামীগৃহ হতে তাকে পিত্রালয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। গৌরীশংকর বাবু মেয়ের র বাড়িতে এসে মেয়ের কষ্ট বুঝতে পারেন। কিন্তু ধনী বেয়াই- এর বিরুদ্ধে প্রতিকার করতে না পেরে নীরবে চোখের জল ফেলতে ফেলতে বিদায় নেন। আর চরম পরিণতির দিকে এগিয়ে যায় হৈমন্তী।'উদ্দীপকের গৌরীশংকর বাবুর ভূমিকা যদি শম্ভুনাথ বাবুর মতো হতো, তাহলে হয়তো হৈমন্তীকে অকালে চলে যেতে হতো না।'-উক্তিটির পক্ষে যুক্তি দাও।
- সেই শৈশবের সুরবালা তোমার যত কাছেই থাকুক, তাহার চুড়ির শব্দ শুনিতে পাও, তাহার মাথা ঘষার গন্ধ অনুভব করো, কিন্তু মাঝখান বরাবর একখানি করিয়া দেয়াল থাকিবে। আমি বলিলাম থাক-না, সুরবালা আমার কে? উত্তর শুনিলাম; সুরবালা আজ তোমার কেহই নয়; কিন্তু সুরবালা তোমার কী না হইতে পারিত।। সে কথা সত্য। সুরবালা আমার এর কী কী না হইতে পারিত। আমার সবচেয়ে অন্তরঙ্গ, আমার সবচেয়ে নিকটবতী, আমার জীবনের সমস্ত সুখ-দুঃখভাগিনী হইতে পারিত- সে আজ এত দূর এত পর, আজ তাহাকে দেখা নিষেধ, তাহার সঙ্গে কথা কওয়া দোষ, তাহার বিষয়ে চিন্তা করা পাপ।উদ্দীপকের সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- লাবণীর বিয়ে। তার বাবা বলল, 'ছেলে পক্ষ এত ভালো যে, তারা কিছুই চায় না। কিন্তু আমার মন মানে না। এতবড়ো বাড়িতে তোকে খালি হাতে পাঠাই কী করে। তাই ভাবছি- যত ইলেকট্রনিক্স লাগে, সব তোর সঙ্গে পাঠাব।' লাবণী দৃঢ় কণ্ঠে বলল, 'না। আমার বিয়েটা দৃষ্টান্ত হয়ে থাক, বাবা।'উদ্দীপকের বাবা চরিত্রের সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের শম্ভুনাথ সেনের তুলনা করো।
- আলেকজান্দ্রিয়া জাদুঘর মুখ্যত কি চর্চার কেন্দ্র ছিল?
- কোনটি রবীন্দ্রনাথের রচনা?
- Change the narrative style by using direct speeches."Why are you crying? Do you have any problem?" asked the passer-by. "I am crying because I have none to look after me," said the street child. "Are you hungry?" "Yes, I am," said the boy.
- 'আমার ভাগ্যে প্রজাপতির সঙ্গে পঞ্চশরের কোন বিরোধ নাই'- বাক্যটির তাৎপর্য কী?
- 'মামার মুখ লাল হয়ে উঠল'- ব্যাখ্যা করো।
- পুরুষের ভাস্যে নারীর প্রশস্তি ব্যক্ত হয়েছে কোন রচনায়?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ’অপরিচিতা’ গল্পটি কোন পুরুষের জবানিতে লেখা?
- কোন উপন্যাসটির রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর?