'অপরিচিতা' গল্পে আসর জমাতে অদ্বিতীয় কে?
A.
অনুপম
B.
কল্যাণী
C.
হরিশ
D.
বিনুদাদা
সঠিক উত্তরঃ
C.
হরিশ
Explanation:
হরিশ রসিক মানুষ, সে রস দিয়ে বর্ণনা করতে পারে। তাই সবাই তার গল্প শুনতে পছন্দ করে।
Related Questions (Any University/Year)
- "অপরিচিতা" গল্পটি কোন পুরুষের জবানিতে লেখা?
- বলিলেন, 'সে কী কথা। লগ্ন'- কে, কেন বলেছিল? প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বুঝিয়ে দাও।
- ‘জীবনটা না দৈর্ঘ্যের হিসাবে বড়, না গুণের হিসাবে’
- প্রজাপতির দুই পক্ষ। বরপক্ষ এবং কন্যাপক্ষ। বরপক্ষ কন্যাপক্ষের কাছে নগদ পঞ্চাশ হাজার। টাকা ও পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার চেয়ে বসল। নিত্যানন্দ রায় কোনো কিছু বিবেচনা না না করে তাতেই মেয়ের বিয়ে দিতে সম্মত হয়ে গেল। তার মতে, এমন শিক্ষিত। ছেলে আর বনেদি পরিবার কিছুতেই হাতছাড়া করা যায় না। তার ইচ্ছায় যথারীতি আশীর্বাদ পর্ব শেষে শুভ বিবাহের দিন ধার্য হয়ে গেল। নিত্যানন্দ অনেক কষ্ট স্বীকার করে বিয়ের যাবতীয় আয়োজন সম্পন্ন করার পরও নিতান্ত এক তুচ্ছ কারণে বিয়ের আসরেই এই বিয়ে ভেঙে যায়।উদ্দীপকের নিত্যানন্দ রায়ের সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের শুম্ভুনাথের সাদৃশ্য নির্ণয় করো।
- 'ঘরে - বাইরে' গ্ৰন্থের রচয়িতা -
- অনুপমের পিতার পেশা কী ছিল?
- কোনটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত উপন্যাস?
- কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন, কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন না। কোন রচনার অন্তর্গত?
- কল্যাণীর বিয়ের গহনাগুলো কোন আমলের?
- "ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯" কবিতায় 'কৃষ্ণচূড়া ' কিসের প্রতীক?
- কার রুচির উপর অনুপম ষোলোআনা নির্ভর করতে পারে?
- কোনটি বাংলা ধাতু ?
- গৌরী ও সঞ্জয় অনেক দিন ধরে একই অফিসে চাকরি করছে কিন্তু সহকর্মীরা জানে না দুজনার অন্তরে গভীর ক্ষত। গৌরীকে নিজে পছন্দ করে বিয়ে করতে চেয়েছিল সঞ্জয়। বছর পাঁচেক আগে লোক খাওয়ানো নিয়ে বিয়ে ভেঙেছে তাদের। পিতৃহীন সঞ্জয় কাকার আশ্রয়ে মানুষ তাই তার দোষ জেনেও প্রতিবাদ করতে পারেনি। একদিন গৌরীর কাছে নিজের অসহায় অবস্থার কথা তুলে ধরে সঞ্জয়। বলে, তার জন্য সে সারা জীবন অপেক্ষা করবে। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে গৌরী বলে, 'কী দরকার, এই তো বেশ আছি।'"এই তো বেশ আছি!'-গৌরীর এই উক্তিতে 'অপরিচিতা' গল্পের পরিণতি প্রতিফলিত হয়েছে"- উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- মুক্তিযুদ্ধের বিষয় আছে যে কবিতায়-
- 'মন্দ নয় হে। খাঁটি সোনা বটে'- ব্যাখ্যা করো।
- সংস্কৃতির কথা গ্রন্থটির রচয়িতা কে
- কোন উপন্যাসটির রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর?
- এম.এ. পাস রফিক বন্ধুদের সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথাবার্তা বলার সময় বলে নিজের পায়ে না দাঁড়িয়ে বিয়ে নয়। কিন্তু পিতৃহীন রফিক চাচার সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে পারে না। পর সম্পদ লোভী চাচার আদেশে তাকে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয়। নিজের মতামত প্রকাশের মানসিক দৃঢ়তা না থাকার কারণে বিয়ে বাড়ীতে যৌতুকের মালামাল নিয়ে লোভী চাচার প্রশ্নের কারণে বিয়ে ভেঙ্গে যায়। রফিকও চাচার পদাঙ্ক অনুসরণ করে বিয়ে বাড়ী থেকে অসহায়ের মত চলে আসে।উদ্দীপকে বর্ণিত রফিক চরিত্রের সাথে 'অপরিচিতা'- গল্পের অনুপম চরিত্রের সাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।
- ‘চুনিয়া' আমার আর্কেডিয়া কবিতায় ‘চুনিয়া' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'স্ত্রীর পত্র' গল্পের মেজো বউ পুরুষতান্ত্রিক সমাজের বিরুদ্ধে নীরব প্রতিবাদ জানিয়ে সমাজে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। সে সমাজের শৃঙ্খল ও সংসারের জাল ছিন্ন করেছে। মেজো বউয়ের শেষ কথা ছিল'- তোমাদের গালিকে 'আমি আর ভয় করিনে। আমার সম্মুখে আজ নীল সমুদ্র, আমার মাথার উপরে আষাঢ়ের মেঘপুঞ্জ।উদ্দীপকের মেজো বউ 'অপরিচিতা' গল্পের যে দিকটি তুলে ধরেছে তা ব্যাখ্যা করো।