'তেলা মাথায় তেল দেওয়া মনুষ্য জাতির রোগ'- ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- কবি জীবনানন্দ দাশ কবিতায় কীসের জগৎ তৈরি করেন?
- কোন সম্পর্কটি ঠিক?
- আব্দুল মিয়া একজন কুমোর। সাত পুরুষ ধরে তার পরিবারের সবাই এই পেশায় জড়িত। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে মাটির তৈজসপত্রের চাহিদা কমে যাওয়ায় তার আর্থিক অবস্থা আর আগের মতো নেই। তবে সে ভেঙে পড়েনি। পরিবারের সকলের সহযোগিতা ও. কর্মমুখী শিক্ষা গ্রহণ করে অন্য পেশায় নিয়োজিত হয়ে সে অনেকটা আত্মনির্ভরশীল। পাশাপাশি সে সাত পুরুষের পেশাও ছাড়েনি। সময় পেলেই সে মাটির শৌখিন জিনিসপত্র তৈরি করে বিক্রি করে।উদ্দীপকের আব্দুল মিয়ার আত্মনির্ভরশীল হওয়ার কারণ হিসেবে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে যে বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, তা আলোচনা করো।
- শ্রম-কিণাঙ্ক-কঠিন, ধন্য-শ্বাপদ-সঙ্কুল’- এই সমাসবদ্ধ শব্দ দুটি কোন কবিতার অন্তর্গত?
- ’সমদ্রেই যাবো’ কাব্যগ্রন্থটি কার লেখা?
- 'শিরে দিয়ে বাঁকা তাজঢেকে রাখে টাক'- উক্তিটির মর্মার্থ লেখ
- নিচের চরণটি তোমার পাঠ্য কোন কবিতার প্রথমচরণ?
- কোন নাটকটি সেলিম আল দীনের?
- এ শর্ট হিস্ট্রি অব দি সারাসিনস বইয়ের রচয়িতা কে?
- ‘হপ্তপয়কর’ কার রচনা?
- জমিদার দর্পণ' নাটকটির লেখক কে?
- 'যা তার প্রাপ্তি তাই তার দান'- জীবন ও বৃক্ষ' রচনায় কার সম্পর্কে বলা হয়েছে?
- 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতায় সন্ধ্যারবাতাসে কী উড়ে যায়?
- সাগর সাহেবের বাসায় কাজ করে আয়না বিবি। মাস শেষে বেতন পেলেও ঠিকমতো খাবার পায় না সে। ক্ষুধার যন্ত্রণায় মাঝে মাঝে চুরি করে খাবার খায় আয়না। একদিন খাবার চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়লে শাস্তি হিসেবে প্রহার করে তাকে তাড়িয়ে দেয়। আয়না বলে, "পেটে ক্ষুধা থাকলে চুরি না করে উপায় কী?"উদ্দীপকের আয়না বিবি এবং 'বিড়াল' রচনার বিড়াল অভিন্ন চেতনার ধারক।" মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থসমূহের মধ্যে কোনটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর লেখা?
- বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে -
- রুপসী বাংলার কবি-
- কোনটি ‘পদ্মা নদীর মাঝি’র চরিত্র?
- ঈসা-মুসা কোথায় বসে সত্যের পরিচয় পেলেন?
- আব্দুল করিম আমলাগাছী গ্রামের এক দরিদ্র কৃষক। দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করে সে মাঠে ফসল ফলায়। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ফসল ফলালেও সংসার ঠিকমতো চালাতে পারে না সে। পরিবারের সকলের চাহিদা মেটানো তার পক্ষে সম্ভব হয় না। এত পরিশ্রম করেও নুন আনতে পানতা ফুরানোর মতো অবস্থা তার।'নূন আনতে পান্তা ফুরায়'- 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের আলোকে উক্তিটি বিচার করো।