ম্যালেরিয়া জীবাণুর ডিপ্লয়েড দশাগুলো হলো-
- জাইগোট
- উওকিনেট
- উওসিস্ট
নিচের কোনটি সঠিক?
সঠিক উত্তরঃ
D.
i, ii ও iii
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
ম্যালেরিয়া জীবাণুর ডিপ্লয়েড দশা: একটি বিশ্লেষণ 🔬
ম্যালেরিয়া একটি মারাত্মক পরজীবী রোগ। এর জীবনচক্রে বিভিন্ন হ্যাপ্লয়েড ও ডিপ্লয়েড দশা দেখা যায়। নিচে ডিপ্লয়েড দশাগুলো আলোচনা করা হলো:
ডিপ্লয়েড দশাগুলোর তালিকা 📝
- জাইগোট (Zygote): এটি ম্যালেরিয়া পরজীবীর প্রথম ডিপ্লয়েড দশা। স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার দেহে গ্যামেটোসাইট (পুরুষ ও স্ত্রী) মিলিত হওয়ার মাধ্যমে জাইগোট গঠিত হয়। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জননকোষ। 💑
- উওকিনেট (Ookinete): জাইগোট ধীরে ধীরে লম্বা ও সরু হয়ে মশার midgut-এর প্রাচীর ভেদ করার ক্ষমতা অর্জন করে। এই অবস্থাকে উওকিনেট বলে। এটি ম্যালেরিয়া পরজীবীর একটি সচল দশা। 🐛
- উওসিস্ট (Oocyst): উওকিনেট মশার midgut-এর প্রাচীরের বাইরের দিকে একটি সিস্টের মতো গঠন তৈরি করে, যা উওসিস্ট নামে পরিচিত। এর ভিতরে স্পোরোজয়েট (sporozoites) তৈরি হয়। 🥚
ডিপ্লয়েড দশাগুলোর তুলনামূলক আলোচনা 📊
| বৈশিষ্ট্য | জাইগোট | উওকিনেট | উওসিস্ট |
|---|---|---|---|
| গঠন | ডিপ্লয়েড কোষ, গোলাকার ⚪ | লম্বা ও সরু, সচল 🐛 | সিস্টের মতো গঠন 🥚 |
| অবস্থান | মশার দেহে (midgut-এ) 🦟 | মশার midgut প্রাচীর ভেদ করে ➡️ | মশার midgut প্রাচীরের বাইরে 📍 |
| কাজ | পরবর্তী দশার শুরু 👶 | প্রাচীর ভেদ করে উওসিস্ট তৈরি করা 💪 | স্পোরোজয়েট তৈরি ও সংরক্ষণ করা 📦 |
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ 💡
- ডিপ্লয়েড দশাগুলো ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- এগুলো মশার দেহে সংঘটিত হয়।
- এই দশাগুলোতেই মূলত স্পোরোজয়েট তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়, যা পরবর্তীতে মানবদেহে রোগ সৃষ্টি করে।
সুতরাং, প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে i, ii ও iii তিনটিই ম্যালেরিয়া জীবাণুর ডিপ্লয়েড দশা। ✅
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি ম্যালেরিয়া জীবাণুর ডিপ্লয়েড দশা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছে। 😊
আরও জানতে চোখ রাখু???! 👀
```