'গ্রামের লোকেরা যেন রহিমারই অন্য সংস্করণ।'- বুঝিয়ে লেখো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- মহিম আলির সংসারের সকল দায়িত্ব তার স্ত্রী হনুফার। যৌথ পরিবারের গ্রামীণ সংসারের রান্নাবান্না থেকে শুরু করে ধান শুকানো, মাড়ানো, গৃহপালিত হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগলের তদারকি সবই শক্ত হাতে সামলান। এমনকি আত্মীয়স্বজনের সাথে যোগাযোগ, তাদের মান রক্ষা সবই হনুফার গুরুদায়িত্ব। এতে তার আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি বা ক্লান্তি নেই। কিন্তু 'হনুফা'কে মাঝে মাঝে অসহায়ত্ব ও একাকিত্ব গ্রাস করে। মহিম আলি হনুফার একাকিত্ব অনুভব করে। কারণ তারা নিঃসন্তান।'উদ্দীপকের হনুফা 'লালসালু' উপন্যাসের রহিমার মতোই ঘরের খুঁটি।'- ব্যাখ্যা করো।
- বাড়িতে দুই বউ থাকার পরও বজলু চৌকিদার গত মাসে প্রথম স্ত্রীর অর্ধেক বয়সী আরেকটি মেয়েকে বিয়ে করে ঘরে এনেছে। এ অল্প বয়স্কা বউকে বজলু কারো সামনে আসতে দেয় না। এর অন্যথা হলে বউকে কড়া শাসন করে। একদিন পাশের বাড়ির ছেলের সাথে কথা বলার অপরাধে ছোট বউকে শীতের রাতে ঘরের বাইরে বেঁধে রাখে। এ ঘটনায় প্রথম বউ খুব কষ্ট পায়। সারা রাত সে ঘুমায় না, আবার কম বয়সী মেয়েটাকে ঘরে ডেকে নেবে এমন সাহসও পায় না।উদ্দীপকের বজলু চৌকিদারের মানসিকতা 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? তোমার মতামত আলোচনা করো।
- সুমি একজন স্বাধীনতাপ্রিয় নারী। অন্যের অধীনতা তার একেবারেই পছন্দ না। তার চালচলন ও সমাজপতিদের মনে আঘাত হানে। কিন্তু বিষয়টি মোটেও তোয়াক্কো করে না সুমি।উদ্দীপকে উপস্থাপিত যে বিষয়টি উক্ত চরিত্রে উপস্থাপিত হয়েছে- স্বাধীনচেতাবিদ্রোহধর্মভীরাতানিচের কোনটি সঠিক?
- গফুর মিয়ার সংসার টিকিয়ে রেখেছে তার স্ত্রী মরিয়ম। বিশাল সংসারের সকল দায়িত্ব মরিয়মের গরুবাছুরের তত্ত্বতালাশ, ধান মাড়াই থেকে সিদ্ধ করা, মেহমান মুসাফির সবকিছুই একহাতে সামলান তিনি। অবশ্য এতে তার ক্লান্তি নেই। শুধু মাঝে মাঝে নিজেকে বড় একলা মনে হয়। গফুর মরিফমের মনের অবস্থা বোঝে। কারণ সে জানে, তাদের কোনো সন্তান নেই।"মরিয়ম 'লালসালু' উপন্যাসের রহিমার মতই গফুরের ঘরের খুঁটি"- ব্যাখ্যা করো।
- "সোহবতে সোয়ালে তুরা সোয়ালে কুনাদ”- এই ফারসি বয়েতটির বঙ্গানুবাদ -
- রহিমা মজিদের দ্বিতীয় বিয়েতে প্রতিবাদ করে নাকেন?স্বামীভক্তিধর্মনিষ্ঠাসমাজের আনুগত্যনিচের কোনটি সঠিক?
- উত্তরাঞ্চলকে অনেকেই বলেন, 'বাহেরমুল্লুক'। সেই 'বাহেরমুল্লুকের' অনেক স্থানই ফি-বছর তিস্তা-ব্রহ্মপুত্রের ভয়াল ভাঙনের কবলে পড়ে। এই ভাঙন কবলিত গৃহহীন মনসুর মিয়া সপরিবারে চলে যান সুদূর দক্ষিণের দ্বীপাঞ্চলে। সেখানে ভেষজ চিকিৎসকের পেশায় তাঁর অল্পদিনেই সুনাম হয়। জটিল রোগীর আগমন ঘটলে সরাসরি হাসপাতালে গিয়ে উন্নত চিকিৎসা নেয়ার পরামর্শ দেন। উপার্জনের পয়সায় দ্বিপাঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়ানোর জন্য স্কুল প্রতিষ্ঠার কথাও ভাবেন।"উদ্দীপকের মনসুর মিয়ার উদ্বাস্তু জীবনের সাথে উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের বৈসাদৃশ্যই অধিক"- মতামতসহ ব্যাখ্যা কর।
- মকবুল তিন বিয়ে করেছে। তিন বউই বেঁচে আছে ওর। সবার ছোটো টুনি। গায়ের রং কালো। ছিপছিপে দেহ। আয়ত চোখ। বয়স তার তেরো-চৌদ্দের মাঝামাঝি। সংসার কাকে বলে সে বুঝে না। সমবয়সি কারও সঙ্গে দেখা হলে সবকিছু ভুলে গিয়ে মনের সুখে গল্প জুড়ে দেয়। আর হাসে। হাসাতে হাসাতে মেঝেতে গড়াগড়ি দেয় টুনি।উদ্দীপকের টুনির সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা চরিত্রটির সাদৃশ্য কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
- খুলনা জেলার চুকনগরে রুথিত পির বাবার নাম আঃ লতিফ। চুকনগর হাইস্কুল রোডের একটি ঘরে তার আস্তানা। প্রতিদিন শত শত ভক্ত ও রোগী পানি, তেল, কলার মোচা পড়াসহ নানা তদবির নিতে আসে পির বাবার সান্নিধ্যে। তার আস্তানায় গিয়ে দেখা যায় টেবিলের উপর পানি, তেল ও দুধের বোতল, কলার মোচা, মাটি মাদুনিসহ নানা তদবিরের সামগ্রী। আর বাইরে অসংখ্যা মহিলাদের লাইন। সবার হাতে পানি ও তেলের বোতল। একেক জনকে একেকভাবে চিকিৎসা করছেন তিনি। তার আস্তানায় ৪টি সাইনবোর্ড আছে। যার একটিতে লেখা শিক্ষাগত যোগ্যতা, একটিতে রোগের চিকিৎসা ফি। সাপে কাটা ফি ৫০০ টাকা, কুকুরে কামড়ানো ফি ২৫০ টাকা, বিড়ালে কামড়ানো ফি ১৫০ টাকা, অর্শরোগী ২০০ টাকা, জিনে ধরা ফি ৩০০ টাকা, প্রয়োজনে বারণ ফি ১০০ টাকা, বাড়ি বন্ধ করা ফি ৩০০ টাকা। বহু রোগী তাদের রোগ নিরাময়ের জন্য হুজুরের দরবারে আসে। আশপাশের অনেকেই যুজুরের পানি পড়াতে সুস্থ হয়ে গেছে এই গুজব শুনে এসেছে তারা।উদ্দীপকের চুকনগরের সমাজবাস্তবতার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগরের সমাজবাস্তবতার সাদৃশ্য দেখাও।
- ‘কাশবনের কন্যা’ কোন জাতীয় রচনা?
- গারো পাহাড় মধুপুরগড় থেকে কত দিনের পথ?
- ‘তানি বুঝি দুলার বাপ।’- 'লালসালু' উপন্যাসে জমিলার এই উক্তি কার প্রসঙ্গে।
- বাল্যবিবাহবিরোধী আন্দোলন গড়ে তুলতে গিয়ে শিক্ষিতযুবক রিয়াজ গ্রাম্য মাতব্বরের কাছে লাঞ্ছনার শিকারহলো। কেউ তার সাহায্যে এগিয়ে এলো না।রিয়াজ ও উপন্যাসের সেই চরিত্রের লাঞ্ছনার কারণকী?
- মজিদের মহব্বত নগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?
- মজিদ কীভাবে দিনের পর দিন তার আত্মবিশ্বাস ফিরে পায়?
- কার উক্তিটি দুই দিকে কাটে?
- হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরর্তীকালে তিনি এই। এলাকায় বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসি মুখে, এগিয়ে আসেন সবার বিপদে আপদে। কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা। সবার অজান্তে অবৈধ ব্যবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি।উদ্দীপকের হোসেন মিয়া ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের মধ্যে সাদৃশ্য তুলে ধর।
- খালেক ব্যাপারীর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হলো, সে-দুর্বলচিত্তধর্মভীরুব্যক্তিত্বহীননিচের কোনটি সঠিক?
- কে জমিলাকে প্রথম মজিদকে দেখায়?
- কে পক্ষাঘাতে আক্রান্ত?