গারো পাহাড় মধুপুরগড় থেকে কত দিনের পথ?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ভণ্ড-প্রতারক হলেও মজিদ- আত্মপ্রতিষ্ঠায় আত্মপ্রত্যয়ীশিকড়সন্ধানী অস্তিত্ববাদী জীবন-সিদ্ধান্তে সাহসী নিচের কোনটি সঠিক?
- মজিদ ক্রোধে কেমন করে?
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্-র সহধর্মিণী কে ছিলেন?
- দেশটা কেমন মরার দেশ'- এখানে কোন অঞ্চলের কথা বলা হয়েছে, কেন?
- ফতেহপুর গ্রামের আলাল কবিরাজ। দশ গ্রামে তার খ্যাতি। সাপে কাটা, পেটে ব্যথ্যা, পা ভাঙ্গা, সন্তান লাভসহ সকল সমস্যার সমাধান কবিরাজ মশাইয়ের ফুঁ দেয়া এক গ্লাস পানিতে। গ্রামের সরল বিশ্বাসী মানুষজন তার টার্গেট গ্রুপ। দশ বছরের ব্যবধানে ঝুপড়ি ঘর থেকে বিল্ডিং করেছেন। আর কি কি করা যায় ভেবে মাঝে মাঝেই তার চোখ চকচকে হয়ে ওঠে।উদ্দীপকে বর্ণিত ফতেহপুর গ্রাম যেন 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামেরই প্রতিনিধি- ব্যাখ্যা কর।
- ‘লালসালু' উপন্যাসে মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী ?
- রসুলপুর গ্রামের ছেলে আরিফ মিয়া এমএ পাশ করে গ্রামের একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। সে গ্রামের মানুষদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করে। কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে গ্রামের জোতদার আফাজ আলি। সে গ্রামবাসীদের ভুল ধারণা দেয় যে, আরিফ মিয়া ধর্মীয় শিক্ষার পরিবর্তে প্রচলিত শিক্ষা দিয়ে তাদেরকে পথভ্রষ্ট করতে চাচ্ছে। ফলস্বরূপ গ্রামবাসী আরিফ মিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে গ্রামছাড়া করে।উদ্দীপকের আরিফ মিয়ার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়? আলোচনা করো।
- দারিদ্র্যের কশাঘাতে জর্জরিত কামাল কমলাপুর রেলস্টেশনে আশি টাকার বিনিময়ে একজন যাত্রীর মালামাল মাথায় নিতে দেখেই অন্য কুলিরা তাকে ধাক্কা দিয়ে, ফেলে দেয়। জীবন ও জীবিকার তাগিদেই সে তার অবস্থান সুসংহত করার চেষ্টা করে। এক সময় সে কুলিদের নেতা হয়। শ্রমিক রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে সে অনেক প্রভাব বিস্তার করে। এর মাধ্যমে সে বিত্তশালী হয়ে ওঠে।উদ্দীপকের কামালের কার্যক্রম 'লালসালু' উপন্যাসের যে চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করো।
- মেহের আলী রসুলপুর গ্রামের একজন বিত্তবান লোক। প্রতিপত্তির মালিক হওয়ার জন্য গ্রামের সকলে তাকে বেশ সম্মান করে। অপরদিকে, মেহের আলী সম্মানের চোখে দেখে তারই গ্রামে বসবাসরত সোলায়মান আলীকে। তার ওপর মেহের আলীর অগাধ বিশ্বাস। তাই সোলায়মান আলী মৌখিকভাবে যে নির্দেশনাই দেন মেহের আলী তা বাস্তবায়ন করতে কুণ্ঠাবোধ করে না। একদিন সোলায়মান আলী মেহের আলীকে বললেন, 'মেহের, তোমার স্ত্রী সংসারে অশুভ শক্তির ছায়ারূপে বিরাজ করছে। তাকে তুমি অবিলম্বে তালাক দাও।' এমন নির্দেশনা পেয়ে কালবিলম্ব না করে স্ত্রীকে তালাক দেয় মেহের আলী।"উদ্দীপকে মেহের আলীর স্ত্রীর জীবন এবং 'লালসালু' উপন্যাসের আমেনা বিবির জীবনের পরিণতি একই"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ‘কাশবনের কন্যা’ কোন জাতীয় রচনা?
- খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- দোগাছা গ্রামের সুশিক্ষিত ও স্বশিক্ষিত রিপন ঢাকা থেকে উচ্চ শিক্ষিত হয়ে গ্রামে ফিরেছে। সে নিরক্ষর মানুষকে সাক্ষর করতে গ্রামে একটি নৈশ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়। এ কল্যাণমূলক কাজে সমাজপতি জব্বার বাধা দেয়। গ্রামের মৌলবি, সমাজপতি ও মূর্খ গ্রামবাসীর কাছ রিপণের মহৎ প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।"উদ্দীপকের মৌলবি; সমাজপতি ও মূর্খ গ্রামবাসী 'লালসালু' উপন্যাসেও বিদ্যমান।"- মূল্যায়ন করো।
- মধ্যযুগে বাংলার মুসলিম নারী সমাজ অনেকটাই পিছিয়ে ছিল। শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ তো তারা পেতই না বরং চার দেয়ালে বন্দি জীবন কাটাতে হতো। ধর্মের নামে অধর্মের বেসাতি চালানো হতো তাদের ওপর। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে সর্বদাই নারীরা ছিল অবহেলার পাত্র। নিতান্তই হুকুম পালন ও ঘরকন্ন্যা ছাড়া তাদের আর কোন অধিকার ছিল না।উদ্দীপকের বর্ণিত বিষয়গুলো ছাড়া 'লালসালু' উপন্যাসে নারী অবমাননার আর কী কী চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে?
- 'খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে।' ব্যাখ্যা করো।
- আফজাল মিয়ার স্ত্রী হালিমা পরপর তিনটি কন্যা সন্তান জন্মদেয়। পূত্র সন্তান লাভের আশায় খ্যাতিমান পির জুনাইদ আলীকুতুবশাহীর দরবারে গমন করে। পির কুতুবশাহী এক বোতল'পড়া পানি' দিয়ে বলেন যে, এই 'পড়া পানি' খেয়ে তার যদিপুত্র সন্তান না হয় তবে বুঝতে হবে সে পাপী। হালিমা যথারীতিচতুর্থ কন্যার জন্ম দেয় এবং স্বামীর রোষানলে পড়ে।উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসে প্রকাশিত ভাব— অন্ধবিশ্বাস ধর্মীয় গোঁড়ামিপির প্রথানিচের কোনটি সঠিক?
- কোনটি উপন্যাস নয়?
- 'ওটা ছিল নিশানা আর সুখের।' কথাটি বুঝিয়ে লেখ।
- ওনারে কন, খোদায় জানি আমার মওত দেয়।'- কে কার উদ্দেশ্যে উক্তিটি করে?
- 'লালসালু' উপন্যাসে শিকারির একাগ্রতা কার চোখে?
- রহিম উদ্দীন মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে অনেক টাকা উপার্জন করেন। এলাকায় তাঁর দানে রাস্তা, সেতু, মসজিদ, মন্দির নির্মাণ হয়েছে। কিন্তু তাঁর মনে সুখ নেই। তিনি নিঃসন্তান।অনেকেই তাঁকে দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য পরামর্শ দেন। কিন্তু তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেননি।উদ্দীপকের রহিম উদ্দীনের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারী চরিত্রের কতটুকু মিল ও অমিল আছে বলে তুমি মনে করো? আলোচনা করো।
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের 'বীতংস' গল্পে আসামের চা-বাগানে যেখানে দলে দলে লোক কালাজ্বরে মরে, মজুর খাটতেও লোক সেখানে যেতে চায় না; সেখানে কুলি জোগান সমস্যা নিরসনে সাঁওতাল পরগনার অশিক্ষিত, অসহায়, কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষকে সুন্দরলাল তার উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য শিংবোঙার দৈববাণীকে কাজে লাগায়।উদ্দীপকের দৈববাণীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কীসের সাদৃশ্য রয়েছে? আলোচনা করো।
- ‘লালসালু’ উপন্যাসের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?
- 'লালসালু' উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদ যে নামে প্রকাশিত হয় তা হলো-
- সাত ছেলের বাপের নাম কী?
- আব্দুল জব্বার মৃধা নিঃসন্তান বলে তার মনে অনেক কষ্ট। সামাজিক পারিবারিকভাবে অনেক হেয় হতে হয় তাকে। একদিন সে তার স্ত্রী মেরিনাকে তার এমন অবস্থার কথা খুলে বললে নিজেই উদ্যোগী হয়ে স্বামীর বিয়ে দেয় মেরিনা, গরিব ঘরের অল্প বয়সি মেয়ে সুচরিতার সাথে বিয়ে দিয়ে ঘরে নিয়ে আসে। কিন্তু সুচরিতা বাবার বয়সি জব্বার মৃধাকে স্বামী বলে মেনেই নিতে চায় না। তাই তার মুখে থুথু দেয় ও ভেংচি কাটে ট। জব্বার মৃধা এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সুচরিতাকে অনেক কষ্টদায়ক শাস্তি দেয়। সন্তানতুল্য মেয়েটিকে কষ্ট পেতে দেখে মেরিনাও ভীষণ কষ্ট পায়। মনের অজান্তেই চোখ মোছে শাড়ির আঁচলে।"উদ্দীপকের জব্বার মৃধা 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের আংশিক ধারণ করেছে।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- শনির হাওরের পারে গোটা কয়েক বাড়ি নিয়ে গিয়াসের গ্রাম। ঘর হতে দু'পা ফেলতেই হাওরের শুরু, শেষটা চোখে আন্দাজ করা যায় না। ধান আর মাছ নিয়ে তাদের জীবন। বানের পানিতে ধান তলিয়ে গেলে তারা চোখে অন্ধকার দেখে। অসুখ-বিসুখে ওপাড়ার পিরের পানি আর তেল পড়াই তাদের ভরসা। গত বছর গিয়াস তার নিঃসন্তান স্ত্রীকে নিয়ে শহরে ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিল। বেপর্দাভাবে স্ত্রীকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ায় পিরের বাড়িতে ডাক পড়ল গিয়াসের। তখন আতরের সুবাস আর আগরের ধোঁয়ায় পির সাহেবের মুখ দেখাই যাচ্ছিল না। যেনো অদৃশ্য কণ্ঠের ঘোষণা হলো গিয়াসকে গ্রাম ছাড়তে হবে। পিরের ঘোষণাপত্র তার সাগরেদরা তা বাস্তবায়ন করল।উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে?
- মাহাবুব সাহেব মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে অঢেল টাকা উপার্জন করেছেন। এলাকার রাস্তা, সেতু, মসজিদ, মন্দির তৈরিতে অর অকাতর দান রয়েছে। নিঃসন্তান মাহাবুবের পিতৃ-হৃদয়ের আস্বাদ পূরণে অনেকেই অকে দ্বিতীয় বিয়ের পরামর্শ দেন। স্ত্রী শামিমাও তাকে এ প্রস্তাব দেন। মাহাবুব তার এক বোনের নবজাতককে নিজ সন্তান হিসেবে প্রতিপালন করে স্ত্রী শামিমার মাতৃ-হৃদয়ের অতৃপ্ত বাসনা পূরণ করেন।"উদ্দীপকের প্রতিফলিত ইতিবাচক জীবন চেতনা 'লালসালু' উপন্যাসে অনুপস্থিত।"- উক্তিটি পরীক্ষা করো।
- মজিদের মুখে কে থু থু দিয়েছিল? কেন?
- 'লালসালু' উপন্যাসে হাঁপানি রোগী কে?
- মজিদ কিভাবে মহব্বতনগর গ্রামে শিকড় গেড়েছিল?
- মজিদের প্রতি রহিমার অচঞ্চল আস্থা যার সঙ্গে তুল্য হয়েছে-
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাসে হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল-চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরবর্তীকালে তিনি এই এলাকার বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসিমুখে, এগিয়ে আসেন সবার বিপদে-আপদে। কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা, সবার অজান্তে অবৈধ ব্যাবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি।"স্বার্থরক্ষায় উদ্দীপকের হোসেন মিয়া এবং 'লালসালু' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র একই পথের পথিক"-তোমার মতামতসহ আলোচনা করো।
- 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসের কাদের পীর হিসেবে পরিচিত। এক পূর্ণিমা রাতে বাঁশঝাড়ে একজন মহিলাকে হত্যা করলে স্কুল শিক্ষক 'আরেফ আলি' তা দেখতে পায়। তখন কাদেরের চরিত্র সম্পর্কে 'আরেফ আলির' বুঝতে বাকি থাকে না যে সে ভন্ডপির। তখন 'আরেফ আলি' সমস্ত ঘটনা পুলিশকে বললেও পুলিশ তা বিশ্বাস করতে পারে না।উদ্দীপকের কাদেরের চরিত্রের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
- 'লালসালু' উপন্যাসে মতিগঞ্জের সড়ক থেকে মহব্বতনগরগ্রাম কোন দিকে?
- অবস্থাপন্ন কৃষক জমির উদ্দিন তার ছেলেকে ডাক্তার বানানোর ইচ্ছায় শহরে পড়তে পাঠায়। শেষ পর্যন্ত তার ছেলে ফাহাদ ডাক্তারি পাস করে বাবার আশা পূরণ করে। ফাহাদের ইচ্ছা গ্রামের অসহায়, দুস্থ রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে সুস্থ করে তোলা এবং তাবিজ কবজ, ঝাড় ফুঁক প্রভৃতি অন্ধবিশ্বাস, কুসংস্কার হতে গ্রামবাসীকে মুক্ত করা। গ্রামের মসজিদের ইমাম ফতেহ আলী কিন্তু ব্যাপারটা ঠিক পছন্দ করেন না। ফাহাদের বাবাও চান না ছেলে গ্রামে বসবাস করুক। তবে ডাঃ ফাহাদ যে কোনো মূল্যে তার ইচ্ছা পূরণে দৃঢ় প্রত্যয়ী।"উদ্দীপকের ফতেহ আলী 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রকে আংশিক ধারণ করতে পেরেছে।"- তোমার মত প্রকাশ কর।
- 'দুনিয়াটা বড় বিচিত্র জায়গা'- কথাটি কখন এবং কোন প্রসঙ্গে করা হয়েছে?
- জাহিদ শহর থেকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে গ্রামে ফিরেআসে এবং গ্রামের মানুষের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা দেখেব্যাথিত হয়। সে গ্রামে শিক্ষার আলো জ্বালাতে একটিনৈশ বিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত ???েয়।অনুচ্ছেদের জাহিদের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসেরকোন চরিত্র সাদৃশ্যপূর্ণ?
- লালসালু' উপন্যাসের জমিলা হয়ে উঠেছে-নারীধর্মের প্রতিনিধিহৃদয়ধর্মের প্রতিনিধিমানবধর্মের প্রতিনিধিনিচের কোনটি সঠিক?
- 'লালসালু' উপন্যাসের ফরাসি অনুবাদক কে?
- ‘তার আনুগত্য ধ্রুবতারার মতো অনড়, তার বিশ্বাস পবর্তের মতো অটল' এখানে কার কথা বলা হয়েছে?