রেডিওতে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ শুনে রূপনগর গ্রামের ছেলে রাসেল ও ফরিদ যুদ্ধে যাবার প্রস্তুতি নেয়। তারা বুঝতে পারে পাকিস্তানিদের দমন করতে না পারলে বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষা করা সম্ভব হবে না। মাতৃভূমিকে স্বৈরাচারী শাসকদের কবল থেকে রক্ষার জন্য রাতের আঁধারে তারা পাড়ি জমায় ভারতে। প্রশিক্ষণ নেয়। প্রাণপণে লড়াই করতে করতে দুজনেই মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ে শত্রুদের গুলির আঘাতে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত চরিত্রদ্বয় 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার সাথে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ?
উদ্দীপক এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রামী চেতনার এক অসাধারণ শিল্পভাষ্য- বিশ্লেষণ কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় আমাদের চেতনার রং—
- 'একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রং'- এ চরণটি কোন কবিতাভুক্ত?
- ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটি কবি শামসুর রাহমানেরকোন কাব্যগ্রন্থ থেকে চয়ন করা হয়েছে?
- বুকের অধীর ফিনকির ক্ষুরধারশহিদের ক্ষুর লেগেকিশোর তোমার দুই হাতে দুইসূর্য উঠেছে জেগে।উক্ত ভাবটি হলো-আত্মত্যাগআত্মজাগরণআত্ম অহমিকানিচের কোনটি সঠিক?
- 'বাস্তবের বিশাল চত্বরে / হৃদয়ের হরিৎ উপত্যকায়'- কী হয়?
- আবার ফুটেছে দ্যাখো কৃষ্ণচূড়া থরে থরে শহরের পথে- চরণটি আমাদের জাতীয় জীবনের কোন দিকটি তুলে ধরে
- নাগরিক কবি বলা হয় কাকে?
- ‘সাম্যবাদী’, ‘এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' ও ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাগুলো যথাক্রমে কোন কোন ছন্দে রচিত?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কৃষ্ণচূড়া ফুলকে কবিরকাছে কেমন মনে হয়?
- ক-অংশযুবকের বুকে নিয়ে বুলেটের অংশপড়িল মাটির 'পরেফোঁটায় ফোঁটায় লহুধারারাজপথে বিছাইল রক্ত জবা ফুল।শেষ নিশ্বাসের আগে তারাগেয়ে গেল রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই।খ-অংশতোমাদের রক্তঝণ, অম্লান আহুতিবেঁকে যাওয়া আমাদের মেরুদণ্ড টান টান সোজা করে উদ্যত দাঁড়াতে।দরকারি ক্রোধ, প্রেম প্রকাশ, শক্তি দেয়।উদ্দীপকের ক-অংশ দ্বারা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণিত কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?- আলোচনা করো।
- তিনজন আমরা পাশাপাশি হাঁটছিলাম। রাহাত স্লোগান দিচ্ছিল। আর তপুর হাতে ছিল একটি মস্ত প্ল্যাকার্ড। তার ওপরে লাল কালিতে লেখা ছিল 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই'। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌঁছাতেই অকস্মাৎ কিছু বুঝবার আগেই চেয়ে দেখি, প্ল্যাকার্ডসহ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে তপু। কপালের ঠিক মাঝখানটায় গোল একটা গর্ত। আর সে গর্ত দিয়ে নির্ঝরের মতো রক্ত ঝরছে তার। (একুশের গল্প- জহির রায়হান) উদ্দীপকে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটির কোন দিকটি ফুটে উঠেছে তা আলোচনা করো।
- একুশ মানে চেতনায় শানিত ধারাএকুশ মানে মাথা নত না করা ।উদ্দীপকের ভাবের মিল পাওয়া যায় নিচের কোনচরণে ?
- পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের-কখনোই ভয় করিনিকো আমি উদ্যত কোন খড়গের!শত্রুর সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস;অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন শস্য করেছি চাষ;একই হাসি মুখে বাজিয়েছি বাঁশি গলায় পরেছি ফাঁসআপস করিনি কখনোই আমি- এই হলো ইতিহাস।"উদ্দীপক এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা বাঙালির স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রামী চেতনার এক অসাধারণ শিল্পভাষ্য"- বিশ্লেষণ করো।
- সালামের চোখ আজ কী?
- 'সারা দেশ ঘাতকের অশুভ আস্তানা'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কার চোখে আলোচিতঢাকা?
- শহরের পথে থরে থরে কোন ফুল ফুটেছে?
- ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতায় কোন কোন কবির নাম বলা হয়েছে ?
- কে চট্টগ্রামের নয়?
- “ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯" কবিতায় 'রক্তের বুদ্বুদ' বলতে বোঝানো হয়েছে-