'সোনার তরী' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
A. গীতাঞ্জলি
B. সোনার তরী
C. চিত্রা
D. মানসী
সঠিক উত্তরঃ
B.
সোনার তরী
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- রবীন্দ্রনাথের সোনার তরীতে মূলত ব্যক্ত হয়েছে
- "ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই ছোটো সে তরী"____ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- উদ্দীপকের ‘তুমি’ ‘সোনার তরী' কবিতায় কোনটিরসঙ্গে সংগতিপূর্ণ?
- “তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি শত রূপে শত বার/জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার।” -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কবিতার অংশ?
- ঠাই নাই, ঠাই নাই- ছোট সে তরী, আমরি সোনার ধানে গিয়াছে ভরি” . পরের লাইন
- 'ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই- ছোট সে সে তরীআমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।'- ব্যাখ্যা করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'সোনার তরী' কবিতায় কোন ঋতুর কথা বলা হয়েছে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'বনফুল' প্রকাশিত হয় কত সালে?
- "গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারেদেখে যেনো মনে হয় চিনি উপারে"-কোন কবিতার অংশ?
- সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ৭ই মার্চের ভাষণের শুরুতেই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক বাংলাদেশের মানুষের নির্যাতনের কথা তুলে ধরেছেন। পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক অন্যায়ভাবে এবং বিনা করণে বাংলার মানুষের উপর অত্যাচার, নির্যাতন, গুলি ও রক্তপাত করা হয়েছে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ৬ই মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের মানুষ তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকের সঙ্গে সমঝোতার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। কিন্তু তারা সমঝোতা না করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও রংপুরে গুলি চালিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে হতাহত করেছে। এরূপ রক্তের করুণ ইতিহাস পুরো পাকিস্তানি শাসনকাল জুড়ে বিরাজমান ছিল। সর্বোপরি ৭ই মার্চের ভাষণের মাধ্যমে জাতির পিতা পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর কর্তৃক ২৩ বছর যাবৎ পাকিস্তানি শাসকদের বাংলাদেশের মানুষের নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেছেন। আজ আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক কিন্তু ভুলিনি পাকিস্তানি শাসক ও তার দোসরদের নৃশংস হত্যাযজ্ঞ, ভুলিনি জাতির পিতা ও লাখো শহিদের অবদান।'সোনার তরী' কবিতার বিষয়গত সাদৃশ্য বর্ণনা করো।
- রবীন্দ্রনাথ এর গীতাঞ্জলী কবে প্রকাশিত হয়?
- গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদ সম্পাদনা করেছেন-
- মাদার তেরেসা অকৃত্রিম মাতৃস্নেহের আধার ছিলেন। আলবেনিয়ান বংশোদ্ভূত হয়েও তিনি তাঁর কাজের জন্য সারা পৃথিবীতে স্মরণীয় হয়ে আছেন। ১৯৫০ সালে তিনি কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত মিশনারিজ অব চ্যারিটি হোমের মাধ্যমে সমগ্র পৃথিবীর দরিদ্র, অসুস্থ, অনাথ ও মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের জন্য কাজ করেন। এই কাজের জন্য ১৯৭৯ সালে তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়। সেই পুরস্কারের সমস্ত অর্থ তিনি সেবার কাজে ব্যয় করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি মারা যান। কিন্তু পৃথিবীর মানুষ আজও তাঁর নাম শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।"মাদার তেরেসার জীবনের পরিণতিই 'সোনার তরী' কবিতার মূল উপজীব্য”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- কখন হাল ঠিকমতো রাখা ভার?
- 'সোনার তরী' কবিতার ছন্দ-
- 'থরে বিথরে' অর্থ কী?
- সোনার তরী' কবিতায় 'শূন্য নদীর তীরে' কে একা পড়ে থাকল?
- মানুষের বেঁচে ছিলেন মাত্র একুশ বছর। তাঁর অসাধারণ সৃষ্টিশীলতার জন্য বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি শুকতারার মতো উজ্জ্বল হয়ে আছেন।উদ্দীপকের প্রথম বাক্যটি 'সোনার তরী' কবিতার কোন প্রেক্ষিতে সম্পর্কিত? যুক্তি দেখাও।