ফ্রেব্রুয়ারি ১৯৬৯ ' কবিতায় কতজন ভাষাশহীদের নাম উল্লেখ আছে?
A. ১ জন
B. ২ জন
C. ৩ জন
D. ৪ জন
সঠিক উত্তরঃ
B.
২ জন
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- আঠারো বছর বয়স " কবিতা টি কোন ছন্দে রচিত ?
- সিলেটের একটি চা-বাগানের শ্রমিকরা নানাভাবে বঞ্চিতহলেও প্রতিবাদ করার সাহস পায় না। একদিন ঘূর্ণিঝড়ওঠার আশঙ্কা জেনেও মালিক তাদের কাজ করতে বাধ্যকরে। ঝড়ের সাথে সংগ্রাম করে শ্রমিকরা প্রাণে বেঁচেযায়। এরপর তারা প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। ঝড়ের কাছথেকে তারা প্রতিবাদের ভাষা শেখে।উদ্দীপকের ‘ঝড়’ 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার যেঘটনার ইঙ্গিত করে, নিচের কোনটি সেই ঘটনারসাথে সম্পর্কিত?
- ওরা চল্লিশজন কিংবা আরও বেশিযারা প্রাণ দিয়েছে ওখানে-রমনার রৌদ্রদগ্ধকৃষ্ণচূড়ার গাছের তলায়,ভাষার জন্য, মাতৃভাষার জন্য-বাংলার জন্যযারা প্রাণ দিয়েছে ওখানেএকটি দেশের মহান সংস্কৃতির মর্যাদার জন্য।"উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার সম্পূর্ণ ভাবকে ধারণ করতে পারেনি।"- আলোচনা করো।
- ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ কোন কবির কবিতায় বিষয় হিসেবে বিশেষ প্রাধান্য পেয়েছে?
- “মাগো ওরা বলে,সবা কথা কেড়ে নেবেতোমার কোলে শুয়েগল্প শুনতে দেবে না।'উদ্দীপকে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কোন ভাবপ্রকাশিত হয়েছে?
- থরে থরে কৃষ্ণচূড়া কোথায় ফুটেছে?
- তিনজন আমরা পাশাপাশি হাঁটছিলাম। রাহাত স্লোগান দিচ্ছিল। আর তপুর হাতে ছিল একটি মস্ত প্ল্যাকার্ড। তার ওপরে লাল কালিতে লেখা ছিল 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই'। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌঁছাতেই অকস্মাৎ কিছু বুঝবার আগেই চেয়ে দেখি, প্ল্যাকার্ডসহ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে তপু। কপালের ঠিক মাঝখানটায় গোল একটা গর্ত। আর সে গর্ত দিয়ে নির্ঝরের মতো রক্ত ঝরছে তার। (একুশের গল্প- জহির রায়হান) "উদ্দীপক এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রাম চেতনার এক. অসাধারণ এক শিল্পভাষ্য।"- মন্তব্যটি তুমি স্বীকার কর কি? তোমার মতামতসহ বিশ্লেষণ করো।
- ঊনসত্তরের গণ অভ্যুত্থানে কোন চেতনা কাজ করেছে?
- একুশ মানে চেতনায় শানিত ধারাএকুশ মানে মাথা নত না করা ।উদ্দীপকের ভাবের মিল পাওয়া যায় নিচের কোনচরণে ?
- 'সেই ফুল আমাদেরই প্রাণ,'- বুঝিয়ে দাও।
- ফুল কোথায় ফোটে?
- কবি শামসুর রহমানের জন্মস্থান কোথায়?
- কোন কাব্যগ্রন্থ শামসুর রাহমানের লেখা নয়?
- 'নক্ষত্রের মতো ঝরে অবিনাশী বর্ণমালা' বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- সুন্দর সকাল। কূজনে মুখরিত চারপাশ। আকাশটা যেন আজ ধুপছায়া শাড়িতে নিজেকে জড়িয়েছে। এমনি মনোরম নৈসর্গিক নান্দনিকতা ভেদ করে চিৎকার করে উঠল ভিনদেশি যন্ত্রদানব। ছুটল গুলি! ঝরল রক্ত! বিনিময়ে বায়ান্নতে আমরা পেলাম কথা বলবার অধিকার। চুয়ান্ন, ছেষট্টি, 'উনসত্তর পেরিয়ে একান্তরে আমরা পেলাম লাল-সবুজের পতাকা, পবিত্র মানচিত্র আর প্রিয় স্বদেশ।উদ্দীপকে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার পূর্ণ অনুরণন ঘটেনি।"- মন্তব্যটি যাথার্থ্য নির্ণয় করো।
- একুশের কৃষ্ণচূড়াকে কবি কোন রঙের সাথে মেলাতে চান?
- ‘তার পিঠে রক্ত জবার মতো ক্ষত ছিল – এ চরণটিতেকার পিঠের ক্ষতকে নির্দেশ করা হয়েছে?
- সালামের চোখ আজ কী?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণমালাকে কীসের সাথে তুলনা করা হয়েছে?
- প্রতিদিন স্কুলে যাওয়ার পথেই রুমার নজর পড়ে আমগাছটির দিকে। ওদিকে তাকাতেই তার মনে পড়ে তার প্রতিবাদী বুরুর কথা। কেননা, ওই গাছটাতেই বুবু রীনার গলায় দড়ি দেওয়া লাশ পাওয়া গিয়েছিল। কয়েকটা বখাটে যুবক, তাকে প্রায়ই বিরক্তকরত। তাই একদিন সে প্রতিবাদ করেছিল এবং জুতা দেখিয়েছিল। সেই কারণে পরের দিনই তার প্রতিবাদী বুবু রীনার লাশ ওই গাছটাতে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।উদ্দীপকের চেতনা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কোন বিষয়টির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।