ত্রিপুরা রাজ মন্দিরের পুরোহিত রঘুপতি মিথ্যা ধর্মবোধ ও অন্ধসংস্কারের ধারক। মন্দিরে বলিদান প্রথার বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিবাদের বাণী ধ্বনিত হয় অপর্ণার মধ্যে। তার ছাগ-শিশু বলির বিচার দাবি 'বিসর্জন' নাটকের বিরোধের বীজ। এ বীজ প্রথম বপিত হয় রাজার হৃদয়ে। আর এ বপিত বীজের কারণে রাজার বিরুদ্ধে বিরোধ, জয়সিংহের আত্মবিসর্জন, রঘুপতির প্রতিমা বিসর্জন এবং পরিণতিতে মাতৃরূপে অপর্ণার নিকট রঘুপতির দর্প চূর্ণ হয়।
উদ্দীপকের অপর্ণার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলার সাদৃশ্য কতটুকু? ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- কে, কাকে দু-টুকরো করে দরিয়ায় ভাসিয়ে দিবে? ব্যাখ্যা কর।
- 'খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে।' ব্যাখ্যা করো।
- 'ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে?'- ব্যাখ্যা করো।
- কোনটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচনা নয়?
- বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষে মামুন চাকরির চিন্তা বাদ রেখে এক মহৎ স্বপ্নের তাড়নায় গ্রামে ফিরে আসে। অনেক চেষ্টা ও শ্রমের ফলে সে গ্রামে সরকার অনুমোদিত একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়। গ্রামের চেয়ারম্যান ও বায়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের সহায়তায় এগিয়ে চলে মামুনের স্বপ্নের বিদ্যালয়টি। মামুন এখন গ্রামের মানুষের কাছে এক অনুকরণীয় সম্মানিত ব্যক্তি।উদ্দীপকে উল্লিখিত চেয়ারম্যান ও বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের ভূমিকা 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনাংশের সাদৃশ্য বা বৈসাদৃশ্য? আলোচনা করো।
- ধলা মিয়া কে?
- মকবুল তিন বিয়ে করেছে। তিন বউই বেঁচে আছে ওর। সবার ছোটো টুনি। গায়ের রং কালো। ছিপছিপে দেহ। আয়ত চোখ। বয়স তার তেরো-চৌদ্দের মাঝামাঝি। সংসার কাকে বলে সে বুঝে না। সমবয়সি কারও সঙ্গে দেখা হলে সবকিছু ভুলে গিয়ে মনের সুখে গল্প জুড়ে দেয়। আর হাসে। হাসাতে হাসাতে মেঝেতে গড়াগড়ি দেয় টুনি।উদ্দীপকের টুনির সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা চরিত্রটির সাদৃশ্য কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
- 'মরা মানুষ জিন্দা হয় কেমনে'- উক্তিটি কার?
- গারো পাহাড় মধুপুরগড় থেকে কতদিনের পথ?
- ‘লালসালু’ উপন্যাসটির লেখক কে?
- মধ্যযুগে বাংলার মুসলিম নারীসমাজ অনেকটাই পিছিয়ে ছিল। শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ তো তারা পেতই না বরং চার দেয়ালের মাঝে বন্দি জীবন কাটাতে হতো। ধর্মের নামে অধর্মের বেসাতি চালানো হতো তাদের ওপর। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে সর্বদাই নারীরা ছিল অবহেলার - পাত্র। নিতান্তই হুকুম পালন ও ঘরকন্না ছাড়া তাদের আর কোনো অধিকার ছিল না।'পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীরা সর্বদাই অবহেলার পাত্র।'-উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে তোমার মতামত দাও।
- চোখে তার তেমনি শিকারির সূচাগ্র একাগ্রতা'- বুঝিয়ে লেখো।
- রাহী গ্রামের এক দুরন্ত মেয়ে। তার আনন্দের কাজ বন্ধুদের সাথে ছোটাছুটি করা, সাঁতার কাটা। অভাবের তাড়নায় তার বাবা একদিন পাশের গ্রামের এক বুড়ো লোকের সাথে তার বিয়ে দিয়ে দিলেন। লোকটি গ্রামের মাতব্বর। সকলে তাকে 'মুন্সি' বলে ডাকে। মুন্সির কথা গ্রামের সবাই মেনে চলে। কিন্তু চঞ্চল ও স্বাধীনচেতা রাহী তার কথা মানে না।রাহী 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?- আলোচনা করো।
- জাহিদ শহর থেকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে গ্রামে ফিরেআসে এবং গ্রামের মানুষের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা দেখেব্যাথিত হয়। সে গ্রামে শিক্ষার আলো জ্বালাতে একটিনৈশ বিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত ???েয়।অনুচ্ছেদের জাহিদের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসেরকোন চরিত্র সাদৃশ্যপূর্ণ?
- খুলনা জেলার চুকনগরে রুথিত পির বাবার নাম আঃ লতিফ। চুকনগর হাইস্কুল রোডের একটি ঘরে তার আস্তানা। প্রতিদিন শত শত ভক্ত ও রোগী পানি, তেল, কলার মোচা পড়াসহ নানা তদবির নিতে আসে পির বাবার সান্নিধ্যে। তার আস্তানায় গিয়ে দেখা যায় টেবিলের উপর পানি, তেল ও দুধের বোতল, কলার মোচা, মাটি মাদুনিসহ নানা তদবিরের সামগ্রী। আর বাইরে অসংখ্যা মহিলাদের লাইন। সবার হাতে পানি ও তেলের বোতল। একেক জনকে একেকভাবে চিকিৎসা করছেন তিনি। তার আস্তানায় ৪টি সাইনবোর্ড আছে। যার একটিতে লেখা শিক্ষাগত যোগ্যতা, একটিতে রোগের চিকিৎসা ফি। সাপে কাটা ফি ৫০০ টাকা, কুকুরে কামড়ানো ফি ২৫০ টাকা, বিড়ালে কামড়ানো ফি ১৫০ টাকা, অর্শরোগী ২০০ টাকা, জিনে ধরা ফি ৩০০ টাকা, প্রয়োজনে বারণ ফি ১০০ টাকা, বাড়ি বন্ধ করা ফি ৩০০ টাকা। বহু রোগী তাদের রোগ নিরাময়ের জন্য হুজুরের দরবারে আসে। আশপাশের অনেকেই যুজুরের পানি পড়াতে সুস্থ হয়ে গেছে এই গুজব শুনে এসেছে তারা।উদ্দীপকের আঃ লতিফ এবং লালসালু' উপন্যাসের মজিদ ভিন্ন প্রেক্ষাপট তৈরি করলেও তাদের উদ্দেশ্য এক ও অভিন্ন'- উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।
- মজিদ কেন আক্কাসের স্কুল প্রতিষ্ঠায় বাঁধা দেয়?
- গারো পাহাড় মধুপুরগড় থেকে কত দিনের পথ?
- 'কিন্তু মানুষের ফোড়া হইলে সে ফোড়া ধারালো ছুরি দিয়া কাটিয়ে হয়।' কে, কোন প্রসঙ্গে বলেছে?
- 'তোমার দাড়ি কই মিঞা?'-উক্তিটি কার?
- 'লালসালু' উপন্যাসের ফরাসি অনুবাদক কে?