’কবর’ কবিতায় বৃদ্ধ কাকে ‘ঘুম-ভোলা মোর যাদু’ বলেছেন?
A. স্ত্রী
B. নাতনি
C. পুত্রবধূ
D. ছোট মেয়ে
সঠিক উত্তরঃ
D.
ছোট মেয়ে
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- বৃক্ষের সার্থকতা প্রকাশ কোনটি সমর্থিত?
- কখনো উপন্যাস লেখেননি-
- শেখ রাসেলকে নিয়ে শেখ হাসিনার লেখা বই কোনটি?
- জীবনানন্দ দাশ লক্ষ্মীপেঁচা ও ধানের গন্ধের মধ্যে মিল খুঁজে পান-
- কবীর চৌধুরীকে উৎসর্গ করা হয়েছে কোন কবিতাটি?
- "রক্তে আমার অনাদি অস্থি" কবিতাটি কার উদ্দেশ্যে উৎসর্গিত?
- হাসান সাহেব দীর্ঘ ১২ বছর পর গ্রামে ফিরে তাঁর গরিবআত্মীয়দের বাড়িতে গেলেন। তাঁর দামি গাড়ি, দামিপোশাক আর আচরণগত পরিবর্তন দেখে আত্মীয়রা সমাদরকরার সাহসই পেল না। তিনি হতাশ হয়ে শহরে ফিরলেন।হাসান সাহেবের গরিব আত্মীয়রা 'ঐকতান' কবিতারযাদের সাথে তুলনীয়, তারা—সংসারের অতি ক্ষুদ্র অংশে বাস করেসুখে-দুঃখে নীরব থাকে বিচিত্র ও প্রসারিত জীবনের অধিকারীনিচের কোনটি সঠিক?
- "স্বপ্ন নয়— শান্তি নয়ভালোবাসা নয়হৃদয়ের মাঝে এক বোধ জন্ম লয়আমি তারে পারি না এড়াতে।"উদ্দীপক ও 'লোক-লোকান্তর' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণচরণটিতে অনুরণিত হয়-প্রকৃতি ভাবনারহস্যময়তাবিচ্ছিন্নতাবোধনিচের কোনটি সঠিক?
- 'তুমি তো সব জান।' উক্তিটি কার?
- দরিদ্র বাবা-মা তাদের প্রথম সন্তানের নাম রাখেন সাজাহান। তাদের স্বপ্ন সাজাহান অনেক বড় হবে। কিন্তু আর্থিক অভাব ও শিক্ষা না থাকায় সাজাহান কিশোর বয়সেই কাজে নেমে পড়ে। পাশের গ্রামের কৃপণ ও ধনী আলম সাহেবের বাড়িতে সাজাহান কাজের লোক হিসেবে নিযুক্ত হয়। প্রতিদিন ঘরে ও বাইরে সমান পরিশ্রম করে সাজাহান। কিন্তু পরিশ্রম অনুযায়ী তাঁর ভাগ্যে খাবার জোটে না। একদিন বাজারের টাকা বাঁচিয়ে সাজাহান লাড্ডু কিনে খায়। কিন্তু টাকার হিসেব দিতে না পারায় আলম সাহেব তাকে নির্দয়ভাবে মারে। মনে ক্ষোভ নিয়েও সাজাহান সব সহ্য করে, কারণ সে জানে, সে গরীব-অসহায়।"উদ্দীপকটি সাজাহান ও 'বিড়াল' রচনার বিড়াল একই বিড়ম্বনার অংশীদার।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ‘স্বল্পপ্রাণ স্থুলবুদ্ধি ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষ সংসারে পরিপূর্ণ’- কোন রচনার অংশ?
- ‘আমার প্রেম আমার প্রতিনিধি’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
- রাজা দুষ্মন্ত শকুন্তলাকে 'বনলতা' বলেছেন যে জন্যে
- 'অনবরত ধেয়ে চলা মানুষের সাধনা হওয়া উচিত নয়'- বুঝিয়ে দাও।
- কুবেরের সঙ্গে কপিলার মূল সম্পর্ক কি ?
- ‘সুবচন নির্বাসনে’ নাটকটির রচয়িতা কে?
- আব্দুল মিয়া একজন কুমোর। সাত পুরুষ ধরে তার পরিবারের সবাই এই পেশায় জড়িত। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে মাটির তৈজসপত্রের চাহিদা কমে যাওয়ায় তার আর্থিক অবস্থা আর আগের মতো নেই। তবে সে ভেঙে পড়েনি। পরিবারের সকলের সহযোগিতা ও. কর্মমুখী শিক্ষা গ্রহণ করে অন্য পেশায় নিয়োজিত হয়ে সে অনেকটা আত্মনির্ভরশীল। পাশাপাশি সে সাত পুরুষের পেশাও ছাড়েনি। সময় পেলেই সে মাটির শৌখিন জিনিসপত্র তৈরি করে বিক্রি করে।উদ্দীপকের আব্দুল মিয়ার আত্মনির্ভরশীল হওয়ার কারণ হিসেবে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে যে বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, তা আলোচনা করো।
- রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা একটি গদ্য গ্রন্থের নাম লেখো।
- ’সাদা কাগজে দস্তখত করিয়া লওয়ার প্রথাটা আদালতের বাইরে চলে জানি, ভিতরেও চলিবে কি? উক্তিটি কার?
- 'হৈমন্তী’ গল্পে হৈমন্তীর বয়স কত?