শহরে বড়োসড়ো এক ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাকাত সরদার নিজাম ও তার দল। এ লক্ষ্যে শহরের প্রান্তে এক পরিত্যক্ত বাড়িতে তারা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংগঠিত হতে থাকে। গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে নগর পুলিশ পরিত্যক্ত বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সদলবলে নিজামকে আটক করে কারাগারে প্রেরণ করে।
'ইংরেজদের পরিণতির উদ্দীপকের নিজামদের মতো হলে এ দেশের ইতিহাস পালটে যেতো।'- উক্তিটির যথার্থতা নির্ণয় করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- জুলিয়াস সিজার যখন রোমের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেন তখন তার সিনেটরদের অনেকেই তা মেনে নিতে পারেনি। তারা সিজারকে হত্যার ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। এই ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে তার স্বজনদের অনেকেই হাত মেলায় হীনস্বার্থ উদ্ধারের অভিপ্রায়ে। যার মধ্যে ছিল সিজায়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ব্রুটাস। উদ্ধত ব্রুটাস ছুরি হাতে সিজারকে হত্যা করতে এলে সিজার নিদারুণ বেদনায় শুধু বলেন, "ব্রুটাস তুমিও।""উদ্দীপকের ব্রুটাস যেন মিরজাফরেরই প্রতিচ্ছবি"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- যিশুর খুবই কাছের সহচর ছিল জুডাস। একদিন জুডাস মাত্র ৩০. রৌপ্য মুদ্রার বিনিময়ে যিশুকে রোমান সৈন্যদের হাতে ধরিয়ে দিতে সহায়তা করে। উত্ত চরিত্রের কর্মফল ঘটে- দেশপ্রেমিকের মৃত্যু ইংরেজদের উথানগণবিক্ষোভ হয় নিচের কোনটি সঠিক?
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ক্ষমতায় আসার পর থেকে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তার আত্মীয়স্বজন, পর্যন্ত তার বিরুদ্ধাচরণ করে। অনেক ক্ষেত্রেই তিনি এই ষড়যন্ত্রের জাল ভেদ করতে পেরেছেন। অনেক ক্ষেত্রেই পারেননি। পলাশির যুদ্ধে তিনি যেমন প্রতারিত হয়েছিলেন তেমনি ভাগ্য তার বিরুদ্ধে ছিল।উদ্দীপকের শেষ চরণটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে প্রমাণ করো।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কাকে আলীনগরের দেওয়াননিযুক্ত করেন ?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের রচয়িতা কে?
- মধুমতি নদীতে জেগে উঠেছে চান্দের চর। পলিময় উর্বর সে ভূমি। দেখলে যে কারোরই চোখ টাটায়। মন্তু মিয়াও এর বাইরে নয়। কিন্তু এলাকার প্রবল প্রতাপশালী জমিদারের সঙ্গে লড়বে কে? মঞ্জু মিয়া তাই গোপনে হাত মেলায় জমিদারের জ্ঞাতি ভাই গজনবী চৌধুরীর সঙ্গে। তার সহায়তায় মঞ্জু মিয়া এবং তার লাঠিয়াল বাহিনী চরটি দখল করে নেয়। এবার মঞ্জু মিয়ার নতুন চরের দায়িত্ব নেওয়ার পালা। সে গজনবী চৌধুরীর উপস্থিতি ও দোয়া ছাড়া চান্দের চরের দায়িত্ব গ্রহণ করতে অপারগতা প্রকাশ করে। এভাবেই নদীর বুকে জেগে ওঠা নতুন চর চিরকালের জন্য জমিদারের হাতছাড়া হয়ে যায়।উদ্দীপকের মঞ্জু মিয়ার সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফর চরিত্রের তুলনা কর।
- ইতিহাস পথ নিল কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকে,বারুদের জোয়ার লাগে,পীতাঙ্গ গোঁয়ার বান ডাকে এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দণ্ড প্রতাপ।আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুঞ্জ বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়;যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের পটভূমিগত সাদৃশ্য কতটুকু বিশ্লেষণ করো।
- হউক সে মহাজ্ঞানী মহাধনবান,অসীম ক্ষমতা তার অতুল সম্মান।……………………………………………হউক বীরেন্দ্র সে যেন রোস্তমশত শত দাস তার সেবুক চরণকরুক স্তাবকদল স্তব সংকীর্তন।কিন্তু যে সাধেনি কভু জন্মভূমি হিত,স্বজাতির সেবা যে করেনি কিঞ্চিৎজানাও সে নরাধমে জানাও সত্বরঅতীব ঘৃণিত সে পাষণ্ড বর্বর।উদ্দীপকের শেষ চরণ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রধান সেনাপতিকে নির্দেশ করে কি? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।
- ব্যস্ত শহরের তিনমাথায় হঠাৎ করে একজন লোককে লক্ষ করা যায়। সে নানা ধরনের রঙিন পাথর নিয়ে বসে আছে। তাঁর ভাষ্যমতে, এগুলো সে স্বপ্নে পেয়েছে। এ সব পাথর শরীরে ধারণ করলে সকলের সমস্ত রোগ ভালো হয়ে যাবে। শহরের অনেকেই সরল বিশ্বাসে সেগুলো টাকা দিয়ে কিনে নিয়ে যাচ্ছে। আর এদিকে লোকটার আয়ও দিনে দিনে বেড়ে যেতে থাকে। লোকজন এখন তাকে পাথরবাবা বলে ডাকে।উদ্দীপকের পাথরবাবা 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের বৈশিষ্ট্যকে ধারণ করেছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'প্রকৃত দেশপ্রেমিক দেশের জন্য প্রাণ দিতে কুণ্ঠিত হন না।'- এ উক্তিটির আলোকে উদ্দীপক 'ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের তুলনামূলক আলোচনা করো।
- আবুলে বাবা অনাথ শিব্বিরকে লালন-পালন করে সমাজেপ্রতিষ্ঠিত করেন। সময়ের আবর্তনে বিত্ত-সম্পত্তি নিয়েআবুলের সঙ্গে তার চাচা জাফরের বিরোধ বাধলেজাফর শিব্বিরকে নিজের দলে ভেড়ান। অর্থের লোভেজাফরের নির্দেশে শিব্বির আবুলকে হত্যা করে। উদ্দীপকের শিব্বিরের সঙ্গে "সিরাজউদ্দৌলা'নাটকের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে?
- জামিল সাহেব রায়হানকে রাস্তা থেকে কুড়িয়ে এনেলালনপালন করেন। লেখাপড়া শেখান। জামিল সাহেবনিজের সন্তানের মতোই তাকে ভালোবাসতেন। কিন্তুজামিল সাহেব মারা যাওয়ার পর রায়হান সম্পত্তিরলোভে জামিল সাহেবের ছেলেকে হত্যা করে ।উদ্দীপকের রায়হান নিচের কোন চরিত্রের সাথেতুলনীয়?
- শামসুজ্জামানের বাবা অনাথ হাবিবকে লালনপালনকরেন। শামসুজ্জামানের সঙ্গে তার চাচা মোতালেবেরবিরোধ বাধলে অর্থের লোভে মোতালেবের নির্দেশে হাবিবশামসুজ্জামানকে হত্যা করে ।উদ্দীপকের হাবিবের মধ্যে সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেরকোন চরিত্রের সাদৃশ্য মেলে?
- সবাই মিলে সত্যিই আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো ?'কে কাকে এ কথা বলেছেন ?
- 'আমার নালিশ আজ আমার বিরুদ্ধে।'- এ উক্তিটির তাৎপর্য লেখো।
- 'ওই একটি পথেই আবার আমরা উভয়ে উভয়ের কাছাকাছি আসতে পারি।' - কে কাকে, কোন প্রসঙ্গে উক্তিটি করেছেন?
- 'রজার ড্রেক প্রাণ ভয়ে কুকুরের মতো ল্যাজ গুটিয়ে পালিয়েছে'- ব্যাখ্যা করো।
- সিরাজউদ্দৌলার মৃত্যুর সাথে সম্পর্কিত নিচের কোন তথ্যটি সঠিক?
- ইতিহাস বলে সম্রাট বাবরের মৃত্যুর পর তার জ্যেষ্ঠপুত্র হুমায়ুন যখন সিংহাসনে বসেন, তখন তার বয়স মাত্র বাইশ বছর। একদিকে অল্প বয়সে শাসনকার্যের গুরুদায়িত্ব, অন্যদিকে সিংহাসনে বসার পর থেকেই চলে নানামুখী ষড়যন্ত্র। এ রকম প্রতিকল পরিস্থিতিতেও যুবক শাসক হুমায়ুন ঠিকভাবে হাল ধরে অত্যন্ত সাহসিকতায় শাসনকার্য চালিয়ে যান। হুমায়ুনের ভাইয়েরা এবং আত্মীয়-স্বজনেরা যদিও সহযোগিতার পরিবর্তে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল, তথাপি দুর্দান্ত প্রতাপে শক্ত হাতে সবকিছুর মোকাবেলা করেন তিনি।উদ্দীপকের হুমায়ুনের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মিল রয়েছে এবং কীভাবে? আলোচনা করো।
- প্রাচীন গ্রিস প্রজাতন্ত্রী নগররাষ্ট্র ছিল। 'জুলিয়াস সিজার একজন সফল সেনাপ্রধান ছিলেন। কালক্রমে জুলিয়াস সিজার একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেন। তাঁর এ নীতির সমর্থন দেন তাঁর স্নেহভাজন ব্রুটাস। পরবর্তীতে সিনেটররা রাষ্ট্রের কল্যাণার্থে সিজারকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করেন। ব্রুটাস তখন ষড়যন্ত্রকারীদের সাথে যোগ দেন। নিরস্ত্র সিজারকে সিনেটররা একের পর এক ছুরিকাঘাত করতে থাকে। যখন ত??ঁর প্রিয় ব্রুটাস তাঁকে ছুরিকাঘাত করেন তখন সিজার হতবাক হয়ে বলে, Et tu, Brue অর্থ: ও ব্রুটাস তুমিও?উদ্দীপকে জুলিয়াস সিজারের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মিল রয়েছে এবং কিভাবে? আলোচনা করো।