ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসগর কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
A. চৌবেরিয়া গ্রাম, নদীয়া
B. কাঁঠালপাড়া গ্রাম, চব্বিশ পরগনা
C. বীরসিংহ গ্রাম, মেদিনীপুর
D. দেবানন্দপুর গ্রাম, হুগলি
সঠিক উত্তরঃ
C.
বীরসিংহ গ্রাম, মেদিনীপুর
Explanation: ১৮২০ খ্রিস্টাব্দের ২৬ সেপ্টেম্বর (১২২৭ বঙ্গাব্দের ১২ আশ্বিন, মঙ্গলবার) ব্রিটিশ ভারতের বাংলা প্রেসিডেন্সির বীরসিংহ গ্রামে ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় শর্মা জন্মগ্রহণ করেন।এই গ্রামটি অধুনা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার অন্তর্গত হলেও, সেই যুগে ছিল হুগলি জেলার অন্তর্ভুক্ত। ঈশ্বরচন্দ্রের পিতার নাম ছিল ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ও মাতার নাম ছিল ভগবতী দেবী। বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের আদি নিবাস ছিল অধুনা হুগলি জেলার বনমালীপুর গ্রাম। ঈশ্বরচন্দ্রের পিতামহ রামজয় তর্কভূষণ ছিলেন সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে সুপণ্ডিত ব্যক্তি।
Related Questions (Any University/Year)
- 'মার্জার' অর্থ কী?
- পালিলাম আজ্ঞা সুখে; পাইলাম কালে' কে পেয়েছিলেন ?
- আবির হোসেন একজন শিক্ষক। তিনি তাঁর শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পাশাপাশি সবসময় সৎ, শুভ ও সুন্দরের পথে চলার উপদেশ দিতেন। জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোষ্ঠীর ঊর্ধ্বে আমরা যে সবাই মানুষ, সেই মানুষের কথা বলতেন, মনুষ্যত্বের কথা বলতেন। তিনি আরও বলতেন, আমি একজন মুসলমান হয়ে শুধু মুসলমান শিক্ষার্থীকে পড়াতে আসিনি। আমি এসেছি সবার শিক্ষক, অর্থাৎ মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে।উদ্দীপকের "আবির হোসেনের দৃষ্টিভঙ্গি এবং 'সাম্যবাদী' কবিতায় কবির দৃষ্টিভঙ্গি একই সূত্রে গাঁথা।"- ব্যাখ্যা করো।
- 'বিড়াল' প্রবন্ধে 'যখন বিচারে পরাস্ত হইবে, তখনগম্ভীরভাবে উপদেশ প্রদান করিবে।'— এ বক্তব্যেপ্রকাশ পেয়েছে-
- শহীদুল দশম শ্রেণির বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী। বৃক্ষের অক্সিজেন প্রদান, প্রাণিকুলের খাদ্যের জোগান ইত্যাদি শহীদুলের মনে দাগ কাটে। শহীদুল প্রতিজ্ঞা করে চিকিৎসাশাস্ত্র অধ্যয়ন করবে। উচ্চ মাধ্যমিক উত্তীর্ণের পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে চিকিৎসা শাস্ত্রে ডিগ্রি অর্জন করে শহীদুল চলে আসে নিজ গ্রামে। এলাকায় প্রতিষ্ঠা করে দাতব্য চিকিৎসালয়। শহরের চাকচিক্য ও উচ্চ রোজগারের পথ পরিহার করে নিজ এলাকার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবাকে শহীদুল জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করে। অপরদিকে তার বড়ো ভাই ডাক্তার মনিরুল চিকিৎসাকে ব্রত হিসেবে না নিয়ে ব্যাবসা হিসেবে গ্রহণ করে অঢেল সম্পদের মালিক হয়ে যায়।"উদ্দীপকের শহীদুলের 'ব্রত' এবং 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের 'বৃক্ষের সাধনা' একই সূত্রে গাঁথা।"- তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- 'তার দীর্ঘ দেহ নিয়ে আবার নূরলদীন দেখা দেয় মরা আঙিনায়'। নূরলদীন দেখা দেয়-
- ভীল কী?
- আর সে তো মিশরের সম্রাট হয়নি ।' সৌদামিনী মালো' গল্পে কার কথা বলা হয়েছে ?
- "হাতের কাছে যারে পাও(তারে) ঢাকা-দিল্লি খুঁজতে যাওকোন অনুসারে।এমনি বুদ্ধিহীন হলি মনরে তুই এ সংসারেঘরের মধ্যে এ ঘরখানাঘরে কে বিরাজ করে।""সাম্যবাদী' কবিতার অসম্প্রদায়িক চেতনা উদ্দীপকের 'ঘরে' বিরাজ করে।"- মন্তব্যটির যথার্থতা যাচাই কর।
- জীবনীকাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত :
- সাগর সাহেবের বাসায় কাজ করে আয়না বিবি। মাস শেষে বেতন পেলেও ঠিকমতো খাবার পায় না সে। ক্ষুধার যন্ত্রণায় মাঝে মাঝে চুরি করে খাবার খায় আয়না। একদিন খাবার চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়লে শাস্তি হিসেবে প্রহার করে তাকে তাড়িয়ে দেয়। আয়না বলে, "পেটে ক্ষুধা থাকলে চুরি না করে উপায় কী?"উদ্দীপকের আয়না বিবি এবং 'বিড়াল' রচনার বিড়াল অভিন্ন চেতনার ধারক।" মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- ‘গোরক্ষ বিজয়’ কাব্য কোন ধর্মমতের কাহিনি অবলম্বনে লেখা?
- বৃক্ষের গান শুনতে হবে কীভাবে?
- মোহাম্মদ নজিবর রহমান রচিত উপন্যাস কোনটি?
- "বাংলাদেশ-ধ্বংস-কাব্যে জানে না পৌঁছল জাহান্নামে এ জন্মেইবাংলাদেশ অনন্ত অক্ষত মূর্তি জাগে৷” উদ্দীপক ও 'রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতার মর্মবাণী—
- শাস্ত্রকারেরা গাহস্থ্য ব্যাপারটিকে কী হিসেবে কল্পনা করেছ??ন?
- ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরবর্তী রামাল্লার একটি গ্রামে এক নারী ইসরায়েল-ফিলিস্তিনি যুদ্ধে ব্যবহৃত খোলস ব্যবহার করে তা দিয়ে ফুল চাষ করে সাজিয়ে তুলেছেন নিজের বাগান। এ যেন এক অভিনব প্রতিবাদ যুদ্ধের ভয়াবহতার বিরুদ্ধে। যে গ্রেনেড যুদ্ধে কেবল ধ্বংসের কাজে ব্যবহার করা হয় সেই গ্রেনেডের খোলসে ফুলের চাষ যেন অস্ত্র, রক্ত আর ক্ষমতার দাপটে গড়ে ওঠা আধুনিক বিশ্বের ভয়াবহতার মুখে চপেটাঘাত। আর এই আঘাত যেন যুদ্ধের বদলে ভালোবাসার জবাব।উদ্দীপকে বর্ণিত নারীর দৃষ্টিভঙ্গির সাথে 'সেই অস্ত্র' কবিতায় কবির দৃষ্টিভঙ্গির সাদৃশ্য দেখাও।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ "একটি তুলসী গাছের কাহিনী " ছোটগল্পে গোপনে তুলসী গাছের পরিচর্যা কে করতেন?
- মাৎস্যন্যায় (Malsyanayam) বলা হয়-
- "একত্তে বরেণ্য তুমি /শরণ্য এককে/ আত্নার আত্মীয়" পরক্তিটি কোন কবিতার?