‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকটির রচয়িতা কে?
A. মুনীর চৌধুরী
B. হুমায়ূন আহমেদ
C. মমতাজ উদ্দিন আহমেদ
D. কল্যাণ মিত্র
সঠিক উত্তরঃ
A.
মুনীর চৌধুরী
Explanation: ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকের রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য নাটকগুলো হচ্ছে- কবর, চিঠি, দণ্ডকারণ্য, পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য।
Related Questions (Any University/Year)
- 'সেই অস্ত্র' কবিতায় কাদের নাম আছে?
- 'লোক লোকান্তর' কবিতায় বর্ণিত পাখি কোথায় বসেআছে?
- বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত নাট্যকার -
- আমার দেশের মতন এমন দেশ কি কোথাও আছেবউ কথা কও পাখি ডাকে নিত্য হিজল গাছে।দোয়ের কোয়েল কুটুম পাখি, বন-বাদাড়ে যায়রে ডাকিআছে শাপলা শালুক ঝিলে বিলে, পুকুর ভরা মাছে।হাজার তারার মানিক জ্বলে হেথায় মাটির ঘরেসবার মুখের মিষ্টি কথায় সবার হৃদয় ভরে রে।উদ্দীপকটির সাথে 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতা কতটুকু সাদৃশ্যপূর্ণ বর্ণনা করো।
- 'কামাল পাশা' ও 'আনোয়ার পাশা' গ্রন্থ দুটির রচয়িতা কে?
- 'নদী কভু পান নাহি করে নিজ জলতরুগণ নাহি খায় নিজ নিজ ফলগাভি কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পানকাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে পরে অন্ন দানসাধুর ঐশ্বর্য শুধু পরহিত তরে।'উদ্দীপকটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোন দিকটির ইঙ্গিত করে—
- "সেখানে কালো আর ফিকে সবুজ রং খেলা কর ছ মুহূর্তে মূহুর্তে। "ৰ-- বাক্যটি কোন রচনা থেকে নেওয়া হয়েছে?
- 'ঐকতান' কবিতাটি কোন কাব্যের অন্তর্গত?
- সকলের দেবতার বিশ্ব-দেউল কী?
- "রক্তে আমার অনাদি অস্থি" কবিতায় কী বাকে বাকে ঘুরে?
- ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণমালাকে কীসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
- ‘অবজ্ঞার তাপে শুষ্ক নিরানন্দ সেই মরুভূমি' —চরণটি যে তাৎপর্য বহন করে—সাহিত্যে প্রান্তিক মানুষের অনুপস্থিতি সাহিত্যে উচ্চশ্রেণির মানুষের অনুপস্থিতি মূক যারা দুঃখে সুখেনিচের কোনটি সঠিক?
- 'সেইখানে শঙ্খচিল পানের বনের মতো হাওয়ায় চঞ্চল'- উক্তিটিতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতায় 'প্রাণের জাহাজ' দ্বারা কী বোঝায়?
- 'সমাজের উচ্চমঞ্চে বসেছি সংকীর্ণ বাতায়নে' কোন কবিতার চরণ?
- কোনটি শওকত ওসমান রচিত?
- 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে আলাের দেবতা বলতে কী বুঝানাে হয়েছে?
- ’রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকটি কোন যুদ্ধের পটভুমিতে রচিত?
- “এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি, সকলদেশের রাণি সে যে আমার জন্মভূমি।”উদ্দীপকে 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতার -কোন বিষয়ের উল্লেখ পাওয়া যায় না?
- বৈশাখী উৎসব আমাদের প্রাণের উৎসব। সব পেশা, শ্রেণি ও ধর্মের মানুষ এ উৎসব পালন করে। ঐদিন আপামর বাঙালি তাদের ধর্ম, বর্ণ, গোত্র ও ভেদাভেদ ভুলে একই মাঠে নেচে গেয়ে নতুন বছরকে ধারণ করে। বৈশাখী মেলা, পান্তা-ইলিশ, একতারা, নাগরদোলা, পুতুল নাচ ইত্যাদি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে পুরো জাতি তাদের হাজার বছরের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে স্মরণ করে। এ দিনে বাঙালি জাতি সাম্প্রদায়িক চেতনা ভুলে একাকার হয়ে যায়।উদ্দীপকের বৈশাখী উৎসবের সাথে 'সাম্যবাদী' কবিতার সাদৃশ্য বা বৈসাদৃশ্য নির্ণয় করো।