মামুন, মার্টিন এবং শম্ভু তিন সহপাঠী। ঈদ উপলক্ষে
মার্টিন মামুনের বাড়িতে অসঙ্কোচে যেতে পারলেও শম্ভু
যেতে পারে না। তার রয়েছে পারিবারিক বাধা।
'আমার পথ' প্রবন্ধ ও উদ্দীপকে উল্লিখিত কোন অভিন্ন
কারণে শম্ভু মামুনের বাড়িতে যাওয়া থেকে ???িরত থাকে?
A.
ধর্মীয় গোঁড??ামী
B.
অন্ধ বিশ্বাস
C.
কৌলীণ্য
D.
লোকলজ্জা
সঠিক উত্তরঃ
A.
ধর্মীয় গোঁড??ামী
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- "যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না।"- ব্যাখ্যা কর।
- বর্তমানে মানবকল্যাণের অন্যতম অন্তরায় কোনটি?
- অত্যন্ত খিটখিটে মেজাজের মানুষ মামুন। ন্যায়-অন্যায়, 'ভালোমন্দ সব বিষয়েই তিনি রেগে যান। এজন্য পরিবারের লোকজন ছাড়াও এলাকাবাসীও তার উপর বিরক্ত। কিন্তু মামুনের বক্তব্য তিনি কোনো ভুল বা অন্যায় করছেন না বরং অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন এবং এ কারণে প্রয়োজনেই চিৎকার করেন, রাগ হয়ে যান। তবে একদিন তাকে এই রাগের খেসারত দিতে হয়। মামুনের সন্তান বাবার ভয়ে দ্রুত বাড়ি ফিরতে গিয়ে দুর্ঘটনায় নিহত হয়। এরপর থেকে মামুন সম্পূর্ণ বদলে যায়। তিনি বুঝতে পারেন সব সময় রেগে থাকার মাধ্যমে কোনো সমাধান হয় না। তিনি তার ভুল শুধরে নতুনভাবে জীবন যাপন করেন।উদ্দীপকের মামুনের মনোভাবনার মধ্য দিয়ে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে তা আলোচনা করো।
- 'আমার পথ' প্রবন্ধটি কোন প্রবন্ধ গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
- সংকোচের বিহ্বলতা নিজের অপমান,সংকটের কল্পনাতে হোয়ো না ম্রিয়মাণ।মুক্ত করো ভয়, আপনা মাঝে শক্তি ধরো নিজেরে করো জয়।দুর্বলের রক্ষা করো, দুর্জনের হানো,নিজেরে দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো;মুক্ত করো ভয়, নিজের পরে করিতে ভর না রেখো সংশয়।"নিজের, 'পরে করিতে ভর না রেখো সংশয়"এ উদ্দীপকের এ কথাই 'আমার পথ' প্রবন্ধের মূলভাব"-বক্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- সংকোচের বিহ্বলতা নিজের অপমান।সংকটের কল্পনাতে হোয়ো না ম্রিয়মাণ-মুক্ত করো ভয়,আপন-মাঝে শক্তি ধরো, নিজের করো জয়-দুর্বলের রক্ষা করো, দুর্জনের হানো,নিজের দীন নিঃসহায় যেন কভু না জেনো।উদ্দীপকে যে দ্বিধা, ভয় সংকোচের কথা বলী হয়েছে 'আমার পথ' প্রবন্ধে তা দূরীকরণের উপায়ও আছে।"- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- মিজান সাহেব একজন সাদা মনের মানুষ। সারাটা জীবন আলোকিত মানুষ গড়েছেন। চাকুরি থেকে অবসর গ্রহণের পর নিজের নেতৃত্বে পরিচালনা করেছেন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান 'সেবাসংঘ'। বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজের পাশাপাশি শিক্ষা বিস্তার, বাল্যবিবাহরোধ, দুর্নীতি দমন অভিযান, নৈতিকতা ও মূল্যবোধ বিষয়ক সেমিনারের আয়োজন করে তিনি এলাকার মাতবরদের ভন্ডামির প্রতিবাদ করেন। মিথ্যা ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ছিলেন সদা সোচ্চার। অনেকেই তাঁর কাজের প্রশংসা করলেও কেউ কেউ নিন্দা ও কটূক্তি করতেও ছাড়ে না। তাই বলে তিনি সমালোচনাকারীদের ভয়ে দমে যান না। কারণ তিনি বিশ্বাস করেন 'সত্য ও ন্যায়ের পথই সহজ ও সঠিক পথ।' তিনি তরুণদের উদ্দেশে বলেন-'মনেরে আজ কহ যেভালো মন্দ যাহাই আসুকসত্যরে লও সহজে।''উদ্দীপকের কবিতাংশের বক্তব্য চেতনায় ধারণ করে অলোকিত পৃথিবী গড়ে তোলা সম্ভব'- প্রবন্ধের ভাববস্তুর আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।
- 'না বুঝে বোঝার ভন্ডামি করে পাঁচ জনের শ্রন্ধা আর প্রশংসা পাবার লোভ আমি কোন দিনই করব না'--- কে করবে না?
- আত্মবিশ্বাসী মানুষই সাফল্যের পথে এগিয়ে যান। তিনি অন্যের মত ও পথের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রেখেও নিজের সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে পারেন। অন্যের উপর নির্ভরতা তার লক্ষ্য নয়। নিজেকে চিনে এবং নিজের বিশ্বাসকে বড় মনে করার মধ্য দিয়েই তিনি কল্যাণকর কিছু করতে পারেন।উদ্দীপকের ভাবনা 'আমার পথ' প্রবন্ধের কীভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে সবচেয়ে বড়ো ধর্ম কী?
- শিক্ষার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো নিজেকে জানা, পরনির্ভরশীলতা থেকে মুক্ত হওয়া। কিন্তু বর্তমানে শিক্ষিত বেকারদের মধ্যে পরনির্ভরশীলতা বাড়ছে। নিজের সম্পর্কে জানলে আজ আর কেউ শিক্ষিত বেকার হয়ে বসে থাকত না। পরের উপর নির্ভরশীল থাকার জন্য শিক্ষিতদের মন আজ মানসিক দাসত্বে পরিণত হয়েছে।"উদ্দীপকের শিক্ষিত বেকারদের মানসিক দাসত্ব পরিবর্তনে প্রয়োজন আত্মনির্ভরতা।"- 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
- 'আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে।'-ব্যাখ্যা করো।
- কাজী নজরুল ইসলাম কতসালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে সৈনিক হিসেবে যোগ দেন?
- ‘আমার কর্ণধার আমি । আমায় পথ দেখাবে......’- কে পথ দেখাবে?
- 'রাজবন্দীর জবানবন্দী' কার লেখা?
- কাজী নজরুল ইসলামের মোট ৫টি গ্রন্থ বিভিন্ন সময়ে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার বাজেয়াপ্ত করে। কোন বইটি প্রথম বাজেয়াপ্ত হয়?
- কাজী নজরুল ইসলাম কোন সনে মৃত্যুবরণ করে?
- আমার পথ' প্রবন্ধে নজরুলের মতে পরাবলম্বন আমাদের কী করে তুলেছে?নিষ্ক্রিয়বিলাসী দাস নিচের কোনটি সঠিক?
- গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস নিজেকে চেনার কথা বলেছিলেন; বলেছিলেন, সত্য প্রকাশের কথা- যত কঠিনই হোক সে সত্য। সক্রেটিস ও তাঁর অনুসারীরা সত্য প্রকাশে যে অসংকোচ দৃঢ়তা দেখিয়েছিলেন, প্রথাগত সমাজ ও রাষ্ট্রের চোখে তা চিহ্নিত হয়েছিল ঔদ্ধত্য ও বিশৃঙ্খলার নিয়ামক হিসেবে। পরিণামে তাঁদের ওপর নেমে এসেছিল রাজদণ্ড। প্রবল পরাক্রমশালী রাজার ভয়ে না পালিয়ে যে অল্পসংখ্যক অনুসারী শেষ পর্যন্ত সক্রেটিসের অনুগামী হলেন, তাঁরাই ছিলেন প্রকৃত সত্যনিষ্ঠ। আর তাঁরা যেহেতু আত্মপ্রবঞ্চক ছিলেন না; তাই জেনেশুনেই বেছে নিয়েছিলেন রাজার দেওয়া 'সত্য বলার শাস্তি'। শাস্তিদাতা রাজাদের নাম-নিশানা মুছে গেলেও সক্রেটিসকে মহাকাল দিয়েছে 'মহাজ্ঞানী' অভিধা।উদ্দীপকের প্রকাশিত 'সত্য' 'আমার পথ' প্রবন্ধে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলামের রচিত গ্রন্থ কোনটি?