মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

প্রোটিন থেকে গ্লুকোজ তৈরির প্রক্রিয়াকে বলে -

A. গ্লাইকোজেনেসিস
B. গ্লুকোজেনেসিস
C. গ্লাইকোনিওজেনেসিস
D. গ্লুকোনিওজেনেসিস
E. সবগুলো
Poster Download
SUSTUnit-Aজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপরিপাক ও শোষণযকৃত ও পিত্তরস (Topic Practice)SUST - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. গ্লুকোনিওজেনেসিস
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: এই প্রশ্নে প্রোটিন থেকে গ্লুকোজ তৈরির প্রক্রিয়া জানাতে চাওয়া হয়েছে। গ্লুকোজেনেসিস হল সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে প্রোটিন থেকে গ্লুকোজ তৈরি হয়। অপশন বিশ্লেষণ: A. গ্লাইকোজেনেসিস: ভুল, এটি গ্লাইকোজেন তৈরি করার প্রক্রিয়া। B. গ্লুকোজেনেসিস: ভুল, এটি গ্লুকোজ উৎপাদনের প্রক্রিয়া নয়, গ্লুকোজ তৈরি হলে গ্লুকোজেনেসিস সঠিক হবে। C. গ্লাইকোনিওজেনেসিস: ভুল, এটি গ্লাইকোজেন এবং গ্লুকোজ এর মিশ্রিত প্রক্রিয়া নয়। D. গ্লুকোনিওজেনেসিস: সঠিক, এটি প্রোটিন থেকে গ্লুকোজ তৈরি করার সঠিক প্রক্রিয়া। E. সবগুলো: ভুল, এটি সঠিক নয়। নোট: প্রোটিন থেকে গ্লুকোজ তৈরির প্রক্রিয়া গ্লুকোনিওজেনেসিস, এবং এটি দেহে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
Another Explanation (5):

প্রোটিন থেকে গ্লুকোজ তৈরির প্রক্রিয়াকে বলে - গ্লুকোনিওজেনেসিস

গ্লুকোনিওজেনেসিস (Gluconeogenesis) হলো এক প্রক্রিয়া যেখানে অ্যামিনো অ্যাসিড, ল্যাকটিক অ্যাসিড, গ্লিসেরল ইত্যাদি উপাদান থেকে নতুন গ্লুকোজ তৈরি করা হয়। এটি মূলত লিভার এবং কিছু ক্ষেত্রে কিডনিতে ঘটে। এই প্রক্রিয়াটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি শরীরের দীর্ঘ সময়ের উপবাস বা উপোসের সময় গ্লুকোজের সরবরাহ বজায় রাখে।

গ্লুকোনিওজেনেসিসের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • প্রোটিনের অ্যামিনো অ্যাসিড থেকে গ্লুকোজ তৈরি হয়।
  • অক্সিডেটিভ ডাম্পিং এর মাধ্যমে গ্লুকোজ গঠিত হয়।
  • গ্লুকোজের উত্পত্তি সাধারণত গ্লাইকোলিসিসের বিপরীত প্রক্রিয়া।
  • শরীরের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

প্রক্রিয়ার ধাপসমূহ:

ধাপ বর্ণনা
অ্যামিনো অ্যাসিডের পরিবর্তন অ্যামিনো অ্যাসিড থেকে কেটো অ্যাসিড বা পেরুভিক এসিডে রূপান্তর হয়।
গ্লিসেরল থেকে গ্লুকোজ গ্লিসেরল গ্লুকোজে রূপান্তর হয়, যা গ্লুকোনিওজেনেসিসে সহায়ক।
প্রধান রাস্তা গ্লাইকোলিসিসের বিপরীতে, এই প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন অণু দিয়ে গ্লুকোজ তৈরি হয়।

বিশেষ দ্রষ্টব্য:

🌟 গ্লুকোনিওজেনেসিস শরীরের শক্তির জন্য অপরিহার্য।
🌟 এটি সাধারণত লিভারে ঘটে।
🌟 দীর্ঘ উপবাস বা উপোসের সময়ে শরীরের গ্লুকোজের চাহিদা পূরণ করে।

Option A Explanation:

গ্লাইকোজেনেসিস (Glycogenesis)

  • সংক্ষেপে: এটি একটি প্রক্রিয়া যেখানে গ্লুকোজ থেকে গ্লাইকোজেন তৈরি হয়।
  • অর্থ: গ্লাইকোজেনেসিস হলো যকৃত ও পেশীর কোষে গ্লুকোজের সংরক্ষণ জন্য গ্লাইকোজেনের উৎপাদন।
  • প্রক্রিয়া: গ্লুকোজের মলিকুলাগুলি জটিল শৃঙ্খলে পরিণত হয় ও গ্লাইকোজেন নামে সংরক্ষিত হয়।
  • উদ্দেশ্য: অতিরিক্ত গ্লুকোজকে সংরক্ষণ করে পরবর্তীতে শক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে সক্ষম হওয়া।
  • প্রক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণ: ইনসুলিন হরমোন এই প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করে।
Option B Explanation:
  • গ্লুকোজেনেসিস হল একটি প্রক্রিয়া যেখানে গ্লুকোজ থেকে গ্লাইকোজেন (শর্করা) তৈরি করা হয়।
  • এটি মূলত লিভার এবং কিডনিতে ঘটে।
  • প্রক্রিয়াটির মাধ্যমে শরীরের অতিরিক্ত গ্লুকোজ সংরক্ষণ করা হয়, যাতে প্রয়োজনের সময় তা ব্যবহৃত হতে পারে।
  • গ্লুকোজেনেসিস প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজের অণুগুলি গ্লাইকোজেনের শৃঙ্খলাবদ্ধ রূপে পরিণত হয়।
  • এই প্রক্রিয়াটি শারীরিক শক্তির স্তর বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option C Explanation:

গ্লাইকোনিওজেনেসিস (Gluconeogenesis)

  • এটি একটি প্রক্রিয়া যা নতুন গ্লুকোজ তৈরি করে, বিশেষ করে যখন শরীরের খাদ্য থেকে পর্যাপ্ত কার্বোহাইড্রেট প্রাপ্ত হয় না।
  • প্রধানত যকৃত ও কিডনি এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে।
  • এটি লিভারকে শরীরের রক্তে গ্লুকোজের স্তর নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
  • এটি গ্লাইকোজেনের ব্যর্থতা বা ক্ষয় হলে গ্লুকোজের যোগান নিশ্চিত করে।
  • প্রক্রিয়াটি অ্যানাবলিক, অর্থাৎ এটি শক্তি সঞ্চয় বা গ্লুকোজ উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
Option D Explanation:
  • গ্লুকোনিওজেনেসিস হলো একটি প্রক্রিয়া যা শরীরে গ্লুকোজের অভাব বা প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী গ্লুকোজ উৎপাদন করে।
  • এটি মূলত লিভার এবং কিডনিতে ঘটে, যেখানে অপ্রয়োজনীয় বা অপ্রয়োজনীয় চর্বি ও প্রোটিন থেকে গ্লুকোজ তৈরি করা হয়।
  • এই প্রক্রিয়াটির মাধ্যমে দীর্ঘ সময়ের জন্য রক্তে গ্লুকোজের স্তর বজায় রাখা সম্ভব হয়, বিশেষ করে উপবাসের সময় বা খাদ্য থেকে গ্লুকোজ কম থাকলে।
  • গ্লুকোনিওজেনেসিস মূলত গ্লাইকোজেনেসিসের বিপরীত প্রক্রিয়া, যেখানে গ্লাইকোজেন ভেঙে গ্লুকোজে রূপান্তর হয়।
Option E Explanation:
  • Vitamin B Complex: ই. coli প্রজাতি কিছু ভিটামিন উৎপন্ন করতে সক্ষম, যেমন বিভিন্ন B ভিটামিন (B1, B2, B6, B12), যা শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
  • Vitamin C: সাধারণত ই. coli দ্বারা ভিটামিন C (অ্যাকটিভিসন) উৎপন্ন হয় না, তবে কিছু স্ট্রেইন কিছুটা উৎপন্ন করতে পারে বলে মত রয়েছে।
  • Vitamin K: অনেক ব্যাকটেরিয়া, বিশেষ করে ই. coli, ভিটামিন K উৎপন্ন করে, যা রক্তের জমাট বাঁধা প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ।