"শ্রাবণ গগণ ঘিরে ঘন মেঘ ঘুরে ফিরে, শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি" পরের লাইনটি কী?
A. যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী
B. ঠাঁই নাই ঠাঁই নাই ছোট সে তরী রর
C. গান গেয়ে বেয়ে যায় সোনার তরী
D. আমারি সোনার ধানে নিয়েছে ভারি
সঠিক উত্তরঃ
A.
যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?'— চরণটিতে কী বোঝানোহয়েছে?
- 'সোনার তরী' কবিতার সোনার ধান আসলে কী?
- "গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারেদেখে যেনো মনে হয় চিনি উপারে"-কোন কবিতার অংশ?
- 'আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।'- এখানে 'সোনার ধান' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে
- আমায় নহেগো, ভালোবাসো শুধু ভালোবাসো মোর গান,বনের পাখিরে কে চিনে রাখে গান হলে অবসান;চাঁদেরে কে চায়, জোছনা সবাই যাচেগীত-শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি-মাঝে।উদ্দীপকের বনের পাখির সাথে 'সোনার তরী' কবিতায় কার সাদৃশ্য রয়েছে? আলোচনা করো।
- সোনার তরী কবিতার পংক্তিসংখ্যা -
- ‘সোনার তরী' কবিতায় তরীটি কিসে বোঝাই?
- রবীন্দ্রনাথ এর গীতাঞ্জলী কবে প্রকাশিত হয়?
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে প্রেম ও স্নেহের বার্তা সমানভাবে। বঞ্চিত মানুষ তাঁর লেখায় খুঁজে পায় উজ্জীবনের মন্ত্র। তিনি সব ফেলে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। কিন্তু তাঁর সাহিত্যকর্ম আজও মানুষের দুঃখ-দুর্দশায় সাহস দেয় এবং হয় প্রেরণার উৎস। বাঙালি চিরদিন তাদের এই বিদ্রোহী কবিকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।উদ্দীপকের সাথে 'সোনার তরী' কবিতার কোন বিষয়টি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- মহাকালের প্রতীক তরণিতে ঠাঁই পায় কেবল-
- কোন চরণে কবির দ্বিমুখী নীতির প্রকাশ ঘটেছে?
- রবীন্দ্রনাথের সোনার তরীতে মূলত ব্যক্ত হয়েছে
- এক সময়ের ডাকসাইটে জমিদার নারায়ণ চৌধুরী প্রজ্ঞা ও প্রতিভায় ছিলেন সবার শীর্ষে। তাঁর জীবনের অর্জিত সম্পদের সবটুকু উজাড় করে দিয়ে সন্তানদের মানুষ করেছেন তিনি। ছেলে-মেয়েরা ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ার হয়ে বিদেশে ভালো অবস্থানে রয়েছে। কিন্তু বৃদ্ধ বাবার খোঁজখবর নেওয়ার সময় নেই তাদের কারও। বার্ধক্যের এই সংকটাপন্ন অবস্থায় তিনি বৃদ্ধাশ্রমেও যাননি সন্তানদের সম্মানের কথা ভেবে। এখন তাঁর সময় কাটে নিজের বাড়িতে একেবারে একা একা।'সৃষ্টিকর্ম সর্বদা মূল্যবান, সৃষ্টিকর্তা নয়'-উদ্দীপক ও 'সোনার তরী' কবিতার আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'অচলায়তন' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন ধরনের রচনা?
- মালিহার মন খারাপ। জীবনের কোন চাওয়া পাওয়াই মিলছে না। জানুয়ারির এই কনকনে শীতে বাচ্চাদের অনেক শীতের কাপড় পরিয়ে সে বেড়াতে বের হল। বাচ্চারা ট্রেন দেখবে। তারা রেললাইনের পাশে ঝুপড়ি ঘরে কিছু বাচ্চাদের খেলা করতে দেখল। তাদের গায়ে কাপড় বলতে বেশি কিছু নেই। পাশেই তাদের বাবা মা মাটির চুলায় কিছু রান্না করছে। তারা নিজেদের মধ্যে কিছু বলছে আর উচ্চ স্বরে হাসছে। মুহূর্তের মধ্যে মালিহার মন ভালো হয়ে গেল। মনে মনে ভাবলেন আনন্দে থাকার জন্য আসলে খুব বেশি কি প্রয়োজন? অর্থ আভিজাত্য সময়ে সব হারিয়ে যাবে।উদ্দীপকের মালিহার সাথে 'সোনার তরী' কবিতার মাঝির সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য নির্ণয় কর।
- 'পরপারে দেখি আঁকা তরুছায়া মসী-মাখা।'- এখানে'মসী-মাখা' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- কবি 'সোনার ধান'- প্রতীকে মানুষের সৃষ্টকর্মকে নির্দেশ করেছেন কারণ-
- ‘সোনার তরী' কবিতায় 'বাঁকা জল' মূলত কীসেরপ্রতীক?
- সোনার তরী' কবিতায় 'ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই'- কথাটিতে মাঝির কেমন মনোভাব প্রকাশিত হয়েছে?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?'