হোসেন মিয়া বিশাল সম্পত্তির অধিকারী। তার চার ছেলে সবাই প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু প্রত্যেকেই নিজ নিজ স্বার্থের জন্য কৌশলী, মনোভাবের অধিকারী। হোসেন মিয়া সবকিছু বুঝতে পারলেও সন্তান হিসেবে তাদেরকে বারবার ক্ষমা করে দেন। তার এই অপরিসীম কোমল মনোভাবের কারণে একসময় ছেলেরা গোপনে পুরো সম্পত্তি অন্যের কাছে বিক্রি করে দেয় এবং শেষ পরিণতিতে হোসেন মিয়া রাস্তায় নেমে আসেন।
"সবাই মিলে সত্যিই আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো?" বক্তব্যটি উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'তার নবাব হওয়াটাই আমার মস্ত ক্ষতি।'- ঘসেটি বেগমের এ উক্তির কারণ কী?
- নারান সিং-এর পরিচয় কি ?
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁর ধানমন্ডির বাসায় জাতীয়- আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে হত্যা করা হয়। যারা এ হীন কাজে জড়িত ছিল তাদের সবাই বঙ্গবন্ধুর নিজ হাতে গড়া সেনাবাহিনীর বিপথগামী সদস্য। বঙ্গবন্ধু বিশ্বাস করতে পারেননি যে তাঁকে কেউ মারতে পারে।উক্ত চরিত্রের মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে-নিষ্ঠুর??াকৃতজ্ঞতাবিশ্বাসঘাতকতানিচের কোনটি সঠিক?
- 'আমি জানি হি ইজ এ ডেড হর্স'- উক্তিটি কার?
- ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য তিতুমীর বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন। একটা সময় তিতুমীর পরাজিত হন এবং তাঁকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে ইংরেজরা হত্যা করে। তিতুমীরের এ লড়াই ব্যর্থ মনে হলেও ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামে সুদূরপ্রসারী অবদান রেখেছে। তাই তিতুমীর আমাদের কাছে অমর, অক্ষয়, মাতৃভূমির অতন্দ্র প্রহরী।উদ্দীপকের তিতুমীর চরিত্রকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাব সিরাউদ্দৌলা চরিত্রের সঙ্গে তুলনা কর।
- শহরে বড়োসড়ো এক ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাকাত সরদার নিজাম ও তার দল। এ লক্ষ্যে শহরের প্রান্তে এক পরিত্যক্ত রাড়িতে তারা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংগঠিত হতে থাকে। গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে নগর পুলিশ পরিত্যক্ত বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সদলবলে নিজামকে আটক করে কারাগারে প্রেরণ করে।'ইংরেজদের পরিণতি উদ্দীপকের নিজামদের মতো হলে এ দেশের ইতিহাস পালটে যেত।'- উক্তিটির যথার্থতা নির্ণয় করো।
- সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুরের নাম কী?
- 'দশদিকের দশটি হাত ভর্তি করতে হিমশিম খেয়েযাচ্ছে ইংরেজ, ডাচ আর ফরাসিরা।'- এ কথারমধ্যে কোন তথ্য রয়েছে?
- 'আমার সারা অস্তিত্ব জুড়ে কেবল যেন দেয়ালের ভিড়।'- বুঝিয়ে দাও।
- 'ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই 'পালায়'-ব্যাখ্যা করো।
- সম্রাট আকবরের সভাসদ ছিলেন আবুল ফজল। সম্রাট সাম্রাজ্য পরিচালনার সব বিষয়েই তার সভাসদের সঙ্গে পরামর্শ করতেন। একবার পারস্য সম্রাট আবুল ফজলকে প্রস্তাব দেন যে, 'সে'যদি ভারতবর্ষের নানা গোপনীয় তথ্য পারস্যে পাচার করে, তাহলে তাকে অনেক ধনসম্পদ দেওয়া হবে। আবুল ফজল ঘৃণাভরে এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন এবং বলেন, আমি আমৃত্যু ভারত সম্রাটের হয়ে কাজ করব।উদ্দীপকের আবুল ফজলের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফর চরিত্রের অমিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
- মহাকবি বাল্মীকির "রামায়ণ' এক অর্থে আর্য ও অনার্য সংস্কৃতির ভাষিক রূপ। রামায়ণের কাহিনিকে নব আঙ্গিকে ঢেলে সাজিয়েছেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। রাবণ চরিত্র তাঁর অনন্য সৃষ্টি। রাবণ দেশপ্রেমিক ও অসাধারণ এক বীর। সহোদর বিভীষণ বিশ্বাসঘাতক, দেশদ্রোহী। বহিঃশক্তি রাম-লক্ষ্মণ তার দোসর। তার দেখানো পথেই লক্ষ্মণ রাবণপুত্র নিরস্ত্র মেঘনাদকে হত্যা করে বিভীষণের কারণেই লঙ্কার যুদ্ধে রাবণকে করুণ পরিণতি বরণ করতে হয় এবং বিজয় সূচিত হয় বহিঃশক্তির।'বিশ্বাসঘাতকতাই রাবণ ও সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মূল কারণ।'-'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে মন্তব্যটি বিচার করো।
- সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কে কৃতঘ্ন?
- চিকিৎসক আসগর আলীর কাছে অর্থের প্রয়োজনীয়তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি রোগী দেখার আগেই পরামর্শ ফি নেন। আপন-পর কিংবা আর্তমানবতা তাঁর কাছে মূল্যহীন।এরূপ সাদৃশ্যের কারণ- রাজ অমাত্যদের অর্থলিপ্সাক্ষমতায় যাওয়ার জন্য অর্থ প্রয়োজনরাজকর্মচারীদের হীনম্মন্যতানিচের কোনটি সঠিক?
- 'আমরা এমন কিছু করলাম যা ইতিহাস হবে।'- উক্তিটি কার?
- যতিন শেখ বহু বছর ধরে প্রবাসী। থাকা-খাওয়াসহ মাসিক বেতনের বিনিময়ে তার গ্রামের বাড়ি ও সম্পদ দেখাশুনা করে মোহন। প্রচন্ড অর্থলোভী মোহন যতিন শেখের সহায়-সম্পদের যথেচ্ছা ব্যবহার ও তা আত্মসাৎ করলেও যতিন শেখের কাছে সে ভীষণ বিশ্বাসভাজন। এবার দেশে এলে মোহন ডাকাত দলের সাথে মিলে যতিন শেখের বাড়ি ডাকাতি করে বিপুল অর্থ আত্মসাতের পরিকল্পনা করেছে। সে মনে করে অর্থই সব, অর্থের চেয়ে বড় আর কিছু নেই।"অর্থলোভ মানুষকে অন্যায় ও অনৈতিকতার দিকে ধাবিত করে।"- মন্তব্যটি উদ্দীপক এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
- মেলান্দহ নদীর পাড় ঘেঁষে পাইনশাইল গ্রাম। গ্রামের দক্ষিণ পাড়ায় মিলিটারি ক্যাম্প। সবুর কমান্ডারের নেতৃত্বে ছাপ্পান্ন জন মুক্তিযোদ্ধা এক বর্ষণমুখর রাতে আক্রমণ চালায় মিলিটারি ক্যাম্পে। তিন দিন থেকে বিরতিহীন গুলি বর্ষণে দিশেহারা হয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনার দল। নিতান্তই আত্মরক্ষার জন্য গুলি ছোড়ে তারা। একজন রাজাকার পাকিস্তানি কমান্ডারকে বলে, 'গুলি না চালিয়ে চলো পালাই।' কমান্ডারকে নিয়ে নদীপথে পালিয়ে প্রাণে বাঁচে সে। ততক্ষণে মিলিটারি ক্যাম্প সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত।'নবাব সিরাজউদ্দৌলার ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের মিলিটারি ক্যাম্প আক্রমণ একই প্রেরণা থেকে উৎসারিত।'- তোমার মতামত ব্যক্ত করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম অঙ্কের দ্বিতীয়দৃশ্যের ঘটনাগুলো সংঘটনের স্থান কোনটি?
- ১২০৪ সালে তুর্কি বীর ইখতিয়ার উদ্দীন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি মাত্র ১৭/১৮ জন সৈন্য নিয়ে নদীয়ার শাসক লক্ষ্মণ সেনের রাজ্য আক্রমণ করেন। বখতিয়ার খিলজির শৃঙ্খলিত ও বিশ্বস্ত সেনবাহিনীর কাছে অল্প সময়ের মধ্যেই লক্ষ্মণ সেনের সেনাবাহিনী যুদ্ধ না করে জীবন বাঁচাতে পলায়ন করে। সেই সাথে লক্ষ্মণ সেনও সেদিন পলায়ন করেন। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই বখতিয়ার খিলজি বিজয় পতাকা উত্তোলন করেন। আসলে সেদিন সেখানে যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে যুদ্ধের অভিনয়।উদ্দীপকের প্রতিফলিত দিকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যাখ্যা কর।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে হানাদার বাহিনীর লোকেরা এদেশের ঘুমন্ত মানুষের উপর গুলি চালায় আর সেই রাতেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। গ্রেফতার হওয়ার পূর্বেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ফলে এদেশের হাজার হাজার মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে দেশমাতাকে রক্ষা করতে। কিন্তু কিছু লোক ছিল যারা পাকিস্তানের দালালে পরিণত হয়ে রাজাকার, আলবদর নাম ধারণ করে দেশের ক্ষতি করার চেষ্টা করেছিল। রমজাম এদের মধ্যে অন্যতম। রমজান ও তার সহযোগীরা ১৪ ডিসেম্বর দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের দেখিয়ে দিয়েছিল, আর পাকিস্তানিরা তাদের মূল্যবান জীবন কেড়ে নিয়েছিল। তবুও মুক্তিযোদ্ধারা সকল বাধা অতিক্রম করে ছিনিয়ে এনেছেন আমাদের স্বাধীনতা। প্রকৃত দেশপ্রেমিকেরা দেশের জন্য প্রাণ দিতে কখনো কুণ্ঠাবোধ করেন না।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আংশিক মিল রয়েছে- বিশ্লেষণ কর।