শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ রচনা কোনটি?
A. দেবদাস
B. শ্রীকান্ত
C. চরিত্রহীন
D. গৃহদাহ
সঠিক উত্তরঃ
B.
শ্রীকান্ত
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'স্বদেশের মঙ্গলের জন্য সমস্ত অকাতরে সহ্য করিয়া তাহাকে হিড়হিড় করিয়া টানিয়া লইয়া চলিলাম।'- ব্যাখ্যা করো।
- অসাধ্য সাধন কারা করতে পারে?
- কাব্য নয়, চিত্র নয়, প্রতিমূর্তি নয়,ধরণি চাহিছে শুধু হৃদয়-হৃদয়। বিলাসী' গল্পে কোন ঘটনাটি উদ্দীপকের মূলভাবের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- ভয়ংকর এক সড়ক দুর্ঘটনায় অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকা রায়হানকে পাশের বস্তির মেয়ে জাহানারা উদ্ধার করে নিয়ে আসে। স্মৃতি ফিরে পেলে রায়হান জানতে পারে তার জীবন বাঁচিয়েছে এই মেয়েটি। দীর্ঘদিন সেবা-যত্নের পর ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠে সে। রায়হান মেয়েটির প্রতি কৃতজ্ঞতাবোধ থেকে তাকে বিয়ে করে বাড়িতে নিয়ে আসে। তার বাবা জাহানারাকে মেনে নেয় না। কিছু টাকা পয়সা দিয়ে তাকে-বিদায় করে দিতে চাইলে রায়হানও জাহানারার সাথে বস্তিতেই চলে যায় এবং সেখানেই সুখে সংসার বাঁধে।উদ্দীপকের জাহানারা চরিত্রের সাথে 'বিলাসী' গল্পের বিলাসীর সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি আলোচনা করো।
- শরৎচন্দ্রের "শ্রীকান্ত" উপন্যাসটি কয় পর্বে বিভক্ত?
- ন্যাড়ার সন্নাসীগিরি ইস্তফার কারণ কী?
- 'বিলাসী' গল্পটি প্রথম কোন পত্রি??ায় প্রকাশিত হয়?
- বলিলাম, 'পৌঁছে দিতে হবে না, শুধু আলোটা'দাও।'- উক্তিটিতে ন্যাড়ার যে মনোভাব প্রকাশপেয়েছে—
- আলেয়া খাতুন রাতের বেলা এক হাতে লণ্ঠন আর অন্য হাতে রশি নিয়ে মনের দুঃখে কাঁদতে কাঁদতে পাশের বাড়ির সালেহা বেগমকে এসে বললেন, 'আম্মা আমার আর বাঁচার এতটুকু ইচ্ছা নেই। যাকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসলাম সেই যখন আমাকে ছেড়ে চলে গেল তখন আমি বাঁচতে চাই না। আমিও মরতে চাই।' সালেহা বেগম বললেন, 'দেখো বউমা, এমন কথা বলো না। তোমার শ্বশুরের সাথে ত্রিশ বছর ধরে সংসার করো করেছি। তিনি মারা যাওয়ার পরে আজও এই ঘর, এই সংসারকে আঁকড়ে পড়ে আছি। কোনোদিন এই সংসার ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা চিন্তাও করি নাই। তিনি যেদিন মারা গেলেন, বুকে পাথর বেঁধে সারাটি রাত তার পাশেই বসেছিলাম। যাও বাড়ি যাও। সব ঠিক হয়ে যাবে।' পাশেই বসে থাকা সালেহা বেগমের ছোটো সন্তান সোহাগ আলেয়া খাতুনকে জিজ্ঞাসা করে, 'ভাবী তোমার হাতে লণ্ঠন কেন?' আলেয়া খাতুন চট করে উত্তর দেয়- 'যদি সাপে কামড়ায়।'"উদ্দীপকের সালেহা বেগমের ক্ষেত্রে 'বিলাসী' গল্পে 'ইহা আর এক শক্তি' উক্তিটি প্রযোজ্য হয়নি।"- বিশ্লেষণ করো।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত কেন বিখ্যাত?
- শরৎচন্দ্রের 'মহেশ' গল্পে গফুরের প্রিয় গরুটির নাম মহেশ। দরিদ্র গফুর নিরীহ পশুটিকে ঠিকমতো খাবারের জোগান দিতে পারে না। ফসল নষ্ট করার জন্য তাকে জমিদারের শাস্তিও পেতে হয়েছে। একদিন তৃষ্ণার্ত মহেশ পানির জন্য গফুরের মেয়ে আমিনার মাটির পাত্র ভেঙে ফেলে। রাগান্বিত গফুর লাঙলের ফলা দিয়ে মাথায় আঘাত করলে মহেশ মারা যায়। গোহত্যার প্রায়শ্চিত্ত করতে গফুর রাতের আঁধারে মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।গফুরের জীবনবাস্তবতার সাথে 'বিলাসী' গল্পের কোন ঘটনার সাদৃশ্য বিদ্যমান?
- 'কবে সে থার্ড ক্লাসে উঠিয়াছিল এ খবর আমরা কেহই জানিতাম না'- বিলাসী গল্পে কার সম্পর্কে এ কথা বলা হয়েছে?
- কোন চরিত্রে লেখকের জীবনের ছায়াপাত ঘটেছে?
- বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র শোভন গাঙ্গুলী তারগ্রামের মানুষের কল্যাণের জন্য তৈরি করেছে বিভিন্নসামাজিক সংগঠন। কিন্তু নিচু জাতের মেয়েকে বিয়েকরেছে বলে এখন সে নিজেই সমাজচ্যুত । উদ্দীপকে 'বিলাসী' গল্পের কোন সামাজিক দিকলক্ষণীয়?
- মুখে দেয় জল, সুধায় কুশল, শিরে দেয় মোর হাত,দাঁড়ায়ে নিঝুম, চোখে নাই ঘুম, মুখে নাই তার ভাত।বলে বার বার, 'কর্তা, তোমার কোনো ভয় নাই, শুন-যাবে দেশে ফিরে, মা ঠাকুরাণীরে দেখিতে পাইবে পুন।'লভিয়া আরাম আমি উঠিলাম, তাহারে ধরিল জ্বরে,নিল সে আমার কালব্যাধিভার আপনার দেহ'পরে।উদ্দীপকের ভূত্যের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে 'বিলাসী' গল্পের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? বুঝিয়ে লেখো।
- ব্রাহ্মণের শিক্ষিত ছেলে সমীর ভালোবেসে বিয়ে করে গ্রামেরজেলে সম্প্রদায়ের শিক্ষিত মেয়ে নীলিমাকে। রাশভারী বাবাউপেন্দ্রনাথ তাতে রাজি না হয়ে সমীরকে সম্পত্তি থেকেবঞ্চিত করে। সমীর ও নীলিমা আত্মনির্ভরশীল হয়ে এখনসুখে আছে।উদ্দীপকের উপেন্দ্রনাথ চরিত্রের মধ্যে 'বিলাসী'গল্পের যে সামাজিক সমস্যাটি নিহিত তা হলো-
- ‘পথের দাবি’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে ?
- 'ঠিক যেন ফুলদানিতে জল দিয়া ভিজাইয়া রাখা বাসি ফুলের মতো।' বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
- মৃত্যুঞ্জয়ের জাত-বিসর্জনের কারণ ব্যাখ্যা করো।
- শরৎচন্দ্র দেশ ছেড়ে বার্মা গিয়েছিলেন কীসের তাগিদে?