কলেজে ওঠার পর রাতুল ধীরে ধীরে বদলে যেতে থাকে। পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে ওঠে, রাত জেগে স্মার্ট ফোন নিয়ে বসে থাকে। বাবা-মায়ের সঙ্গেও বাজে আচরণ করে। অবশেষে খোঁজ নিয়ে জানা যায় রাতুল কিছু বাজে বন্ধুর পাল্লায় পড়েছে। রাতুল বুঝতে পারছে সে যা করছে ভুল করছে, কিন্তু এসব থেকে বেরিয়েও আসতে পারছে না।
'অসৎ বন্ধুর পাল্লায় পড়ে তরুণরা ভুল পথে পা বাড়াতে পারে" উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে তোমার মতামত দাও।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে'-কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে কবি আঠারোর প্রত্যাশা করেছেন?
- 'দুর্যোগ হাল, ঠিকমতো রাখা ভার'- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- জুলে-পুড়ে মরে ছারখার তুব মাথা নোয়াবার নয়'। কবিতাংশটি -
- আমাদের তরুণরাই দেশ ও জাতির চালিকাশক্তি হয়ে দাঁড়াক- এই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে নিম্নের কোন চরণে?
- পূর্ণিমার চাঁদ কে ঝলসানাে রুটির সঙ্গে তুলনা করেছেন কে?
- ধ্বংস দেখে ভয় কেন তোর? প্রলয় নতুন সৃজন বেদন।আসছে নবীন জীবন হারা অসুন্দরে করতে ছেদন।'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় উল্লিখিত আঠারো বছরবয়সের কোন বৈশিষ্ট্যটি উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে?
- ‘আঠারো বছর’ কবিতায় ‘আঠারো’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে-
- বর্ণিল জগৎ সন্ধানে যারা ছুটে মেরু-অভিযানে,পক্ষ বাঁধিয়া উড়িয়া চলেছে যাহারা ঊর্ধ্বপানে।তবু থামে না যৌবন-বেগ, জীবনের উল্লাসেচলেছে চন্দ্র-মঙ্গল-গ্রহে স্বর্গে অসীমাকাশে।যারা জীবনের দাসরা বহিয়া মৃত্যুর দ্বারে দ্বারেকরিতেছে ফিরি, ভীম রণভূমে প্রাণ বাজি রেখে ছারে।আমি মরু-কবি-গাহি সেই বেদে-বেদুইনদের গান,'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'-কবির এ প্রত্যাশার কারণ কী? উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- ‘এ বয়স জেনো ভীরু কাপুরুষ নয় - পঙক্তিতে কত বছরবয়সের কথা বলা হয়েছে?
- নবীন জগৎ সন্ধানে যারা ছুটে মেরু-অভিযানে,পক্ষ বাঁধিয়া উড়িয়া চলেছে যাহারা ঊর্ধ্বপানে।উদ্দীপকটিতে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতারতারুণ্যের যে দিকটি প্রকাশিত হয়েছে—তারুণ্যের আবেগতারুণ্যের দুর্নিবার রূপতারুণ্যের আত্মোৎসর্গকারী রূপনিচের কোনটি সঠিক?
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কবির কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
- তোমরা এসেছ, ভেঙেছ অন্ধকার- তোমরা এসেছ ভয় করি নাকো আর পায়ের স্পর্শে মেঘ কেটে যাবে, উজ্জ্বল রোদ্দুরছড়িয়ে পড়বে বহুদূর বহুদূর।উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? বর্ণনা কর।
- তরুণ নামের জয়-মুকুট শুধু তাহারই, যাহার শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তণ্ড প্রায়, বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, বিরাট যাহার ঔদার্য, অফুরন্ত যাহার প্রাণ, অটল যাহার সাধনা,মৃত্যু যাহার মুঠিতলে।উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?
- ‘সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে'— 'আঠারো বছরবয়স' কবিতার চরণটিতে কী প্রকাশিত?
- আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে কী ভাঙতে চায়?
- এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে। কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে কবি এই প্রত্যাশা করেছেন?
- ‘এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য'– বলতে বোঝানোহয়েছে—
- 'আঠারো বছর বয়স' বিপদের মুখে কী?
- ”আঠার বছর বয়স” কবিতাটি সংকলিত হয়েছে কোন কাব্য থেকে?
- আমরা নূতন যৌবনের দূতআমরা চঞ্চল আমরা অদ্ভুত।আমরা বেড়াভাঙি।আমরা অশোকবনেররাঙা নেশায় রাঙি।ঝঞ্ঝার বন্ধন ছিন্ন করে দেই-আমরা বিদ্যুৎ।আমরা করি ভুলঅগাধ জলে ঝাঁপ দিয়েযুঝিয়ে পাই কূল।যেখানে ডাক পড়েজীবন মরণ ঝড়েআমরা প্রস্তুত।উদ্দীপকের 'আমরা করি ভুল' পংক্তির সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন বিষয়ের সঙ্গতি রয়েছে? বর্ণনা কর।