কোনটি অশুদ্ধ?
A. কান্ড
B. ত্রাণ
C. বিবরণ
D. আকর্ষণ
সঠিক উত্তরঃ
A.
কান্ড
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- দোযখের ওম গল্পের রচয়িতা কে?
- রেইনকোট গল্পের নুরুল হুদা কোন বিষয়ের লেকচারার ছিলেন?
- 'অন্য ঘরে অন্য স্বর' কে লিখেছেন?
- 'আব্বু ছোট মামা হয়েছে'- ছোট্ট মেয়ের এ উক্তিতে প্রফেসর কেন চমকে উঠেন?
- কোনটি শুদ্ধ শব্দগুচ্ছ?
- রেইনকোট' গল্পে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস কোন বিষয়টি তুলে ধরতে চেয়েছেন?
- 'রেইনকোট' গল্পের উর্দুর প্রফেসরের নাম কী?
- "খাতক" শব্দের বিপরীত শাব্দ কি ?
- "উও আপ হি কহ সকতা।"- উক্তিটি কার?
- ‘ঐকতান’ শব্দের অর্থ-
- 'রেইনকোট' গল্পটি পড়ে শিক্ষার্??ীরা জানতে পারবে- পাকিস্তানি বাহিনীর রর্বরতামুক্তিযোদ্ধাদের স্বরূপমুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আত্মজাগরণনিচের কোনটি সঠিক?
- "বর্ষাকালেই তো জুৎ" -কথাটির রেইনকোট গল্পে কতবার বলা হয় ?
- 'বর্ষাকালেই তো জুৎ'- কথাটি কে বলেছিল?
- কোথা হতে কোন পথে কেমন করে মুক্তিফৌজ আসে, আক্রমণ করে এবং প্রতিআক্রমণ করলে কোথায় হাওয়া হয়ে যায় খানসেনারা তার রহস্য ভেদ করতে পারে না। কখনো কখনো খতরনাক অবস্থার মধ্যে পড়তে হয়। হাট-বাজারের লোকজন, মিল-ফ্যাক্টরির শ্রমিক, দোকানদার, স্কুলমাস্টার, ছাত্র সকলকে কাতারবন্দি করে বন্দুকের নল উচিয়ে জিজ্ঞাসা করছে, 'মুক্তি কিধার হ্যায় বোলা।'- এক উত্তর- ওরা জানে না।"উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্প উভয়ক্ষেত্রেই গেরিলাযুদ্ধের গৌরবগাঁথা বর্ণিত হয়েছে।"- যথার্থতা যাচাই করো।
- দুবার জন্ম যার-
- জেলে বন্দি থাকাকালে ভগৎ সিং ভারতীয় বন্দিদের সমানাধিকারের দাবিতে ৬৩ দিন অনশন করেন। ভগৎ সিং ও বটুকেশ্বর দত্ত দুজনই ছিলেন অনশন ধর্মঘটে। তাদের স্ট্রেচারে করে যখন আদালতে আনা হয়, অন্য কারাবন্দিরা অনশনের কথা জানতে পেরে যোগ দেন। ৬৩ দিন অনশনের পর ব্রিটিশশক্তি নতি স্বীকার করে। নিজের দেশকে মুক্ত করার জন্য জীবন বাজি রেখে ভগৎ সিং নানা সংগ্রামে অংশ নেন ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে। পরে হাসিমুখে ব্রিটিশদের দেওয়া ফাঁসির দড়ি তিনি বরণ করে নেন।"উদ্দীপকের বর্ণিত ভগৎ সিং এর ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে নিজের জীবন উৎসর্গ করার সঙ্গে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার প্রেক্ষাপট ও কাহিনির ভিন্নতা রয়েছে।" মন্তব্যটি সমর্থন করো কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- রেইনকোট' গল্পের মূল প্রতিপাদ্য কী?
- নুরুল হুদা কার রেইনকোট পরিধান করেছিল?
- খোয়াবনামা' উপন্যাসটির লেখক কে?
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে রতনপুর গ্রামের মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে পরিণত হয়। স্কুলের প্রধান শিক্ষক হাতেম আলী হয়ে ওঠেন হানাদার বাহিনীর আশ্রয়দাঁতা ও সাহায্যকারী। তিনি এ কাজে সহকর্মীদেরও বাধ্য করেন এবং কেউ সম্মত না হলে তার সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করেন। অধিকাংশ শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের এ ধরনের কাজকে ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখেন কিন্তু ভয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পান না। সহকারী প্রধান শিক্ষক বাছেদ মিয়া ভীরু প্রকৃতির মানুষ হলেও তিনি ছিলেন মনে-প্রাণে একজন দেশপ্রেমিক মানুষ। তিনি গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করতেন। তাঁর পরামর্শে মুক্তিযোদ্ধারা রাতের অন্ধকারে হাতেম আলীকে ধরে নিয়ে বিচারের মুখোমুখি করেন।উদ্দীপকের ঘটনার পরিণতি প্রত্যাশিত কিন্তু 'রেইনকোট' গল্পের পরিণতি থেকে ভিন্ন।"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।