একটা সময় সব অকেজো হয়ে যায়
শরীর, মন ও বুদ্ধি।
থেমে যায় বুদ্ধি
কেউ আর রাখে না মনে তায়।
যৌবন থেকে মৃত্যু-
অনেক সফল কাজ,
কাজগুলো রেখে দাও, শুধু তুমি চলে যাও।
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'কাজগুলো' 'সোনার তরী' কবিতায় বর্ণিত কীসের সাথে তুলনীয়? বুঝিয়ে দাও।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- ‘সোনার তরী' কবিতায় কবির আক্ষেপ নিচের কোনপঙক্তিতে প্রকাশ পেয়েছে?
- এক সময়ের ডাকসাইটে জমিদার নারায়ণ চৌধুরী প্রজ্ঞা ও প্রতিভায় ছিলেন সবার শীর্ষে। তাঁর জীবনের অর্জিত সম্পদের সবটুকু উজাড় করে দিয়ে সন্তানদের মানুষ করেছেন তিনি। ছেলে-মেয়েরা ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ার হয়ে বিদেশে ভালো অবস্থানে রয়েছে। কিন্তু বৃদ্ধ বাবার খোঁজখবর নেওয়ার সময় নেই তাদের কারও। বার্ধক্যের এই সংকটাপন্ন অবস্থায় তিনি বৃদ্ধাশ্রমেও যাননি সন্তানদের সম্মানের কথা ভেবে। এখন তাঁর সময় কাটে নিজের বাড়িতে একেবারে একা একা।'সৃষ্টিকর্ম সর্বদা মূল্যবান, সৃষ্টিকর্তা নয়'-উদ্দীপক ও 'সোনার তরী' কবিতার আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- রূপক কবিতা হিসেবে 'সোনার তরী' কতটা সার্থক? ব্যাখ্যা করো।
- একটা সময় সব অকেজো হয়ে যায়শরীর, মন ও বুদ্ধি।থেমে যায় বুদ্ধিকেউ আর রাখে না মনে তায়।যৌবন থেকে মৃত্যু-অনেক সফল কাজ,কাজগুলো রেখে দাও, শুধু তুমি চলে যাও।“সোনার তরী' কবিতার অন্তর্নিহিত তাৎপর্য উদ্দীপকে ধরা পড়েছে।"- উক্তিটির সত্যতা বিচার করো।
- সোনার তরী' কবিতায় 'শূন্য নদীর তীরে' কে একা পড়ে থাকল?
- মাদার তেরেসা অকৃত্রিম মাতৃস্নেহের আধার ছিলেন। আলবেনিয়ান বংশোদ্ভূত হয়েও তিনি তাঁর কাজের জন্য সারা পৃথিবীতে স্মরণীয় হয়ে আছেন। ১৯৫০ সালে তিনি কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত মিশনারিজ অব চ্যারিটি হোমের মাধ্যমে সমগ্র পৃথিবীর দরিদ্র, অসুস্থ, অনাথ ও মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের জন্য কাজ করেন। এই কাজের জন্য ১৯৭৯ সালে তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়। সেই পুরস্কারের সমস্ত অর্থ তিনি সেবার কাজে ব্যয় করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি মারা যান। কিন্তু পৃথিবীর মানুষ আজও তাঁর নাম শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।"মাদার তেরেসার জীবনের পরিণতিই 'সোনার তরী' কবিতার মূল উপজীব্য”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- ‘সোনার তরী’ কাব্যে প্রকাশ পেয়েছে----
- সোনার তরী কবিতার পংক্তিসংখ্যা -
- সঞ্চয়িতা' কোন কবির কাব্য সংকলন?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার সোনার তরী কবিতা লিখেছেন কোথায় বসে?
- 'আমায় নহে গো, ভালোবাসো শুধু ভালোবাসো মোর গানবনের পাখিরে কে চিনে রাখে গান হলে অবসানচাঁদের কে চায়, জোছনা সবাই যাচেগীত-শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি-মাঝে।'উদ্দীপকের গান 'সোনার তরী' কবিতার কোন বিষয়টিকে ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা করো।
- 'চারদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা।'- ব্যাখ্যা করো।
- "গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারেদেখে যেনো মনে হয় চিনি উপারে"-কোন কবিতার অংশ?
- 'সোনার তরী' কবিতায় 'ঘন বরষা' বলতে কী বোঝানোহয়েছে?
- 'সোনার তরী' কবিতায় ঠাই নাই, ঠাঁই নাই'— কথাটিতেমাঝির কেমন মনোভাব প্রকাশিত হয়েছে?
- ওরে মোর মূঢ় মেয়েকে রে তুই, কোথা হতে কি শক্তি পেয়েকহিলি এমন কথা, এত স্পর্ধা ভরে-'যেতে আমি দেবো না তোমায়।' চরাচরেকাহারে রাখিবি ধরে' দুটি ছোটো হাতে,গরবিনি সংগ্রাম করিবি কার সাথেবসি গৃহদ্বার প্রান্তে প্রান্ত ক্ষুদ্র দেহশুধু লয়ে ওইটুকু বুক ভরা স্নেহ!"সোনার তরী' কবিতার ভাববস্তু আলোচ্য উদ্দীপকে সম্পূর্ণ প্রতিফলিত হয়নি"-আলোচনা করো।
- ‘সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত ?