'তাহার হাতের উল্টা পিঠ দিয়ে ঝর ঝর করিয়া রক্ত পড়িতেছিল।'-এখানে কার কথা বলা হয়েছে?
A. মৃত্যুঞ্জয়ের
B. বিলাসীর
C. নাড়ার
D. শাহজীর
সঠিক উত্তরঃ
A.
মৃত্যুঞ্জয়ের
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- শরৎচন্দ্রের 'বিলাসী' গল্পে হুমায়নের বাপের নাম কী লেখা হয়েছিল?
- কোন কাজটি মৃত্যুঞ্জয়ের বড় অপরাধ ছিল?
- মুখে দেয় জল, সুধায় কুশল, শিরে দেয় মোর হাত,দাঁড়ায়ে নিঝুম, চোখে নাই ঘুম, মুখে নাই তার ভাত।বলে বার বার, 'কর্তা, তোমার কোনো ভয় নাই, শুন-যাবে দেশে ফিরে, মা ঠাকুরাণীরে দেখিতে পাইবে পুন।'লভিয়া আরাম আমি উঠিলাম, তাহারে ধরিল জ্বরে,নিল সে আমার কালব্যাধিভার আপনার দেহ'পরে।"উদ্দীপকের পরিণতি থেকে 'বিলাসী' গল্পের পরিণতি ভয়াবহ।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- কিন্তু মৃত্যঞ্জয় তো পল্লীগ্রামেরই ছেলে পাড়াগাঁয়ের তো- মানুষ বিলাসী গল্পের এ বাক্যের শূন্যস্থান আছে-
- কার অপর নাম সৌমিত্রি ?
- 'বিলাসী' গল্পটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোন গ্রন্থটি সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল?
- ‘পথের দাবি’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
- 'লালসালু' উপন্যাসে কোন অঞ্চলের জীবনের চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে?
- শরৎচন্দ্রের 'আধারে আলো' কী ধরনের রচনা?
- অনিলা দেবীর সাথে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পর্ক কি?
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোথায় মৃত্যুবরণ করেন?
- 'সাইবেরিয়া' এশিয়ার কোন অঞ্চলে অবস্থিত?
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক কে?
- সৌদামিনী মালো স্বামীর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে ধানী জমি, বসতবাড়ি, পুকুরসহ ক??েক একর সম্পত্তির মালিক ।এই সম্পত্তির উপর নজর পড়ে সৌদামিনীর জ্যাতি দেবর মনোরঞ্জনের। সৌদামিনীর সম্পত্তি দখলের জন্য সে নানা কৌশল অবলম্বন করে। একদিন এক শিশুকে দুর্ভিক্ষের কবল থেকে প্রাণে বাঁচিয়ে তুলে এনে লালনপালন করতে থাকে নিজ সন্তানের মতো। শিশুটি বড়ো হতে থাকে কিন্তু সম্পত্তির লোভে সৌদামিনীয় দেখর। দবর অভিযোগ তোলে রাস্তা। থেকে একটা অস্পৃশ্য সন্তানকে তুলে এনে নিজ ঘরে আশ্রয় নিয়েছে সৌদামিনী। সে জাতের দ্বিধান লঙ্ঘন করেছে। উপরন্তু মনোরঞ্জন সৌদামিনীকে সমাজচ্যুত করতে প্রচার করে। যে- সে যা করছে তা মহাপাপ, হিন্দু সমাজের জাত ধর্ম শেষ হলে গেল।(কাহিনি সূত্র: সৌদামিনী মালো- শওকত ওসমান)"মনোরঞ্জন যেন 'বিলাসী' গল্পের খুড়ারই প্রতিচ্ছবি।"- বিষয়টি মূল্যায়ন করো।
- নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ রাজিব চক্রবর্তীর পুত্র রাতুল চাকুরি নিয়ে শহরে আসে। কিছুদিন পর রাতুল করোনায় আক্রান্ত হয়ে অচেতন হয়ে পড়ে। পাশের বাড়ির নিম্নবর্ণের মেয়ে স্কুল শিক্ষিকা রমা দাস তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ডাক্তার দেখায় এবং সেবাযত্নের জন্য গ্রামের এক দরিদ্র মসিকে নিয়োগ করে। রমার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে উপযুক্ত সেবা ও 'চিকিৎসা পেয়ে রাতুল সুস্থ হয়ে ওঠে। রমার মার্জিত রুচি, ব্যক্তিত্ব, মানবতাবোধে মুগ্ধ হয়ে জাতভেদ ভুলে যাবার অমতে তাকে বিয়ে করে রাতুল। প্রথাগত সংস্কারের বিপরীতে জয় হয় মনুষ্যত্বের।'বিলাসী' গল্পের বিলাসী চরিত্রের সাথে উদ্দীপকের রমা দাস চরিত্রের বৈসাদৃশ্য আলোচনা কর।
- মৃত্যুঞ্জয়ের কত বিঘার বাগান ছিল?
- বলিলাম, 'পৌঁছে দিতে হবে না, শুধু আলোটা দাও।'উক্তিটিতে ন্যাড়ার কোন মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?
- কুম্ভকর্ণ কে?
- হুমরাবেদের মেয়ে মহুয়ার প্রেমে পড়ে জমিদারপুত্র নদের চাঁদ। জমিদার বিষয়টি জানতে পেরে রাতের আঁধারে হুমরাবেদের দলকে গ্রামছাড়া করে। নীচু জাত বেদের মেয়ের সাথে তাঁর পুত্র নদের চাঁদের প্রেম তিনি মেনে নিতে পারেননি। কিন্তু নদের চাঁদ মহুয়াকে পাওয়ার আশায় বাবা-মাকে ছেড়ে যায়। হুমরাবেদে নদের চাঁদকে হত্যার জন্য মহুয়ার হাতে বিষলক্ষার ছুরি তুলে দেয়।উদ্দীপকের নদের চাঁদ চরিত্রের সাথে 'বিলাসী' গল্পের কোন চরিত্র তুলনীয়? ব্যাখ্যা করো।