যৌবনের গান রচনাট প্রকৃতপক্ষে -
A. প্রতিবেদন
B. সম্পাদকীয়
C. অভিভাষণ
D. প্রতিভাষণ
সঠিক উত্তরঃ
C.
অভিভাষণ
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- নদী কভু পান নাহি, করে নিজ জল,তরুগণ নাহি খায়, নিজ নিজ ফল।গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পানকাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে, পরে অন্নদান।স্বর্ণ করে নিজ রূপে, অপরে শোভিতবংশী করে নিজ স্বরে অপরে মোহিত।শস্য জন্মইয়া নাহি খায় জলধরেসাধুর ঐশ্বর্য্য শুধু পরহিত তরে।উদ্দীপকের মর্মার্থ 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বক্তব্যের সাথে কতটা সাদৃশ্যপূর্ণ বিশ্লেষণ করো।
- "আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম।গ্রামের নওজোয়ান হিন্দু-মুসলমানমিলিয়া বাউলা গান ঘাটুগান গাইতাম।বর্ষা যখন হইত গাজির গাইন আইতরঙ্গে ঢঙ্গে গাইত আনন্দ পাইতামবাউলা গান ঘাটুগান আনন্দের তুফানগাইয়া সারিগান নাও দৌড়াইতাম।"- এই কবিতাংশে কৃষকদের এত আনন্দের কারণ তাদের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা।উদ্দীপকে বর্ণিত গ্রাম বাংলার মানুষের সাথে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের উল্লিখিত কৃষকের অবস্থার তুলনামূলক আলোচনা করো।
- আজই জানতে পারলাম, এতোদিনে হতভাগীর হাড় জুড়িয়েছে ।' এটি কোন গল্পের শেষ বাক্য ?
- কাজী নজরুল ইসলাম কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
- ??দী, মাঠ, কৃষক, লতা, পাখি, গনি মিয়া ও আসমানিকেনিয়ে কল্পনা ও স্বপ্নের মাধুরী দিয়ে চিত্ররূপময় কবিতাউপহার দিয়েছেন জসীমউদ্দীন। গনি মিয়া, আসমানি ওপ্রকৃতিকে নিয়েই জসীমউদ্দীন চিরকাল বেঁচে থাকতেচান। যা কবির কল্পলোকে সম্ভব হলেও বাস্তবে সম্ভব নয়।উদ্দীপকের শেষ অংশ ও 'লোক-লোকান্তর' কবিতায়প্রকাশিত মূল চেতনা—
- প্রাচীনকালে কোনো এক রাজ্যে নাকি মানুষ গাছপালা কেটে উজাড় করে দিত। রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা মানুষের এ ধরনের অবিবেচনা-প্রসূত নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে উদবিগ্ন হয়ে পড়েন। সবুজ নিধনের এই ভয়ংকর বাজে অভ্যাস বন্ধে তখন দেশে এক কঠোর আইন প্রণীত হয়। এ আইনে ব্যক্তিগত গাছসহ যেকোনো ধরনের গাছপালা কাটার ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। বর্তমান সময়ে পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে সবুজ বৃক্ষরাজি সংরক্ষণের আন্দোলন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু, মানুষের গাছপালা নিধনের প্রবণতা এখনো রয়েই গেছে।"উদ্দীপকে বর্ণিত 'কঠোর আইন'-এর উদ্দেশ্য ও 'সেই অস্ত্র' কবিতার কবির আকাঙ্ক্ষা অভিন্ন।" বিশ্লেষণ করো।
- নিচের কোন কবির জন্ম বৃহত্তম ঢাকা জেলায়-
- মুনীর চৌধুরী রচিত ‘কেউ কিছু বলতে পারে না’ একটি-
- "চাচা-কাহিনী" এর লেখক কে?
- ‘সাম্যবাদী' কবিতার মূল প্রতিপাদ্য কী?
- কমলাকান্তের দপ্তর কোন ধরনের রচনা ?
- 'হৈমন্তী' প্রথম কোন গ্রস্থে সঙ্কলিত হয় ?
- ‘আব্দুল্লাহ’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
- চেতনার অ্যালবাম" প্রবন্ধটিতে চেতনাকে দীর্ঘকালিন ব্যাপার বলা হয়েছে ?
- বাংলাদেশের জাতীয় জাদুঘর কত সালে যাত্রা শুরু করে ?
- নাট্যকার সেলিম আল দীনের বিখ্যাত নাটক 'কীত্তনখোলা।' এ নাটকের চরিত্র হিসেবে পাই কৃষক, খুদে ব্যবসায়ী, যাত্রাপালার কলা-কুশলীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। এরা সকলেই সমাজের নিম্ন-মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী মানুষের প্রতিনিধি। এসব মানুষের দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার আড়ালে জীবনের যে অপ্রাপ্তি আর স্বপ্নভঙ্গের বেদনা তারই বিশ্বস্ত চিত্র উপস্থাপন। করেছেন নাট্যকার। নাটকে প্রাধান্য পেয়েছে চরিত্রগুলোর সচেতন ও অবচেতন মনের সূক্ষ্ম বিষয়গুলো। 'কীত্তনখোলা' হয়ে উঠেছে প্রান্তিক মানুষের কৃত্রিম-অকৃত্রিম আচরণের ধারা বর্ণনা।উদ্দীপকের 'কীত্তনখোলা' নাটকের চরিত্রগুলো 'ঐকতান' কবিতার কোন চরিত্রগুলো কী প্রসঙ্গে তুলনীয়?
- রোগাপটকা ইউনুস যেখানে বাস করে তা নাম-
- নদী, মাঠ, কৃষক, লতা, পাখি, গনি মিয়া ও আসমানিকেনিয়ে কল্পনা ও স্বপ্নের মাধুরী দিয়ে চিত্ররূপময় কবিতাউপহার দিয়েছেন জসীমউদ্দীন। গনি মিয়া, আসমানি ওপ্রকৃতিকে নিয়েই জসীমউদ্দীন চিরকাল বেঁচে থাকতেচান। যা কবির কল্পলোকে সম্ভব হলেও বাস্তবে সম্ভব নয়।উদ্দীপকের প্রথম অংশের সঙ্গে 'লোক-লোকান্তর’কবিতার মিল—
- প্রাচীন গ্রীসের স্থাপাত্য কলায় নন্দিত শহর কোনটি?
- কেহ মরে বিল ছেঁচে, কেহ খায় কই। এখানে প্রবচনটি রয়েছে যে রচনায়