বাইক্কা বিলের বর্ষার সৌন্দর্য কতই না চমৎকার। কাকের চোখের মতো টলটলে জ??, রঙিন শাপলা-শালুক , কলমি লতার মতো নানাবিধ ফুল, পানকৌড়ি বুনো হাঁসের মতো বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি পাখি কার না ভালো লাগে। কিন্তু এমন মনোলোভা সৌন্দর্যের কাছে এসেও সেঁজুতি জামান আজ বিষা। কারণ, কয়েক বছর আগে নৌকা করে এ বিল পার হতে গিয়েই তার দশ বছরের ছেলে আবির মারা যায়।
উদ্দীপকের সেঁজুতি জামানের মনোভাব 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাথে কতটা সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'উত্তরী' শব্দের অর্থ কী?
- সাঁঝের মায়া' কার লেখা?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি গঠনরীতির দিকদিয়ে-
- 'কুহেলি উত্তরীতলে মাঘের সন্ন্যাসী' বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- এ আমার ছোটো ছেলে, যে নেই এখন,পাথরের টুকরোর মতনডুবে গেছে আমাদের গ্রামের পুকুরেবছর তিনেক আগে কাক ডাকা গ্রীষ্মের দুপুরে।উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন ভাবের প্রতিফলন ঘটেছে বিশ্লেষণ কর।
- সে চলে গেছে বলে কিগো স্মৃতি কি তার যায় ভোলাআজো মনে হলে তার কথা, মর্মে যে মোর দেয় দোলা।ঐ প্রতিটি ধূলিকণায়, আছে তার ছোঁওয়া লেগে হেথায়আজো তাহারি আসার আশায়, রাখি মোর ঘরের সব দ্বার খোলা।হেথা সে এসেছিল যবে ঘর ভরে ছিল ফুল উৎসবেমোর কাজ ছিল শুধু ভবে, তার হারগাঁথা আর ফুল তোলা।"উদ্দীপকটির বিরহবেদনার বর্ণনার সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির মনোবেদনার প্রকৃতিঘনিষ্ঠ যে বর্ণনা, তার সাথে মিলের চেয়ে অমিলই বেশি”- মন্তব্যটি তোমার মতামতসহ যাচাই করো।
- জাতীয় দলের খেলোয়াড় মুন্না তিন বছরের শিশুপুত্রকেহারিয়ে শোকে মোহ্যমান। না ফেরার দেশে চলে যাওয়াপুত্রের শোক সামলাতে না পেরে সে খেলাধুলা ছেড়েদিয়েছে। তাইতো সে দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত এশিয়ানগেমসে ফুটবল খেলায় অংশতো নেয়ই নি, এমনকি খেলাদেখতেও যায় নি।উদ্দীপকে ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় যুগপৎভাবে ফুটে উঠেছে—নির্লিপ্ততাস্মৃতিকাতরতা প্রিয়জন হারানোর বেদনানিচের কোনটি সঠিক?
- কোন কবিতায় কবির ব্যক্তি জীবনের দুঃখময় ঘটনার ছায়াপাত ঘটেছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় 'অর্ঘ্য বিচরণ' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় ব্যবহৃত 'কুহেলি উত্তরী' শব্দটি কী অর্থ বহন করে?
- 'আমি কবি— বনের পাখির মতো স্বভাব আমার গানকরা'— একথার প্রতিধ্বনি আছে কোন কবিতায়?
- সুচিত্রা স্বামী ও দুবছর বয়সি ছেলে হারু দাসকে নিয়ে ভালোই চলছিল জীবন। হঠাৎ তার স্বামী মারা যায়। তার বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন হয়ে পড়ে, তার ছেলে। ছেলে কর্মক্ষম হলো, বিয়ে করল এবং এক সন্তানের জনক হলো। সবাইকে রেখে হঠাৎ একদিন সেও পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়। সন্তানহারা বিধবা নারী সুচিত্রার দুঃখের অন্ত নেই; তবুও বেঁচে থাকতে হবে এই সংসারে একমাত্র নাতি সম্রাট ও বৌমাকে নিয়ে সুচিত্রা আবার খেলার পৃথিবীতে নতুন জীবনের সন্ধান করে।উদ্দীপকের সুচিত্রা ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- 'হিম কুহেলির অন্তর তলে আজিকে পুলক জাগে রাঙিয়াউঠেছে পলাশ কলিকা মধুর রঙিন রাগে।'উদ্দীপকটি নিচের কোনটির ইঙ্গিত করে?
- ঋতু প্রিয়জনের মৃত্যুতে শোকাচ্ছন্ন। জীবন-জগতের কোনো সৌন্দর্য তাকে আকৃষ্ট করে না। যে চাঁদের আলো দেখে একসময় তার মনে আনন্দে ভরে উঠত, সেই আলো এখন তার কাছে আঁধারের অধিক।ঋতুর শোকাচ্ছন্ন অনুভূতিতে প্রকাশিত হয়- কবির প্রিয়জন হারানোর বেদনা প্রকৃতির প্রতি কবির উদাসীনতাকবির প্রতি ভক্তের আহ্বাননিচের কোনটি সঠিক?
- 'যদিও এসেছে তবু তুমি তারে করিলে বৃথাই' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'কুহেলী উত্তরী তল মাঘের সন্ন্যাসী' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় ব্যবহৃত ‘পুষ্পারতি’ শব্দটি কিভাবে গঠিত হয়েছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায়— 'কোথা তব নবপুষ্পসাজ' – উক্তিটি কার উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে?
- রত্না এবং রতনের দাম্পত্য জীবন বেশ সুখে-শান্তিতেই কাটছিল। কিন্তু বিনা মেঘে বজ্রপাতের ন্যায় মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল রতন। কালের বিবর্তনে জীবন নামের একজন ভালো মানুষের সাথে রত্নার পুনরায় বিয়ে হলেও প্রথম স্বামীর সস্মৃতি একমুহূর্তের জন্যও ভুলতে পারেনি সে। কেননা, প্রথম স্বামী ছিল তার সকল কাজের সহযোগী ও প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে রত্না তাই প্রথম স্বামীর কথা বিশেষভাবে স্মরণ করে নীরবে কাঁদে। কারণ, তার ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালের পূর্বলতোই তাকে ছেড়ে চির বিদায় নিয়েছে।উদ্দীপকের রত্না আর 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির কষ্ট একসূত্রে গাঁথা"- বিশ্লেষণ করো।
- বিশ্ব প্রকৃতিতে বসন্তের আগমনে কবি এত উদাসীন কেন? বুঝিয়ে দাও।