সকল মহামানবই চেয়েছেন হিংসা-দ্বেষ ও হানাহানিমুক্ত একটি বাসযোগ্য নির্মল পৃথিবী। হিংসা আর স্বার্থপরতার বিষবাষ্পে ছেয়ে গেছে বর্তমান বিশ্ব। ভালোবাসাহীন, স্বার্থান্ধ ও মানবিকতাশূন্য এমন পৃথিবীর কথা মহামানবেরা চিন্তাও করেননি। সর্বত্র বিরাজমান সকল অশুভ শক্তির শিকড়কে উপড়ে ফেলে ভালোবাসা ও মানবিকতার ছায়া ছড়িয়ে দিতে পারলেই বাসযোগ্য একটি নির্মল পৃথিবীর স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব।
উদ্দীপকের মহামানবদের চাওয়ার সাথে 'সেই অস্ত্র' কবিতার কবির চাওয়ার সাদৃশ্য তুলে ধরো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- মুমূর্ষু অবস্থা থেকে কৃষকদের মুক্তির জন্য রোকেয়া গ্রামে কী প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন?
- 'বাংলাদেশ’ কবিতাটি লিখেছেন
- ঈসা-মুসা কোথায় বসে সত্যের পরিচয় পেলেন?
- হিমালয়ের তিনি যেন মিতা।'- কার কথা বলা হয়েছে?
- অধিকার ছাড়িয়া দিয়া অধিকার ধরিয়া রাখিতে যাইবার মত বিড়ম্বনা আর নাই- উক্তিটি কার?
- মীর মশাররফ হোসেনের কোন গ্রন্হের উপজীব্য হিন্দু মুসলমানের বিরোধ?
- 'নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়' কবিতায় বর্ণনা করাহয়েছে-
- “শয়ন কুৎসিত বীরের ভোজন বিটকাল, গ্রাসগুলি তোলে যেন তে আটিয়া তাল”, কবিতাংশটির রচয়িতা,
- 'সৌদামিনী মালো' গল্পে একটি উপন্যাসের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। উপন্যাসটি-
- ‘সামাজিক ধনবৃদ্ধি ব্যতীত সমাজের উন্নতি নাই।' উক্তিটি কোন রচনার অন্তর্গত?
- কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধে-
- "বিড়াল" রচনায় কোন চরিত্রের মাধ্যমে দরিদ্র ও শোষিতের অধিকার সংগ্রামের কথা বলা হয়েছে ?
- শামসুদদীন আবুল কালামের 'মৌসুম' গল্পটি রচিত হয়েছে তৎকালীন জমিদারদের অধীন জনজীবনকে কেন্দ্র করে। সে সময় জমিদারদের শোষণের বিরুদ্ধে একদল সমাজরূপান্তর ও স্বাধীনতাকামীদের প্রচেষ্টায় কৃষকরা আন্দোলন শুরু করে। গল্পে দেখা যায়, দীর্ঘ খরার পর বৃষ্টির আগমনে কৃষকরা ভালো ফসল পাওয়ার আনন্দে বিভোর হয়। কৃষকদের মনের এই আনন্দ জমিদারের পছন্দ হয় না। চাল মজুদ করে দাম বাড়িয়ে কৃষকদের বেকায়দায় ফেলে দেয় জমিদার।উদ্দীপকে বর্ণিত কৃষকদের অবস্থার সাথে 'বিড়াল' রচনার বিড়ালের সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- 'রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতায় কয়টি নদীর কথা বলা হয়েছে?
- আর সে তো মিশরের সম্রাট হয়নি ।' সৌদামিনী মালো' গল্পে কার কথা বলা হয়েছে ?
- কাশবনের কন্যা' কোন জাতীয় রচনা?
- 'সেই অস্ত্র' কবিতার গঠনগত বিশেষত্ব তুলে ধরো।
- আব্দুল মিয়া একজন কুমোর। সাত পুরুষ ধরে তার পরিবারের সবাই এই পেশায় জড়িত। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে মাটির তৈজসপত্রের চাহিদা কমে যাওয়ায় তার আর্থিক অবস্থা আর আগের মতো নেই। তবে সে ভেঙে পড়েনি। পরিবারের সকলের সহযোগিতা ও. কর্মমুখী শিক্ষা গ্রহণ করে অন্য পেশায় নিয়োজিত হয়ে সে অনেকটা আত্মনির্ভরশীল। পাশাপাশি সে সাত পুরুষের পেশাও ছাড়েনি। সময় পেলেই সে মাটির শৌখিন জিনিসপত্র তৈরি করে বিক্রি করে।উদ্দীপকের 'সময়ের পরিবর্তন' কথাটির সাথে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের কোন দিকটির সাদৃশ্য রয়েছে? বর্ণনা করো।
- ‘ঐকতান’ কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কাব্যগ্রন্থ?
- “ক্রীতদাসের হাসি” গ্রন্থের লেখক-