বিশ্ববিদ্যালয় পাঠ শেষে মামুন চাকরির চিন্তা বাদ রেখে এক মহৎ স্বপ্নের তাড়নায় গ্রামে ফিরে আসে। অনেক চেষ্টা ও শ্রমের ফলে সে গ্রামে সরকার অনুমোদিত একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়। গ্রামের চেয়ারম্যান ও বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের সহায়তায় এগিয়ে চলে মামুনের স্বপ্নের বিদ্যালয়টি। মামুন এখন গ্রামের মানুষের কাছে এক অনুকরণীয় সম্মানিত ব্যক্তি।
উদ্দীপকে উল্লিখিত চেয়ারম্যান ও বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের ভূমিকা 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনাংশের সাদৃশ্য বা বৈসাদৃশ্য? আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- “বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ”। ‘লালসালু' উপন্যাসে গ্রামবাসী সম্পর্কে লেখকের এ মন্তব্যের তাৎপর্য কী?
- 'মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- পাঠান পরিবারের নারীরা বলতে গেলে বাড়ির বাইরে কেউ বের হন না। আর চাকরি করার কথাতো কল্পনাও করা যায় না। কিন্তু আজিজ পাঠানের ছোটো পুত্রবধূ চাকরি করছেন। এই নিয়ে পাঠান পরিবারের কেউ সন্তুষ্ট তো নন-ই, পারলে সকলে মিলে ছোটো পুত্রবধূর নিন্দা করেন, তাকে বিরক্তির চোখে দেখেন। সকল বাধা অতিক্রম করে ছোটো পুত্রবধূ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে যাচ্ছেন। প্রতিদিন বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন, পা রাখছেন স্বাধীনতার আঙিনায়, স্বাবলম্বনের মাটিতে।উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'লালসালু' উপন্যাসের খন্ডাংশ মাত্র, সামগ্রিক চিত্র নয়।”- বিশ্লেষণ করো।
- সালমার মা ছাড়া সংসারে আর কেউ নেই। লেখাপড়াও বেশিদূর করতে পারেনি। আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় অনেকটা বাধ্য হয়েই মধ্যবয়সি একজন লোকের সঙ্গে সালমার বিয়ে দেয় তার মা। স্বামীর বাড়ি গিয়ে সালমা দেখে যে, সেই সংসারে সতিন ও তার এক পুত্রসন্তান রয়েছে। সালমার ভাগ্য বড়োই খারাপ। বড়ো বউ তাকে মোটেও সহ্য করতে পারে না। সারাদিন সালমাকে খাটায়, ঠিকমতো খেতে দেয় না। স্বামীর কান ভারি করে সালমার বিরুদ্ধে। হঠাৎ সালমা একদিন বুঝতে পারে যে, তার স্বামী একজন চোরাকারবারি। সালমা এসব দেখে ভয় পায়। সে প্রতিবাদ করলে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়। একদিন সালমা মেরাজের সমস্ত কুকীর্তির কথা পুলিশের কাছে ফাঁস করে দেয়। মেরাজের মুখোশ খুলে যায়।উদ্দীপকে বর্ণিত মেরাজের বড়ো বউয়ের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসে, বর্ণিত রহিমা চরিত্রের তুলনা করো।
- নিচের কোনটি উপন্যাস নয়?
- লালসালু উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো - ধর্ম পীরবাদ অস্তিত্ববাদ নিচের কোনটি সঠিক?
- 'রহিমা ভাবে, আমেনা বিবির হৃদয়ের সঙ্গে তার 'হৃদয়ের কোথায় যেন সমতা।'- এই সমতার কারণ তারা উভয়ই-
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- বুঝিয়ে লেখো।
- খোদার এলেমে বুক ভরে না কেন?
- সমমনা যুবকদের নিয়ে নিজ গ্রামের মানুষকে স্বাস্থ্য, পুষ্টি, শিক্ষা পরিবেশ, ধর্মান্ধতার কুফল ইত্যাদি বিষয়ে সচেতন করার কাজ করে চলেছে শিক্ষিত যুবক বাজিত। বাজিতের কাজ- কর্মে খুশি নয় গ্রাম্য মাতব্বর চেরাগআলি। গ্রামের মানুষ সচেতন হলে তার প্রভাব ক্ষুণ্ণ হবে- এই তার ভয়। ওরা গান-বাজনা করে, মেয়ে লোকের সাথে আড্ডা দেয় ইত্যাদি অভিযোগ তুলে গোঁড়া সমর্থকদের সাথে নিয়ে সে বাজিতের ক্লাবে আগুন ধরিয়ে দেয়।"উদ্দীপকের বাজিত 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাসের সাথে কীভাবে তুলনীয়? বুঝিয়ে দাও।
- ফয়জুল্লাহপুর একটি গ্রামীণ শহর। ধান-সুপারির মওসুমে এখানকার সকলের হাতেই টাকা-পয়সা থাকে। হাট-বাজারে থাকে লোকের ভীড়। এসময়ে ভিক্ষুকের আগমনও বেড়ে যায়। একদল ভিখারী হামাগুড়ি দেয় আর সুর করে 'আল্লা দে, আল্লা দেয়' বলে বলে ভিক্ষা চায়। তাদের বিচিত্র সুরে ফয়জুল্লাহপুরের মানুষের মন গলে, কেউ টাকা বা আধুলী ফেলে যায় থালায়। ব্যাপারটা এখানকার স্থানীয় ভিক্ষুকদের সহ্য হয় না। তারা লাঠিসোঁটা নিয়ে এদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।'লালসালু' উপন্যাসের কোন কোন ঘটনার সাথে উদ্দীপকের সাদৃশ্য রয়েছে-ব্যাখ্যা করো।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষে মামুন চাকরির চিন্তা বাদ রেখে এক মহৎ স্বপ্নের তাড়নায় গ্রামে ফিরে আসে। অনেক চেষ্টা ও শ্রমের ফলে সে গ্রামে সরকার অনুমোদিত একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়। গ্রামের চেয়ারম্যান ও বায়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের সহায়তায় এগিয়ে চলে মামুনের স্বপ্নের বিদ্যালয়টি। মামুন এখন গ্রামের মানুষের কাছে এক অনুকরণীয় সম্মানিত ব্যক্তি।"উদ্দীপকের মামুন চরিত্রটি 'লালসালু' উপন্যাসের অপূর্ণ একটি সম্ভাবনার ??াস্তব প্রতিফলন।"- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- "ব্যাপারটা ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়ার মতো।"- বুঝিয়ে দাও।
- 'লালসালু' উপন্যাসে সিদ্ধ ধানের ভাঁপের শব্দটিঔপন্যাসিক কীসের সাথে তুলনা করেছেন?
- 'একরত্তি মাইয়া কিন্তু বড়ো ভালো'- উক্তিটি কার?
- করিমন বাতের ব্যথায় জর্জরিত । ছোটো ছেলে কাদেরকেপাশের গ্রামের পিরের কাছে পাঠায় পানিপড়া আনতে ।লোক-বিশ্বাস কার্মেল পিরের পানি পড়ায় সর্বরোগেরঅবসান ঘটে.উদ্দীপকের করিমন 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- উত্তরাঞ্চলকে অনেকেই বলেন, 'বাহেরমুল্লুক'। সেই 'বাহেরমুল্লুকের' অনেক স্থানই ফি-বছর তিস্তা-ব্রহ্মপুত্রের ভয়াল ভাঙনের কবলে পড়ে। এই ভাঙন কবলিত গৃহহীন মনসুর মিয়া সপরিবারে চলে যান সুদূর দক্ষিণের দ্বীপাঞ্চলে। সেখানে ভেষজ চিকিৎসকের পেশায় তাঁর অল্পদিনেই সুনাম হয়। জটিল রোগীর আগমন ঘটলে সরাসরি হাসপাতালে গিয়ে উন্নত চিকিৎসা নেয়ার পরামর্শ দেন। উপার্জনের পয়সায় দ্বিপাঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়ানোর জন্য স্কুল প্রতিষ্ঠার কথাও ভাবেন।উদ্দীপকের মনসুর মিয়ার বিড়ম্বিত জীবন 'লালসালু' উপন্যাসের কার কথা মনে করিয়ে দেয়? আলোচনা কর।
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'আলালের ঘরে দুলাল' কাহিনিগ্রন্থ কত সালে প্রকাশিত হয়?
- লালসালু উপন্যাসটি কত সালে প্রকাশিত হয়?