'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- মোড়লদিয়ার মাদক ব্যবসায়ী তাকত আলী গঞ্জের কুখ্যাত মাফিয়া। মাদকাসক্ত করে গঞ্জের যুব সমাজকে সে বশীভূত করে রেখেছে। ইদানীং আরব আলী নামে আরেক ব্যবসায়ী গঞ্জে মাদক ব্যাবসা' শুরু করলে ব্যাবসায় মন্দার ভয়ে তাকত আলী ক্ষুব্ধ ও চিন্তিত হয়ে ওঠে। তাই নিজের রাজত্বকে নিষ্কণ্টক করতে এক রাতের আঁধারে তার সাঙ্গোপাঙ্গকে দিয়ে সশস্ত্র হামলা চালায় আরব আলীর ওপর। উৎখাত করে আরব আলীকে।'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাথে উদ্দীপকের আরব আলীর মিল রয়েছে?
- খুলনা জেলার চুকনগরে রুথিত পির বাবার নাম আঃ লতিফ। চুকনগর হাইস্কুল রোডের একটি ঘরে তার আস্তানা। প্রতিদিন শত শত ভক্ত ও রোগী পানি, তেল, কলার মোচা পড়াসহ নানা তদবির নিতে আসে পির বাবার সান্নিধ্যে। তার আস্তানায় গিয়ে দেখা যায় টেবিলের উপর পানি, তেল ও দুধের বোতল, কলার মোচা, মাটি মাদুনিসহ নানা তদবিরের সামগ্রী। আর বাইরে অসংখ্যা মহিলাদের লাইন। সবার হাতে পানি ও তেলের বোতল। একেক জনকে একেকভাবে চিকিৎসা করছেন তিনি। তার আস্তানায় ৪টি সাইনবোর্ড আছে। যার একটিতে লেখা শিক্ষাগত যোগ্যতা, একটিতে রোগের চিকিৎসা ফি। সাপে কাটা ফি ৫০০ টাকা, কুকুরে কামড়ানো ফি ২৫০ টাকা, বিড়ালে কামড়ানো ফি ১৫০ টাকা, অর্শরোগী ২০০ টাকা, জিনে ধরা ফি ৩০০ টাকা, প্রয়োজনে বারণ ফি ১০০ টাকা, বাড়ি বন্ধ করা ফি ৩০০ টাকা। বহু রোগী তাদের রোগ নিরাময়ের জন্য হুজুরের দরবারে আসে। আশপাশের অনেকেই যুজুরের পানি পড়াতে সুস্থ হয়ে গেছে এই গুজব শুনে এসেছে তারা।উদ্দীপকের চুকনগরের সমাজবাস্তবতার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগরের সমাজবাস্তবতার সাদৃশ্য দেখাও।
- গ্রামের স্কুলশিক্ষক বাবা তমিজুদ্দীন তাঁর ছেলে রাসেলকে শহরের বড়ো প্রতিষ্ঠানে উচ্চ শিক্ষার জন্য পাঠায়। রাসেল ডাক্তার হয়ে বাবার মুখ উজ্জ্বল করে ফিরে আসে গ্রামে। তার ইচ্ছা গ্রামের অসহায়, দুস্থ রোগীদের আধুনিক চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে তুলবে এবং তাবিজ কবজ, ঝাড় ফুঁক ও পানিপড়া প্রভৃতি অন্ধবিশ্বাস থেকে গ্রামবাসীেেদর মুক্ত করবে। কিন্তু ব্যাপারটা গ্রামের মোড়ল করিম খান মেনে নিতে পারে না। রাসেল যাতে গ্রামের মানুষদের সচেতন করতে না পারে সেই চেষ্টা করতে থাকে সে, কিন্তু রাসেল কোন দিকে কর্ণপাত না করে এগিয়ে যায় নিজের লক্ষ্যের দিকে।"উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাস উভয়ই অন্ধ ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন জনজীবনের আলেখ্য।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- "মজিদের শক্তি ওপর থেকে আসে, আসে ঐ সালু কাপড়ে আবৃত মাজার থেকে"- ব্যাখ্যা করো।
- 'শত্রুর আভাস পাওয়া হরিণের চোখের মতোই সতর্ক হয়ে ওঠে তার চোখ।'- কার চোখ, কেন?
- ‘লালসালু ’ উপন্যাসের পীর সাহেবের কাছ থেকে পানি পড়া এনেছিল কে ?
- 'মাটিরে কষ্ট দেওন গুণাহ্'- এ উক্তিটির প্রেক্ষাপট লেখো।
- গারো পাহাড় মধুপুরগড় থেকে কত দিনের পথ?
- আক্কাসের বাবার নাম কী?
- ‘সে যেন খাঁচায় ধরা পড়েছে।’ - লালসালু উপন্যাসের কার সম্পর্কে এ কথা বলা হয়েছে?
- বাড়িতে দুই বউ থাকার পরও বজলু চৌকিদার গত মাসে প্রথম স্ত্রীর অর্ধেক বয়সী আরেকটি মেয়েকে বিয়ে করে ঘরে এনেছে। এ অল্প বয়স্কা বউকে বজলু কারো সামনে আসতে দেয় না। এর অন্যথা হলে বউকে কড়া শাসন করে। একদিন পাশের বাড়ির ছেলের সাথে কথা বলার অপরাধে ছোট বউকে শীতের রাতে ঘরের বাইরে বেঁধে রাখে। এ ঘটনায় প্রথম বউ খুব কষ্ট পায়। সারা রাত সে ঘুমায় না, আবার কম বয়সী মেয়েটাকে ঘরে ডেকে নেবে এমন সাহসও পায় না।উদ্দীপকের বজলু চৌকিদারের মানসিকতা 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? তোমার মতামত আলোচনা করো।
- 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসে বর্ণিত টুনি চরিত্রটি একটি কিশোরীসুলভ চপলতার প্রতীক। স্বামী ও সংসার সম্পর্কে সে ছিল একেবারেই অনভিজ্ঞ। সমবয়সিদের সাথে খেলাধুলা ও হাসি-তামাশা করতেই, তার বেশি ভালো লাগত। এই চপলা-চঞ্চলা টুনিকেই বিয়ে করে ঘরে আনে ষাট বছরের বুড়ো মকবুল। তাদের বয়সের বিস্তর ব্যবধান থাকায় স্বামী ও সংসারের সুখ তার কপালে জোটেনি।উদ্দীপকের টুনির সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের যে চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে তা আলোচনা করো।
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- ব্যাখ্যা করো।
- 'এখন সে ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতা নয়। সচ্ছলতার শিকড়গাড়া বৃক্ষ।'- ব্যাখ্যা করো।
- 'গ্রামের লোকেরা যেন রহিমারই অন্য সংস্কারণ।'- উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- শ্যামচুর গ্রাম থেকে শহর অকেটা দূরে অবস্থিত। প্রকৃতি উদার হাতে এ অঞ্চলের মানুষকে শস্যে ও সম্পদে সুখী রেখেছে। এ অঞ্চলের মানুষের দিন কাটে ফসলের খেতে,. গৃহস্থালি কাজে, হাসি-উৎসব ও প্রচলিত বিশ্বাসে। এ গ্রামের মাতব্বর মেহের আলীর বাড়িতে এক পড়ন্ত বিকালে রহমত মিয়া নামে এক অচেনা এক-দরবেশের আগমন। দুর্গম পথ পার হয়ে আসা রহমত মিয়ার চোখে-মুখে নানা শঙ্কা, উদ্দ্বেগ ও স্বপ্নের বিচিত্র আভাস। সকলের সামনে সে নিজেকে পীর হিসেবে পরিচয় দিয়ে নানা রকম অলৌকিক কর্মকাণ্ডের গল্প বলতে শুরু করে।উদ্দীপকের রহমত মিয়া ও লালসালু' উপন্যাসের মজিদ আত্মপরিচয়দানে ও আত্মপ্রকাশে কতটা অভিন্ন? আলোচনা করো।
- মহব্বতনগর গ্রামের মহিলাদের সাথে মজিদেরযোগসূত্ৰ—
- বাংলা ভাষার প্রথম ঔপন্যাসিক কে?
- মহিম আলির সংসারের সকল দায়িত্ব তার স্ত্রী হনুফার। যৌথ পরিবারের গ্রামীণ সংসারের রান্নাবান্না থেকে শুরু করে ধান শুকানো, মাড়ানো, গৃহপালিত হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগলের তদারকি সবই শক্ত হাতে সামলান। এমনকি আত্মীয়স্বজনের সাথে যোগাযোগ, তাদের মান রক্ষা সবই হনুফার গুরুদায়িত্ব। এতে তার আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি বা ক্লান্তি নেই। কিন্তু 'হনুফা'কে মাঝে মাঝে অসহায়ত্ব ও একাকিত্ব গ্রাস করে। মহিম আলি হনুফার একাকিত্ব অনুভব করে। কারণ তারা নিঃসন্তান।"উদ্দীপকে বর্ণিত হনুফা সন্তান বাসনায় অতৃপ্ত কিন্তু 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত রহিমার মাতৃহৃদয় কিছুটা পরিপূর্ণ।" কীভাবে ব্যাখ্যা করো।
- কীসের পাশে মজিদের জীবন পদে পদে এগিয়ে চলল?