সুপারনোভা বিস্ফোরনের পর মূল অংশের ভর যদি \(1.4 \, M_0\) এর বেশি এবং \(3 \, M_0\) এর কম হয় তবে মহাকর্ষজনিত কেন্দ্রমুখী আকর্ষণ বলের জন্য-
JUUnit-ASet-3পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রজ্যোতির্বিজ্ঞানকৃষ্ণ বিবর (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
উপরের সবকটিই সঠিক
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: এই প্রশ্নে সুপারনোভা বিস্ফোরণের পর মূল অংশের ভর যদি 1.4 M_0 এর বেশি এবং 3 M_0 এর কম হয়, তবে মহাকর্ষজনিত কেন্দ্রমুখী আকর্ষণ বলের জন্য কি ঘটবে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। এটি নিউট্রন তারায় পরিণত হবে। অপশন বিশ্লেষণ: A. ইলেকট্রন ও প্রোটন বিক্রিয়ায় নিউট্রন গঠিত হয়: ভুল, এটি সঠিক নয়। B. মূল অংশের ঘনত্ব একটি মাত্রা অতিক্রমকালে তা নিউট্রন অধঃক্ষয় হয়: ভুল, এটি সঠিক নয়। C. এটি নিউট্রন তারায় পরিবর্তিত হয়: সঠিক, এটি নিউট্রন তারায় পরিণত হবে। D. উপরের সবকটিই সঠিক: সঠিক, এই সবই সঠিক। নোট: সুপারনোভা বিস্ফোরণের পর ভরের উপর ভিত্তি করে নিউট্রন তারা সৃষ্টি হয়।
Another Explanation (5): ```html
সুপারনোভা বিস্ফোরণের পর মূল অংশের ভবিষ্যৎ 💥
সুপারনোভা একটি তারার জীবনের অন্তিম মুহূর্তের বিশাল বিস্ফোরণ। এই বিস্ফোরণের পর তারার মূল অংশটি কী হবে, তা নির্ভর করে এর ভরের উপর। যদি মূল অংশের ভর \(1.4 \, M_0\) (সৌর ভর) এর বেশি এবং \(3 \, M_0\) এর কম হয়, তবে মহাকর্ষজনিত কেন্দ্রমুখী আকর্ষণ বলের প্রভাবে যা ঘটতে পারে তার একটি ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো:
বিভিন্ন সম্ভাবনা 🤔
- নিউট্রন তারা 🌠: যদি ভর \(1.4 \, M_0\) থেকে \(3 \, M_0\) এর মধ্যে থাকে, তাহলে মূল অংশটি নিউট্রন তারায় পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। নিউট্রন তারা হলো মহাবিশ্বের অন্যতম ঘন বস্তু। এখানে ইলেক্ট্রন এবং প্রোটন মিলিত হয়ে নিউট্রন তৈরি করে।
- পালসার 💫: কিছু নিউট্রন তারা খুব দ্রুত ঘোরে এবং শক্তিশালী তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ নির্গত করে। এই তারাগুলোকে পালসার বলা হয়। এদের নিয়মিত স্পন্দিত সংকেত রেডিও টেলিস্কোপের মাধ্যমে শনাক্ত করা যায়।
- কৃষ্ণ বিবর (Black Hole) 🕳️ হওয়ার সম্ভাবনা কম: যদিও \(3 \, M_0\) এর কাছাকাছি ভরের ক্ষেত্রে কৃষ্ণ বিবর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তবে সাধারণত এই সীমার মধ্যে নিউট্রন তারার গঠন বেশি দেখা যায়।
ভরের প্রভাব 📊
| মূল অংশের ভর | সম্ভাব্য পরিণতি | বৈশিষ্ট্য |
|---|---|---|
| \(1.4 - 3 \, M_0\) | নিউট্রন তারা | অত্যন্ত ঘন, ছোট আকার, দ্রুত ঘূর্ণন (ক্ষেত্রবিশেষে) |
| \(1.4 - 3 \, M_0\) (কিছু ক্ষেত্রে) | পালসার | নিয়মিত স্পন্দিত সংকেত, দ্রুত ঘূর্ণন, শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র |
| \(3 \, M_0\) এর বেশি | কৃষ্ণ বিবর | অত্যন্ত শক্তিশালী মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র, আলো পর্যন্ত পালাতে পারে না |
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী 💡
- চন্দ্রশেখর সীমা (Chandrasekhar Limit): \(1.4 \, M_0\) হলো চন্দ্রশেখর সীমা। এই সীমার নিচে শ্বেত বামন (White Dwarf) তারা স্থিতিশীল থাকতে পারে।
- টলম্যান-অপেনহেইমার-ভলকফ সীমা (Tolman–Oppenheimer–Volkoff limit): \(3 \, M_0\) হলো টলম্যান-অপেনহেইমার-ভলকফ সীমা। এই সীমার উপরে নিউট্রন তারা স্থিতিশীল থাকতে পারে না এবং কৃষ্ণ বিবরে পরিণত হয়।
- মহাকর্ষীয় পতন (Gravitational Collapse): তারার ভেতরের চাপ যখন মহাকর্ষীয় আকর্ষণকে প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়, তখন মহাকর্ষীয় পতন ঘটে।
সুতরাং, \(1.4 \, M_0\) এর বেশি এবং \(3 \, M_0\) এর কম ভরের সুপারনোভা বিস্ফোরণের মূল অংশ নিউট্রন তারা অথবা পালসারে পরিণত হতে পারে। ক্ষেত্রবিশেষে কৃষ্ণ বিবর হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। 🚀🌌
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি বোধগম্য হয়েছে। 😃
```