পৃথিবী যে বল দ্বারা কোন বস্তুকে টানে তা বস্তুর ভরের-
পৃথিবী যে বল দ্বারা কোন বস্তুকে টানে তা বস্তুর ভরের-
- ব্যস্তানুপাতিক (Incorrect)
- সমানুপাতিক (Correct)
- বর্গের সমানুপাতিক (Incorrect)
- কোনটিই নয় (Incorrect)
মহাকর্ষ বল
পৃথিবী যে বল দ্বারা কোন বস্তুকে টানে, তাকে মহাকর্ষ বল বা অভিকর্ষ বল বলা হয়। নিউটনের মহাকর্ষ সূত্রানুসারে, দুটি বস্তুর মধ্যে আকর্ষণ বল তাদের ভরের গুণফলের সমানুপাতিক এবং তাদের দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক।
অভিকর্ষ বলের ক্ষেত্রে
পৃথিবীর ক্ষেত্রে, আমরা যখন কোন বস্তুর উপর পৃথিবীর আকর্ষণ বল বিবেচনা করি, তখন একটি বস্তুর ভর (m) এবং পৃথিবীর ভর (M) থাকে। পৃথিবীর ভর অনেক বেশি হওয়ায় এবং বস্তুর দূরত্ব পৃথিবীর ব্যাসার্ধের তুলনায় নগণ্য হওয়ায়, আমরা আকর্ষণ বলকে বস্তুর ভরের সমানুপাতিক ধরে নিতে পারি।
গাণিতিক ব্যাখ্যা
অভিকর্ষ বল (F) = m × g
এখানে,
- F = অভিকর্ষ বল
- m = বস্তুর ভর
- g = অভিকর্ষজ ত্বরণ (পৃথিবীর পৃষ্ঠে এর মান প্রায় 9.8 m/s²)
যেহেতু g একটি ধ্রুবক মান, তাই আমরা বলতে পারি যে অভিকর্ষ বল (F) বস্তুর ভর (m) এর সরাসরি সমানুপাতিক। অর্থাৎ, বস্তুর ভর যত বাড়বে, পৃথিবী তাকে তত বেশি বল দ্বারা টানবে।
বিকল্পগুলোর বিশ্লেষণ
এখন আমরা বিকল্পগুলো বিশ্লেষণ করে দেখব কোনটি সঠিক:
- ব্যস্তানুপাতিক: যদি বল ভরের ব্যস্তানুপাতিক হতো, তবে ভর বাড়লে বল কমত, যা সঠিক নয়।
- সমানুপাতিক: যেহেতু F = mg এবং g ধ্রুবক, বল ভরের সমানুপাতিক। এটি সঠিক উত্তর।
- বর্গের সমানুপাতিক: বল ভরের বর্গের সমানুপাতিক নয়, বরং ভরের সমানুপাতিক।
- কোনটিই নয়: যেহেতু বিকল্প B সঠিক, তাই এটি উত্তর নয়।
সিদ্ধান্ত
সুতরাং, পৃথিবী যে বল দ্বারা কোন বস্তুকে টানে তা বস্তুর ভরের সমানুপাতিক।
সঠিক উত্তর: B. সমানুপাতিক
পৃথিবী কর্তৃক বস্তুর উপর প্রযুক্ত বল এবং ভর: একটি ব্যাখ্যা
আমরা জানি, পৃথিবী তার কেন্দ্রের দিকে একটি আকর্ষণ বল প্রয়োগ করে, যা অভিকর্ষ বল নামে পরিচিত। এই বলের কারণেই কোন বস্তু பூமিতে পড়ে যায় অথবা ভূপৃষ্ঠের উপর স্থির থাকে। এই আকর্ষণ বল বস্তুটির ভরের উপর কিভাবে নির্ভরশীল, তা আমরা এখন দেখবো। 🤔
ভর এবং অভিকর্ষ বলের মধ্যে সম্পর্ক
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্রানুসারে, দুটি বস্তুর মধ্যে আকর্ষণ বল বস্তুদ্বয়ের ভরের গুণফলের সমানুপাতিক এবং তাদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক। 🌎
এখানে, যেহেতু আমরা পৃথিবীর সাপেক্ষে অন্য বস্তুর আকর্ষণ বল নিয়ে আলোচনা করছি, তাই পৃথিবীর ভরকে ধ্রুবক হিসেবে ধরা যায়। সেক্ষেত্রে, অভিকর্ষ বল \(F\) সরাসরি বস্তুর ভর \(m\) এর সমানুপাতিক। অর্থাৎ:
\(F \propto m\)
এটিকে আরও স্পষ্টভাবে বলা যায়:
- ভর বাড়লে অভিকর্ষ বল বাড়ে। 🏋️♀️
- ভর কমলে অভিকর্ষ বল কমে। 🎈
বিষয়টি একটি টেবিলের সাহায্যে উপস্থাপন করা হলো:
| বস্তুর ভর (m) | অভিকর্ষ বল (F) |
|---|---|
| 1 kg | 9.8 N (প্রায়) |
| 2 kg | 19.6 N (প্রায়) |
| 3 kg | 29.4 N (প্রায়) |
উপরের টেবিল থেকে স্পষ্ট যে, ভর বৃদ্ধির সাথে সাথে অভিকর্ষ বলও বৃদ্ধি পাচ্ছে। 📈
গাণিতিক উদাহরণ
ধরা যাক, একটি বস্তুর ভর 5 kg। তাহলে এর উপর পৃথিবীর আকর্ষণ বল কত হবে? 🤔
আমরা জানি, \(F = mg\), যেখানে \(g\) হলো অভিকর্ষজ ত্বরণ (যার মান প্রায় 9.8 m/s2)।
সুতরাং, \(F = 5 \times 9.8 = 49 N\) (প্রায়)। 💡
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ
- অভিকর্ষ বল একটি ভেক্টর রাশি, এর মান এবং দিক উভয়ই আছে। ➡️
- অভিকর্ষ বল সর্বদা পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে ক্রিয়া করে। 🌍❤️
- ভর যত বেশি, অভিকর্ষ বল তত বেশি। 💪
সুতরাং, উপসংহারে বলা যায়, পৃথিবী যে বল দ্বারা কোন বস্তুকে টানে তা বস্তুর ভরের সমানুপাতিক। ✅
আশা করি, ব্যাখ্যাটি বোধগম্য হয়েছে। 😊
```