কোন পরজীবী কোয়ারটান ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে?
DUUnit-Aজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবম্যালেরিয়া পরজীবী (Topic Practice)DU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
Plasmodium malariae
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: কোয়ারটান ম্যালেরিয়া এক ধরণের ম্যালেরিয়া যা Plasmodium malariae পরজীবী দ্বারা সৃষ্টি হয়। এটি সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণ তৈরি করে এবং প্রতিটি জ্বরের আক্রমণ ৭২ ঘণ্টা অন্তর ঘটে। অপশন বিশ্লেষণ: A. Plasmodium vivax: ভুল, এটি টারশিয়ান ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে। B. Plasmodium ovale: ভুল, এটি এক ধরনের রেয়ার ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে। C. Plasmodium malariae: সঠিক, এটি কোয়ারটান ম্যালেরিয়ার জন্য দায়ী। D. Plasmodium falciparum: ভুল, এটি মারাত্মক ধরনের ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে। নোট: কোয়ারটান ম্যালেরিয়া অপেক্ষাকৃত কম গুরুতর হলেও এটি দীর্ঘমেয়াদী সংক্রমণ তৈরি করতে পারে।
Another Explanation (5):
প্রশ্নের উত্তর: কোন পরজীবী কোয়ারটান ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে?
কোয়ারটান ম্যালেরিয়া (Quartana Malaria) বা অষ্টমার রোগের জন্য দায়ী মূল পরজীবী হলো Plasmodium malariae। এটি একটি প্রোটোজোয়া (প্রজোয়া) যা Plasmodium জেনাসের অন্তর্গত।
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
- প্রথমত, Plasmodium জেনাসের বিভিন্ন প্রজাতি রয়েছে, যেমনঃ
- Plasmodium falciparum
- Plasmodium vivax
- Plasmodium ovale
- Plasmodium malariae
- অবশ্যই, Plasmodium malariae সাধারণত ৪ দিনের ব্যবধানে পুনরাবৃত্তি হয় এবং এটি ক্রনিক বা দীর্ঘস্থায়ী ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করতে সক্ষম।
- অন্যদিকে, কোয়ারটান ম্যালেরিয়ার জন্য দায়ী Plasmodium malariae সাধারণত খুব বেশি গুরুতর রোগ সৃষ্টি করে না, তবে দীর্ঘমেয়াদী ইনফেকশনের জন্য দায়ী।
সারণি: Plasmodium প্রজাতির বৈশিষ্ট্য
| প্রজাতি | বৈশিষ্ট্য | প্রধান রোগ সৃষ্টি করে |
|---|---|---|
| Plasmodium falciparum | অতিদ্রুত গতি, জটিল ম্যালেরিয়া, জীবনঘাতী | হ্যাঁ |
| Plasmodium vivax | বিশেষ করে রেঙ্গে রোগ, দীর্ঘস্থায়ী ইনফেকশন | হ্যাঁ |
| Plasmodium ovale | আস্তে আস্তে ইনফেকশন | হ্যাঁ |
| Plasmodium malariae | ৪ দিনের পুনরাবৃত্তি, দীর্ঘস্থায়ী ইনফেকশন | হ্যাঁ, তবে কম গুরুতর |
উপসংহার:
অতএব, কোয়ারটান বা অষ্টমার ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে Plasmodium malariae পরজীবী। এটি মূলত দীর্ঘস্থায়ী ইনফেকশনের জন্য দায়ী এবং কিছু ক্ষেত্রে কম গুরুতর হলেও, এর উপস্থিতি চিকিৎসা প্রয়োজন।
✨✨✨ আরও জানুন, স্বাস্থ্য সচেতন থাকুন! 😊
Option A Explanation:
- প্রকার: প্লাজমোডিয়াম জীবাণুর একটি প্রকার, যা মালেরিয়া (অ্যাকিউট বা ক্রনিক) রোগের কারণ।
- উদ্ভবস্থান: সাধারণত উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশে পাওয়া যায়, যেখানে জলাশয় ও উন্মুক্ত জলাশয় বেশি থাকে।
- লক্ষণ:
- অল্প সময়ের জন্য জ্বর আসে, যা পুনরাবৃত্তি হয়।
- জ্বরের সময় কাঁপুনি হয়, যা সাধারণত ১-২ ঘণ্টা স্থায়ী হয়।
- শরীরের অবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে।
- অন্য লক্ষণগুলোতে মাথাব্যথা, ঠান্ডা লাগা, পেশী ব্যথা থাকতে পারে।
- প্রজনন ও সংক্রমণ: প্যাথোজেনটি রক্তে প্রবেশ করে, এবং আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের মাধ্যমে অন্যান্য মানুষের মধ্যে ছড়ায়।
- চিকিৎসা: সাধারণত অ্যান্টিম্যালেরিয়াল ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করা হয়।
Option B Explanation:
- Plasmodium ovale একটি প্রোটজোয়া পরজীবী যা সাধারণত মানুষের দেহে ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে না।
- এটি মূলত অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ-দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- এটি মানুষের দেহে ইনফেকশন ঘটাতে সক্ষম হলেও, সাধারণত এটি খুব কম ক্ষেত্রে দেখা যায় এবং খুব বেশি গুরুতর রোগ সৃষ্টি করে না।
- ইনফেকশন হলে এর লক্ষণগুলি সাধারণত হালকা হয় এবং চিকিত্সার মাধ্যমে সহজে নিরাময় হয়।
- অন্য সাধারণ ম্যালেরিয়া পরজীবীদের মতো, এটি রক্তের লোহিত কণিকা আক্রমণ করে না বা মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি করে না।
Option C Explanation:
- নাম: Plasmodium malariae
- প্রকার: পরজীবী প্রোটোজোয়া (প্রোটোজোয়া পরজীবী)
- সংক্রান্ত রোগ: মালেরিয়া (Malaria)
- প্রভাব: রক্তের লোহিত রক্তকণিকা আক্রান্ত করে, জ্বর, ঠাণ্ডা লাগা, অস্থিরতা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয়
- প্রজনন: মানসিক মধ্যবর্তী পরজীবী (অ্যামাইবোসিস বা অন্?? কিছু নয়, বরং মালেরিয়ার জন্য প্রজনন করে)
- আবাস: মানবদেহের রক্তপ্রবাহে থাকে এবং এদের মাধ্যমে রোগ ছড়ায়
- সংক্রমণ পদ্ধতি: এঁড়ে বা মাছি দ্বারা সংক্রমিত হয়, যখন তারা আক্রান্ত রক্তের সাথে যোগাযোগ করে
Option D Explanation:
- প্রকার: একপ্রকার পরজীবী (প্রোটোজোয়া)
- অবস্থান: মানবদেহে ম্যালেরিয়া রোগের জন্য দায়ী
- বিশেষত্ব: এই পরজীবীটি সবচেয়ে গুরুতর ও মারাত্মক ধরনের ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে।
- সংক্রমণের মাধ্যম: ইঁদুর বা মাছি (Anopheles mosquito) এর মাধ্যমে মানবদেহে সংক্রমিত হয়।
- প্রজনন ও জীবনচক্র: মানুষের রক্তে বাস করে এবং লিভার কোষে প্রজনন করে।
- উপসর্গ: জ্বর, কাঁপুনি, মাথা ব্যথা, শরীরের দুর্বলতা ও অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।
- বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই পরজীবীটি অন্যান্য প্রজাতির তুলনায় বেশি মারাত্মক এবং দ্রুত সংক্রমণ ঘটায়।