খোকারা সব জেগে ওঠে আঁতকে ওঠে মা
লড়াই লড়াই লড়াই শুরু-শহর পাড়া গাঁ
বীরের মত রুখে দাঁড়ায় বিজলি হয়ে ছোটে
মারের চোটে বর্গিরা সব ধুলো কাদায় লোটে
উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার যে ভাবগত বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে-
- সংগ্রাম
- মিছিল
- মহামারি
নিচের কোনটি সঠিক?
A.
i
B.
i ও ii
C.
iii
D.
i, ii ও iii
সঠিক উত্তরঃ
B.
i ও ii
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- কোনটি শামসুর রাহমানের কাব্য?
- ফেব্রুয়ারি একুশ তারিখ দুপুর বেলার অন্তবৃষ্টি নামে, বৃষ্টি কোথায় বরকতেরই রক্ত।হাজার যুগের সূর্যতাপে জ্বলবে এমন লাল যে,সেই লোহিতেই লাল হয়েছে কৃষ্ণচূড়ার ডাল যে।প্রভাতফেরির মিছিল যাবে ছড়াও ফুলের বন্যা,বিষাদ গীতি গাইছে পথে তিতুমীরের কন্যা।উদ্দীপকের 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কোন দিকের সমর্থন মেলে? ব্যাখ্যা করো।
- সিলেটের একটি চা-বাগানের শ্রমিকরা নানাভাবে বঞ্চিতহলেও প্রতিবাদ করার সাহস পায় না। একদিন ঘূর্ণিঝড়ওঠার আশঙ্কা জেনেও মালিক তাদের কাজ করতে বাধ্যকরে। ঝড়ের সাথে সংগ্রাম করে শ্রমিকরা প্রাণে বেঁচেযায়। এরপর তারা প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। ঝড়ের কাছথেকে তারা প্রতিবাদের ভাষা শেখে।উদ্দীপকের ‘ঝড়’ 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার যেঘটনার ইঙ্গিত করে, নিচের কোনটি সেই ঘটনারসাথে সম্পর্কিত?
- ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটিতে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে এদেশের সংগ্রামী মানুষের কোন বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে- তারা-
- "অন্তহীন মিছিলের দেশ,সারি সারি মানুষের আকারে হলে মূর্তিময়ীসমস্ত স্বদেশ আজ রাঙা রাজপথে।দিবালোক হয়ে ফোটে প্রাঞ্জল বিপ্লবসাত কোটি মুখ হাসে মৃত্যুর রঙিন তীর হাতে নিয়ে।শ্রেণিবদ্ধ এই ভিড়ে সকলেই সবার আগেএকবার শত্রুকে শেষ দেখা দেখে নিতে চায়।""উদ্দীপক এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রামী চেতনার এক অসাধারণ শিল্প ভাষ্য।"- বিশ্লেষণ কর।
- 'দেখলাম সালামের হাত থেকে নক্ষত্রের মতো / ঝরে অবিরত অবিনাশী বর্ণমালা।' - এখানে নক্ষত্রের সাথে বর্ণমালার তুলনা হলো-
- 'এ রস্তের বিপরীত আছে অন্য রং'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- নাগরিক কবি বলা হয় কাকে?
- ফ্রেব্রুয়ারি ১৯৬৯ ' কবিতায় কতজন ভাষাশহীদের নাম উল্লেখ আছে?
- শামসুর রাহমান রচিত কাব্যগ্রন্হ কোনটি?
- তিনজন আমরা পাশাপাশি হাঁটছিলাম। রাহাত স্লোগান দিচ্ছিল। আর তপুর হাতে ছিল একটি মস্ত প্ল্যাকার্ড। তার ওপরে লাল কালিতে লেখা ছিল 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই'। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌঁছাতেই অকস্মাৎ কিছু বুঝবার আগেই চেয়ে দেখি, প্ল্যাকার্ডসহ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে তপু। কপালের ঠিক মাঝখানটায় গোল একটা গর্ত। আর সে গর্ত দিয়ে নির্ঝরের মতো রক্ত ঝরছে তার। (একুশের গল্প- জহির রায়হান) "উদ্দীপক এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রাম চেতনার এক. অসাধারণ এক শিল্পভাষ্য।"- মন্তব্যটি তুমি স্বীকার কর কি? তোমার মতামতসহ বিশ্লেষণ করো।
- 'নক্ষত্রের মতো ঝরে অবিনাশী বর্ণমালা' বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- বাঙালি চেতনার বীজ অঙ্কুরিত হয়েছিল ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। বাঙালির স্বাধিকার অর্জনের পরবর্তী সব আন্দোলন ও চেতনা থেকে প্রেরণা পেয়েছে।উদ্দীপকে বর্ণিত ভাষা আন্দোলন 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণিত কোন আন্দোলনকে প্রেরণা জুগিয়েছিল?
- কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনার রং, কারণ এতে রয়েছে-
- "অন্তহীন মিছিলের দেশ,সারি সারি মানুষের আকারে হলে মূর্তিময়ীসমস্ত স্বদেশ আজ রাঙা রাজপথে।দিবালোক হয়ে ফোটে প্রাঞ্জল বিপ্লবসাত কোটি মুখ হাসে মৃত্যুর রঙিন তীর হাতে নিয়ে।শ্রেণিবদ্ধ এই ভিড়ে সকলেই সবার আগেএকবার শত্রুকে শেষ দেখা দেখে নিতে চায়।"উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার যে দিকটিকে আলোকপাত করে তা তুলে ধর।
- 'আবার ফুটেছে দ্যাখো কৃষ্ণচূড়া থরে থরে শহরেরপথে'— চরণটি আমাদের জাতীয় জীবনের কোনদিকটি তুলে ধরে?
- পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের-কখনোই ভয় করিনিকো আমি উদ্যত কোনো খড়গের।শত্রুর সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস;অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন- শস্য করেছি চাষ;একই হাসিমুখে বাজিয়েছি বাঁশি, গলায় পরেছি ফাঁস;"উদ্দীপক এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা বাঙালির স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রামী চেতনার এক অসাধারণ শিল্পভাষ্য।"- বিশ্লেষণ কর।
- পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের-কখনোই ভয় করিনিকো আমি উদ্যত কোনো খড়গের।শত্রুর সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস;অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন- শস্য করেছি চাষ;একই হাসিমুখে বাজিয়েছি বাঁশি, গলায় পরেছি ফাঁস;উদ্দীপকে বর্ণিত ভাবনার সঙ্গে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার ঐতিহ্য চেতনার সাদৃশ্য নির্ণয় কর।
- এ রঙের বিপরীত আছে অন্য রং'- চরণটিতে 'অন্য রং' দ্বারা বোঝানো হয়েছে-
- 'উনিশশো উনসত্তরে আবার নামে রাজপথে' কে?