হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। রাজনীতিতে, শাসনকার্যে সর্বদাই তিনি ছিলেন আপোষহীন। সুষ্ঠু গণতন্ত্রের স্বার্থে অত্যাচারী, শোষণকারী, স্বৈরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন আজীবন। ১৯৫২২, ১৯৬৬, ১৯৬৯, ১৯৭০ সর্বোপরি ১৯৭১ সনে তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মৌলিকত্ব অনস্বীকার্য। তাঁর সঠিক নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় স্বাধীন সার্বভৌম 'বাংলাদেশ' নামক রাষ্ট্রের জন্ম। অথচ দেশ স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধুর বিশ্বাস ও উদারতার সুযোগ নিয়ে এদেশের বসবাসকারী পাকিস্তানিদের দোসররা গভীর ষড়যন্ত্রের শিকড় গেড়ে বসে। সেই ষড়যন্ত্রের চরম পরিণতি ঘটে ১৯৭৫ সনের ১৫ আগস্ট জাতির জনককে নির্মমভাবে হত্যার মাধ্যমে।
"উদ্দীপকের শেখ মুজিবুর রহমান এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজউদ্দৌলা দু'জনেই দেশপ্রেমী এবং নির্মম ষড়যন্ত্রের শিকার"- উক্তিটির তাৎপর্য বিচার করো।

- সিরাজউদ্দৌলার মায়ের নাম কী?
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন'- কথাটি-বুঝিয়ে লেখ।
- নিজ দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে চতুর ও উচ্চাভিলাষী চন্দ্রগুপ্ত গ্রিক শিবিরে আলেকজান্ডারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নন্দবংশের উৎখাতের জন্য তার সাহায্য কামনা করে। আলেকজান্ডার চন্দ্রগুপ্তের ধৃষ্টতায় রুষ্ট হয়ে তার প্রাণদণ্ড দিলেও সে পালিয়ে আত্মরক্ষা করে। পরে বিচক্ষণ কূটনীতিবিদ ও অর্থনীতিবিদ চাণক্যের পরামর্শে নন্দবংশ ধ্বংসপূর্বক সিংহাসনে আরোহণ করে চন্দ্রগুপ্ত।'উদ্দীপকের চন্দ্রগুপ্তের মধ্যে মিরজাফরের উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকলেও রবার্ট ক্লাইভের ধূর্ততাই বেশি।'- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- মোদাচ্ছের পীরের মাজারকে কীসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
- অটোমান সাম্রাজ্যের একমাত্র অধিপতি সুলতান সুলেমান খান। সুলতানের নিকটস্থ ও পদস্থ সেনাপতিরা বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি। তারা সুলতানকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। সুলতান তা জেনেও কোনো উপযুক্ত দণ্ডাদেশ দিতে অপারগ। হীন চক্রান্তের ফলে নৃশংসভাবে নিহত হয় সুলতান।'বিশ্বাসঘাতকরা কেবল অটোমান সাম্রাজ্যেই নয়, এই বাংলাতেই বিচরণ করেছে।'- উক্তিটি উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে মূল্যায়ন করো।
- মুকিম সাহেব রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় ময়লার ভাগাড়ের পাশে আট মাস বয়সী এক শিশুর কান্না শুনতে পান। পরম যত্নে বুকে তুলে নেন এবং নাম দেন আজমল। সে প্রায় ত্রিশ বছর আগের ঘটনা। তখন থেকেই তিনি আজমলকে স্নেহ-ভালোবাসায় বড় করে তোলেন। নীচু মানসিকতার আজমল ছিল অত্যন্ত লোভী। সে সুযোগ খোঁজে আশ্রয়দাতার সমস্ত সম্পত্তি হস্তগত করার। একদিন অস্ত্রের মুখে মুকিম সাহেবকে তাঁর সমস্ত সম্পত্তি নিজের নামে লিখে দিতে বাধ্য করে এবং স্বহস্তে আশ্রয়দাতাকে হত্যা করে আজমল।"উদ্দীপকের মুকিম সাহেব এবং নবাব সিরাজের করুণ পরিণতি একই সূত্রে গ্রথিত।" উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ কর।
- ব্যস্ত শহরের তিনমাথায় হঠাৎ করে একজন লোককে লক্ষ করা যায়। সে নানা ধরনের রঙিন পাথর নিয়ে বসে আছে। তাঁর ভাষ্যমতে, এগুলো সে স্বপ্নে পেয়েছে। এ সব পাথর শরীরে ধারণ করলে সকলের সমস্ত রোগ ভালো হয়ে যাবে। শহরের অনেকেই সরল বিশ্বাসে সেগুলো টাকা দিয়ে কিনে নিয়ে যাচ্ছে। আর এদিকে লোকটার আয়ও দিনে দিনে বেড়ে যেতে থাকে। লোকজন এখন তাকে পাথরবাবা বলে ডাকে।"উদ্দীপকের পাথরবাবা ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ"- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- "ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোকের পক্ষে সবই সম্ভব।"- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'যত দিন রবে পদ্মা, মেঘনা, গৌরী, যমুনা বহমানততদিন রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান।'"উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আংশিক ভাব ধারণ করে মাত্র।"- মূল্যায়ন করো।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে রাঙামাটির 'বুড়িরঘাট' যুদ্ধে শত্রুপক্ষ মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পের কাছাকাছি চলে আসে। সহযোদ্ধাদের অপ্রস্তুতির বিষয়টি টের পেয়ে মুন্সি আবদুর রউফ মেশিনগানের গুলি চালিয়ে পাকিস্তানি সৈন্যের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। পরে সহযোদ্ধারা প্রস্তুতি নিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে শত্রুপক্ষকে ঘায়েল করার প্রাক্কালে সহযোদ্ধাদের জীবন বাঁচাতে শহিদ হন বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আবদুর রউফ। পরাস্ত হয় শত্রুপক্ষ।উদ্দীপকের বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আবদুর রউফের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে যুদ্ধক্ষেত্রে মোহনলালের ভূমিকার তুলনা করো।
- কোম্পানির ঘুষখোর ডাক্তার কে?
- "আমার নালিশ আজ আমার নিজের বিরুদ্ধে।"- বুঝিয়ে দাও।
- 'বিপদ আসন্ন দেখে কাপুরুষেয় মতো হাল ছেড়ে দিও না।' কার সংলাপ?
- 'মাকড়সা' সিকানদার আবু জাফরের কী ধরনের রচনা?
- তোমার ক্ষমতা ধ্বংস হবে সির???জ।'-উক্তি?
- সিংহজানী পরগণার এক প্রতাপশালী জমিদারের নাম সিংহ নারায়ণ রায়। প্রজাবাৎসল্য তার চরিত্রের অন্যতম দিক। প্রজাদের সুখের জন্য তিনি দিঘি খনন, রাস্তাঘাট নির্মাণ, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা, খাদ্যাভাব মোকাবিলায় খাদ্য মজুদসহ নানা রকম জনহিতকর কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন। তার জমিদারির অন্যতম সদস্য ছিলেন একমাত্র ভগ্নিপতি সমর সমাদ্দর। তিনি তাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন এবং বিশ্বাস করতেন। এই বিশ্বাসের সুযোগে সমর সমাদ্দার আত্মস্বার্থ চরিতার্থে ব্যস্ত থাকত। তার কৃতকর্ম অনেকবার ধরা পড়লেও জমিদার ঔদার্যবশত তাকে ক্ষমা করে দিতেন। এক বছর খাজনা পরিশোধের জন্য সমরকে দায়িত্ব দিলে সে সমস্ত অর্থ নিয়ে আত্মগোপন করে। সূর্যাস্ত আইনে জমিদারির পতন ঘটে।'উদ্দীপকের প্রজাবৎসল সিংহ নারায়ণ রায় যে কারণে জমিদারি হারিয়েছেন একই কারণে'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে বাংলার স্বাধীনতা-সূর্য অস্ত যায়।'- উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে উক্তিটি যাচাই করো।
- সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪র্থ অঙ্কের ২য় দৃশ্যের সাল কত?
- 'বিসর্জন' নাটকে সন্তানতুল্য ছাগশিশুকে দেবীর মন্দিরে বলি দেওয়ার কারণে শোকার্ত ভিখারি অপর্ণা। সে রাজা গোবিন্দ মাণিক্যের কাছে বিচারপ্রার্থী হয়। সন্তানহারা ভিখারির দুঃখ রাজচিত্তকে আহত করে। রাজা রাজ্যে পশুবলি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন কিন্তু তাঁর এ আদেশ মেনে নিতে পারে না রাজ-পুরোহিত রঘুপতি। তিনি রাজার অনুজ নক্ষত্র রায়কে রাজ্যলোভে বশ করে রাজাকে হত্যা করতে রাজি করান।উদ্দীপকের নক্ষত্র রায়ের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘসেটি বেগমের সাদৃশ্য দেখাও।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকটি কতটি অঙ্ক ও দৃশ্যে রচিত হয়?
- নকল দলিল দেখিয়ে কাকে ঠকানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল?